
মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর বিভিন্ন আলোড়ন সৃষ্টিকারী পদক্ষেপে যখন মিডিয়া জগৎ সয়লাব এমনি সময় হটাৎ করেই ইউ টিউবে একটা ভিডিও চোখে পড়লো। ২ মিনিটের এ ভিডিওটা সেলফ এক্সপ্লানেটোরি , অর্থাৎ দেখলে যে কারো বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কোনো কারণ নেই। ঝিনাইদহে একজন মাদ্রাসা শিক্ষক সকালে মাদ্রাসায় পড়ান, বেতন নেই, তাই বিকেলে স্থানীয় বাজারে সবজি বিক্রি করে সংসার চালান।
এই লিংকে দেখুন,
https://www.youtube.com/watch?v=tfRXx7NXf-Y
গ্রামাঞ্চলে বেসরকারি অনেক স্কুলের শিক্ষকদের অবস্থা এর থেকে খুব একটা ভিন্ন না। অপর্যাপ্ত এবং অনিয়মিত বেতন উনাদেরও জীবনে নিত্যসঙ্গী।
কায়ীক পরিশ্রমে লজ্জার কিছু নেই। সবজি বিক্রি করাও কোনো গর্হিত বা অসম্মানজনক কাজ মোটেও না। তবে আমাদের আর্থ-সামাজিক পরিবেশ এবং মূল্যবোধের বিবেচনায় পেটের দায়ে একজন শিক্ষক এ ধরনের কাজ করতে বাধ্য হলে যে কারোরই চোখে লাগে। সম্ভবত সেই কারণেই এ ভিডিওটা ইউ টিউবে স্থান পেয়েছে।
এর আগে একটা লেখায় মেধাবী ছাত্রদের শিক্ষক হিসাবে যোগদানে আকৃষ্ট করতে শিক্ষকদের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি আবশ্যক বলেছিলাম। প্রতিটি স্কুলে অন্তত নিয়মিত বেতন পাওয়ার ব্যবস্থা করা আরো বেশি জরুরি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


