".........তো যা বলছিলাম , তোদের কাছে তো আবার সত্য ঘটনা বলেও শান্তি নেই, ক খন বলে বসবি মিথ্যা.........যাই হোক , যেখানে ছিলাম ,আমি আর আমার সাহেব মানে সেই ইংরেজ সাহেবটা আর কি......গভীর জংগলে হাটছি আর হাটছি.....আর বুঝিসই তো , আফ্রিকার জংগল কত ঘন আর দুর্গম.....হাতের বড় চাকুটা দিয়ে সামনের গাছপালা ঝোপঝাড় সাফ করছি........আর তেমনই মশা......উফ!.... একেকটা কামড় যেন এখনও মুখে লেগে আছে.........যাই হোক, পথ আর শেষ হয় না.......যেদিকে তাকাই শুধু জংগল আর জংগল.......শেষ পর্যন্ত কি এই বিদেশ বিভূইয়ে এসে পৈত্রিক প্রাণটা খোয়াব?........ওদিকে সাহেবের হাতে বন্দুক থাকলেও আমার সম্বল এই চাকুই.........আরও কিছুদূর এগুনোর পর মনে হল , আমরা সত্যি সত্যিই পথ হারিয়েছি..........অনেকক্ষন ধরেই আশেপাশে কিছু খসখস আওয়াজ পাচ্ছিলাম...আমলে দিইনি, এখন মনে হচ্ছে, দেওয়া দরকার.......সায়েবের মুখের দিকে তাকিয়ে দেখি, দুশ্চিন্তায় চিমশা মেরে গেছে........একটা শব্দ পেয়ে সামনে তাকালাম , সামনের ঝোপটা নড়ছে.........হঠাৎ সামনে একটা হলুদ ঝলক.........সাহেবের আর্তচিৎকার.......কিছু বুঝে ওঠার আগেই দেখি সাহেব আর বিশাল একটা বাঘ..........সাহেবের ওপর চড়ে বসেছে........কি করবো মাথায় কিছু খেলছিল না , হঠাৎ নজর পড়লো সাহেবের বন্দুকটার ওপর, গড়াগড়িতে সাহেবের হাত থেকে ছিটকে পড়ে গেছে.......তুলে নিলাম .........কিন্তু একি........বাঘটা এদিকে আসছে কেন?..........কি আর বলবো, ওর নজর সাহেব থেকে এখন আমার দিকে......।এইমাত্র ফিরল আমার দিকে.......মাথায় কিছু বুদ্ধি নিশ্চয়ই ছিল, তা না হলে ঠিক সেই সময়ে বন্দুক বাঘের দিকে তাক করলাম কি করে?...........বাঘও দিল দৌড় , আমিও 'ফায়ার'!..........মাঝপথেই বাঘ শেষ!........আর তার ফলেই তোদের মামা আজ এইখানে............হয়েছে অনেক গল্প , এখন যা তো , কড়া করে এককাপ চা নিয়ে আয়............
ভাগনী বললো..চা হয়তো খাওয়াবো.....কিন্তু যে গুল তুমি ছাড়লে , তার কি হবে?.................
.............ব্লগারবন্দ, বলতে হবে , ভাগনী কি করে বুঝলো, এটি পুরোপুরিই গুল?ৃ
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



