# রৌদ্র শালিক #
---------দ্বীপ সরকার
এক.
ঠিক দুপুরে পাথারের আইল ধরে হাঁটছিলাম।
মাথার কাছে এক রৌদ্র শালিক ভনভনিয়ে চলছে,
চলেছে ক্লান্ত চিরে,তিল ঠাঁই নাই বুঝি তার কোন।
জমির আইল ধরে কে চলেছে নেচে নেচে
ধান সিঁড়িটির বাঁকে,ঘরের টুঁইয়ে অমন করে
সটান হয়ে শুয়ে চৌচির হচ্ছে -কোন নরক?
বেহায়া ছড়াচ্ছে ন্যাংটা এক রোদ
দুই.
এই তো জৈষ্ঠ্য মাসে কুলি ব্যঙ্গের ছাতা
মাশরুম হয়ে ফিরলো দেশে-জনকল্যানে
মিশে দিলো ছায়া নিসর্গ। টই টুম্বর অথৈ রোদ,
পানকৌড়ির ডানায় চরে ঘোরে আর ফেরে
তিন.
জৈষ্ঠ্য মাসে রোদ পোড়া শহর
মেশিনারীজ হয়ে ওঠে থেকে থেকে।
বিল্ডিং ছুঁয়ে রৌদ্র মিছিল হন্ত দন্ত ব্যস্ত দুপুর।
খরায় পুড়ি,খড়ায় জন্মি। খড়ায় শ্বশ্মান হয় পৃথিবী।
এই খরাতেই গলে গলে পড়ছে শহরের নিছক আয়ু।
আমি তুমি কেউই নিছক নয় -আট প্রৌঢ়ে সূর্য শাবক
ভেজে ওঠে প্রকাশ্যে লোকালয়ে
পরোটার মতো ঝলসে ঝলসে।
চার.
ঠিক দুপুরে ঘর্মাক্ত কবির ঠুনকো ছাতা
আটকে গেছে রৌদ্র শালিকের লেজে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




