
নীলিতারা
জানালা খুললেই
বাতাসের প্লেনে উড়ে আসে হিমযাত্রী
আমার লোমকূপের রাস্তা ধরে বরফের ঘোড়া দৌড়োয়
ঘোড়ার পায়ের শব্দে আমার ঘুম ভাঙ্গে
আমাদের এখানে পৌষের ভোর নামে——
ফুটপাথের ছায়াগুলো যেনো খবরের কাগজের ছাপা অক্ষর,
কালো কালো অক্ষরগুলো হকারের কণ্ঠে চড়ে দৌড়োচ্ছে——
পৃথিবীর সংবাদগুলো সুন্দরী রমণীর হাসি হয়ে যেই
চায়ের কাপে এসে ধুঁয়ো হয়
আমরা তা চা’য়ের লিকার বানিয়ে খাচ্ছি
পৌষ বিকেলে আমরা ছাদে উঠি——
হিম হিম কুয়াশা
গ্রামের উঠতি বয়েসী বালিকারা খোঁপায় পিন্দেছে নিওরের বেণি
বেণির বাহাদুারিতে ভরকে যাচ্ছে গোধূলি
এরপর আস্তে আস্তে, রাত্রী নামতে শুরু করে
বাঁকা চাঁদ, সাদা দস্তানায় চড়ে এদেশ থেকে ওদেশে যায়
কী সুন্দর করে কথা কয় বাঁকা চাদ আর মেঘ——
বাঁকা চাঁদ আর মেঘের ভাষা বুঝেছিলো নীলিতারা
আমার বাড়ির সাথেই ওদের বাড়ি
তারাও এখন বরফের ভাষায় কথা কয়,হাসে
রাগি প্রেমিক বরফের মতোন ঠান্ডা হয়ে যায়,মহুর্তে
পৌষ আসলে নীলিতারা পাখি হয়ে যায়
প্রতিদিন ভোরে,খেজুরে রসে চুমু জমা রাখে——
তারপর আকাশের নীল দিগন্তে হারিয়ে যায়
সকালে রস বিক্রেতা হাঁক ছাড়ে ‘এই রস নিবি, রস’
আমি তখন আশি টাকা দরে এক কেজি রস কিনে নেই

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

