
বিশ্বের যে কোন দেশের ইউনিভার্সিটিতে একজন ভিসিকে নিয়োগ দেয়া হয় শিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক মান উন্নয়নের অভিজ্ঞতা, দীর্ঘমেয়াদি কৌশল ও পরিবর্তন পরিচালনার সক্ষমতা , বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্কে দক্ষতা, বাজেট, সম্পদ ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে দক্ষতা , শিক্ষক, গবেষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা , স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও academic freedom-এর প্রতি অঙ্গীকার ইত্যাদির উপড় ভিত্তি করে।
২০২৬ সালের ২৭ জুলাই চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)- উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। আগে থেকেই চুয়েটে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন অধ্যাপক সায়েম। উপাচার্য হয়ে অল্পদিনেই শিক্ষক-শিক্ষার্থী থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রায় সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছিলেন। ৩০শে অগাস্ট দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম এঁর সাক্ষাৎকার যেখানে তিনি ব্যক্ত করেছিলেন এই বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে তার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা। সেই সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হবার পরপরেই মুলত বিদায় ঘন্টা বেজে যায় তার ক্যরিয়ারে। এই সুযোগ্য ব্যক্তি ভিসি হলেতো পালটে যাবে ইউনিভার্সিটির চেহারা। তা কি এই দেশে হতে দেয়া যায় ? এই দেশেতো রাস্ট্রের গুরুত্বপুর্ন সব পদ পাবার মুল যোগ্যতা হচ্ছে এই দেশের দুই বিশিষ্ট পরিবারের চাটুকারিতা!! আর তাই চাকুরির মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় ডক্টর সায়েমকে বিদায় করে বিএনপি তাদের পছন্দনীয় ঢাবির চা চপ মার্কা এক ভিসিকে নিয়োগ দিয়েছে !!

চুয়েটের ছাত্রদের প্রতি শুভকামনা রইল। আশা করি তারা তাদের দাবী পুরন না করে ক্লাসে ফিরবে না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

