somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রসংগ: সুপ্রিমকোর্ট এর বিচারকরা যখন বিচারপতি

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সুপ্রিম কোর্ট এর বিচারক সম্পর্কিত এই পর‍্যন্ত চারটি আইন পেলাম।১ বাংলাদেশের সংবিধান,২ হাইকোরট রুলস, ১৯৭৩,৩ আপিল বিভাগ রুলস,১৯৮৮, ৪ Supreme Court Judges ( remuneration & previleges) Act, 1978. এই চারটি আইনের মধ্যে সংবিধান হল সবার উপরে। এই চারটি জায়গাতেই মাননীয় প্রধান বিচারপতিকেই শুধু বিচারপতি হিসাবে অভিহিত করা হয়েছে এবং সাথে সাথে আপিল বিভাগ ও হাইকোরট বিভাগের অন্যান্য বিচারকদের শুধুই বিচারক হিসাবে অভিহিত করা হয়েছে। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৪ থেকে ১১৩ পর‍্যন্ত সব জায়গাতেই প্রধান বিচারপতি কে বিচারপতি কিন্তু অন্যদের শুধুই বিচারক হিসাবে অভিহিত করা হয়েছে। এমনকি সংবিধানের ৩য় সিডিউলের ৬ নং কলামে উচ্চ আদালতের বিচারকদের যে শপথ বাক্য টুকু আছে তাতে শুধু প্রধান বিচারপতি, বিচারপতি হিসাবে শপথ নেন, বাকি জাজরা হাইকোরট বিভাগ এবং আপিল বিভাগ সহ একজন বিচারক হিসাবে শপথ নেন। হাইকোরট রুলস,১৯৭৩ এর রুলসে কোথাও বিচারকদেরকে বিচারপতি বলা হয়নি এমনকি আপিল বিভাগ রুলস, ১৯৮৮ এর রুলসেও বিচারকদের বিচারপতি বলা হয়নি। এমনকি ১৯৭৮ সালের বিচারপতিদের বেতন এবং সুযোগ সুবিধা সম্পর্কিত আইনেও প্রধান বিচারপতি ছাড়া বাকি জাজদের বিচারক হিসাবে অভিহিত করা হয়েছে।অধিকন্তু সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২ তে বিচারক বলতে সুপ্রিম কোর্ট এর উভয় বিভাগের বিচারকদের অভিহিত করা হয়েছে, হাইকোরট রুলস এর চ্যাপ্টার ১ এর রুল ৫(সি) তে জাজ এর সংগায় বলা হয়েছে জাজ বা বিচারক বলতে হাইকোরট বিভাগের জাজদের বুঝাবে, আপিল বিভাগ রুলস এর অর্ডার ১ এর রুল ৩(এইচ) এ জাজ বা বিচারক এর সংগায় আপিল বিভাগের বিচারকদের অভিহিত করা হয়েছে। তারপরও প্রধান বিচারপতি ভিন্ন উভয় বিভাগের অন্য বিচারকদের প্রতিনিয়তঈ বিচারপতি অভিহিত করা হয়, সুপ্রিম কোর্ট কত্রিক ছাপা হওয়া প্রতিদিনের কজলিস্টে অন্যান্য বিচারকদের বিচারপতি হিসাবে অভিহিত করা হয় কেন? হাইকোরট রুলসের শেষে Appendix এ কিছু ফরমের নমুনা দেয়া আছে সেইখানেও হাইকোরট বিভাগের বিচারকদের নামের আগে বিচারপতি শব্দটা লিখা হয়েছে, আমরা আপামর জনসাধারণও উচ্চ আদালতের বিচারকদের বিচারপতি হিসাবে অভিহিত করে থাকি। এই বিষয়টার জবাব আমি অন্তত এই আইন গুলুতে পাই নি। এর বাইরে কিছু থাকলে কেউ কি জানাবেন প্লীজ? আমি একদম টু দ্য পয়েন্ট জবাব চাই। কোন কাস্টম বা কনভেনশনাল বিষয় হলেও জানাতে পারেন। যদিও বিচারক এবং বিচারপতি এই দুই শব্দের মধ্যে শাব্দিক এবং ক্ষমতাগত কোন পার্থক্য নাই।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৯
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আ-তে আনন্দবাজার, আ-তে আওয়ামী লীগ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৫


ইন্টারনেটে খবর পড়তে পড়তে হঠাৎ একটা শিরোনাম সামনে এলো। পড়েই কয়েক সেকেন্ডের জন্য মনে হলো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বুঝি বিশাল কোনো ঘটনা ঘটে গেছে। শিরোনাম, “আধ পয়সা বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০১৮ সালের পর ঢাকাতেই ৪টা এক্সপ্রেসওয়ে

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৫৩



একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪



শরতের সকাল! সকাল ৮ টা।
ভাদ্র মাস। ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাস। ২০২৬ সাল। ঘটনাটা কি হয়েছে, আমি বলি। মোটামোটি ভয়াবহ ঘটনা বলা যেতে পারে! যে কোনো সময় রোদ উঠবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বর্তমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: দায় কার?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭


সংক্ষিপ্ত রায় সবচেয়ে বড় দায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নীতির। এর মধ্যে ২০০৯–২০২৪ সময়কালের সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর দায় তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ওই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাপিত জীবন.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৭


১।মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে জুম্মার নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছে। ১২.৫০ এ আজান তারপর ১.১৫ দিকে জুম্মার নামাজের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ। আজানের কিছুক্ষণ পর খুতবা শুরু তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×