somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

খুব ভালো লাগলো লেখাটি তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম..

০৬ ই মে, ২০১৪ দুপুর ১২:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ডিস্কভারি চ্যানেলে একটা অনুষ্ঠান দেখায় Man Vs Wild

অনুষ্ঠানের শুরুতেই, তাকে আফ্রিকার জঙ্গলে ফেলে দেয়া হয় ... সে সেখান থেকে হাত্রে-হুত্রে বেঁচে ফেরত আসে

...আগে মজা লাগত, এখন হাসি পায়

তোরে যদি আফ্রিকার জঙ্গলে না ফেলে, বাংলাদেশে ফেলে দেয়া যেত... তখন বুঝা যেত, তুই আদতে কতো বড় সারভাইভাল এক্সপার্ট

প্রথমেই তো মলম পার্টি, তোর লাগেজ উধাও করে ফেলবে

তারপর ... ডাব পার্টি; তোরে ধুতুরা বিষ খাওয়ায়ে, পরনের কাপড় নিয়ে যাবে

তারপর ... কিডনি পার্টি; বিস্কুট খাওয়ায়ে চেতনানাশ করে তোর ঘিলা কলিজা গুদ্দা সহ খুলে, সেগুলো তোর দেশেই এক্সপোর্ট করে দিবে

তারপর ... ফকির পার্টি; তোরে লুলা বানায়ে হলিক্রস স্কুলের সামনে থালা ধরায়ে বসায়ে দিবে

তারপর ... কঙ্কাল পার্টি; জীবিত অবস্থাতেই তোর কঙ্কাল বের করে, ইত্তেফাকের মোড়ে, মেডিক্যাল স্টুডেন্টদের কাছে বিক্রি করে দিবে

তখন তোর কঙ্কাল ছাড়া বডি, কাঁথার মত পড়ে থাকবে হলিক্রস মোড়ে

তারপর... ছাই পার্টি; তোরে কোলে করে সেখান থেকে উঠিয়ে নিয়ে, আগুনে পুড়ায়ে ছাই বানায়ে বিক্রি করবে

“এই ছাই নিবেন ছাই... সাদা ছাই”

... তুই যে ছাই হয়ে যাবি এটা হলো Best case scenario

আর Worst case scenario কি জিনিষ জানিস? যেটাতে এখন আমরা আছি... লাশ শীতলক্ষ্যায় ভেসে উঠা

আমার মেয়ে, তার ভেজা চোখ বারবার মুছেও আমার লাশ শনাক্ত করতে পারবে না

আমার ছোট মেয়ে, যাকে আমি সাঁতার শিখিয়েছিলাম; সে ধরতেই পারবেন না যে তার বাবা কেনও পানি থেকে মাথাটা, উঠতে পারেনি

বউ জানবে না ... ঠিকক কোন তারিখে আমার মৃত্যুবার্ষিকীটা, পালন করতে হবে

হোক না, তুই আমার দেশে ছাই হয়ে যাবি... কিন্তু, কিন্তু তোর দেশে তো তুই ঠিকই নিরাপদ

কিন্তু আমরা? পুরাই উল্টোটা না?

মৃত্যু নিয়েও ... একজনের ওয়ার্স্ট কেইস সিনারিও, কিভাবে আরেকজনের জন্য বেস্ট কেইস সিনারিও হয়?... বুঝি না

... আমি সাধারনত নেগিটিভ লিখি না... চারিদিকে পজিটিভ দেখতে চাই; সকালে ঘুম থেকে উঠে ফেসবুকে “গুম মর্নিং গাইয” দেখতে ইচ্ছে করে না

ইচ্ছে করে না দেখতে, দেশেকে কেউ মজা করে হলেও; ‘গুমোপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ ডাকছে

ইচ্ছে করে দেখতে; বাংলাদেশকে নিয়ে ডিস্কভারিতে এপিসোড হোক... কিন্তু সেটার নাম অবশ্যই অবশ্যই Man Vs Man না হোক

পজিটিভ কিছুই হোক

“এখনও আশাবাদী” ... হতে ইচ্ছে করে

লেখকঃ Arif R Hossain
৪টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কি আছে কারবার

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩


ঐ যে হেঁটে যাচ্ছিলাম- দেখলাম
ভণ্ডামি আর প্রলোভন কাণ্ড;
ক্ষমতায় যেনো সব, ভুলে যাচ্ছি অতীত-
জনগণ যে ক্ষেতের সফল ভিত
অবজ্ঞায় অভিনয়ে পাকাপোক্ত লঙ্কা;
চিনলাম কি আর খেলেই ঝাল ঝাল
তবু ভাই চলো যাই, হেঁটে- হেঁটেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিংহাসনের লড়াই: নেকড়ের জয়ধ্বনি ও ছায়ার বিনাশ

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৪৮



“Game of Thrones: Winter is coming” - এর ছায়া অবলম্বনে।

বাংলার আকাশে এখন নতুন সূর্যের আভা, কিন্তু বাতাসের হিমেল পরশ এখনো যায়নি। 'পদ্মপুর' দুর্গের রাজকীয় কক্ষের একপাশে বিশাল মানচিত্রের দিকে তাকিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৭১ পরবর্তি বাংলাদেশ ( পর্ব ০৮)

লিখেছেন মেহেদী আনোয়ার, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩


মুক্তিযুদ্ধে ‘ত্রিশ লাখ শহিদ হয়েছে'— এই দাবি বিশ্ববাসী প্রথম জানতে পারে ৩ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে সোভিয়েত রাশিয়ার কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা ‘প্রাভদা'তে প্রকাশিত এক সংবাদ নিবন্ধে। দু'দিন পর চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ শবে বরাত!!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:২০



ইসলামি বিশ্বাস মতে,
এই রাতে আল্লাহ তার বান্দাদেরকে বিশেষ ভাবে ক্ষমা করেন। ফারসি 'শবে বরাত' শব্দের অর্থ ভাগ্য রজনী। দুই হাত তুলে প্রার্থনা করলে আল্লাহ হয়তো সমস্ত অপরাধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেলে আসা শৈশবের দিনগুলি!

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:২১


চট্টগ্রামে আমার ছোটবেলা কেটেছে নানুর বাড়িতে। চট্টগ্রাম হলো সুফি আর অলি-আউলিয়াদের পবিত্র ভূমি। বেরলভী মাওলানাদের জনপ্রিয়তা বেশি এখানে। ওয়াহাবি কিংবা সালাফিদের কালচার যখন আমি চট্টগ্রামে ছিলাম তেমন চোখে পড়েনি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×