'মুরাদ টাকলা' তো বিরাট জনপ্রিয়। রবীন্দ্রনাথের পর মুরাদ টাকলার প্রচলিত বাংলা-ই সবচে জনপ্রিয় যাইহোক, সেইটা বিষয় না। বিষয় হচ্ছে 'মুরাদ টাকলা' নামটা কেমনে আসছে জানেন? কোন এক ভদ্রলোক কোন একদিন ফেইসবুকে একটা পাবলিক প্রোফাইলে আরেকজনের সাথে অনলাইন বাকযুদ্ধে মেতে ওঠে এবং বিতর্কের একপর্যায়ে বলে ওঠে "মুরোদ থাকলে এইটা কর ঐটা কর..."
কিন্তু সে তো আর তার ইটের মতন নোকিয়া ফোনে মায়াবী ইন্সটল করে বাংলা টাইপ করতে শেখেনি, তাই 'মুরোদ থাকলে'কে ইংরেজি বর্ণমালায় লিখলো "Murad takla...." সেই থেকে এই আজিবভাবে ইংরেজি বর্ণমালায় বাংলা লেখাকে কেউ মনে করে টাক মাথার মুরাদের আবিষ্কার।
দ্বিতীয় কথা সেদিন আমার এক বন্ধুর গাড়িতে বাসায় ফিরছি। সে পথে নেমেছে কি একটা কাজে। ড্রাইভার লাজুকভাবে তার মোবাইলটা আমাকে দিয়ে বললো স্যার মোবাইলে ইন্টারনেট অন করছি, কেমনে কি করব বুঝতেসিনা, একটু দেখায় দেন। ওই ফোন সেট দেখে বুঝলাম, ওটা থেকে যদি আমি ফেইসবুকিং শুরু করি তাহলে ভাষার গতিবিধি মুরাদ টাকলা হইতে বাধ্য।
ফেইসবুকের প্রথম ধাক্কা কেটে গেছে। মোটামুটি উচ্চশিক্ষিত, উচ্চবিত্ত থেকে এখন এটি নিম্নবিত্ত, অল্পশিক্ষিত মানুষজনের কাছে যাচ্ছে। তারা নানাভাবে এই তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধা নিচ্ছে তাদের নানাধরণের চাইনিজ সেটে। এই যে তথ্যপ্রযুক্তির বাতায়নের ছোঁয়ায় একদম সুবিধাবঞ্চিত শ্রেণীর মানুষেরাও ইন্টারনেটে আসছে, ফেইসবুকিং করছে তাতে করে তাদের ভাষাটা যদি মুরাদ টাকলা হয়ে গিয়ে থাকে তাতেও আমার আপত্তি নাই।
das ageia gacsa. manos ageia gacsa. umar balo lagsa. sobae balo tacban. agca ase. bia bia.
[দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। মানুষ এগিয়ে যাচ্ছে। আমার ভাল লাগছে। সবাই ভাল থাকবেন। আজকে আসি। বাই বাই]
শামীম আহমেদ
২ জুন ২০১৪
নিকেতন, ঢাকা।
https://www.facebook.com/shamimahmedjitu

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



