somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নক্সাবন্দী চিন্তা: প্রথম খসড়া

১৪ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

েকাড এর বাংলা কি হতে পাের? সংকেত?
একদম ঠিকঠাক না হলেও কাছাকাছি তো বটেই। যদিও কোড' র সেই রহস‍্যময়তা এই শব্দে অাসে না, তাতে কিছু যায় অাসে না। অামাদের জীবনটা, পৃথিবীর ঘুরে চলা, গাছের পাতার বাহার- সব কিছুতেই নক্সার অাভাস, সব কিছুতেই কোড। অার ভার্চুয়াল দুনিয়াটা তো হয়ে গেছে ব‍্যবহারকারীর নাম অার গোপন সংকেতের সমাহার। কখনো কখনো সেসবের নক্সা খঁুজে পাওয়াতেই সাধারণ জ্ঞান অার কখনো নক্সা বেশি বেশি খঁুজে পাওয়ার মধে‍্য বাতিকগ্রস্ততার লক্ষণ।

চলতি সাল- ২০১২
২+০+১+২ = ৫
অাবার
২০ + ১২ = ৩২ = ৩ +২ = ৫

যে কোন বছরই ধরা হোক না কেন, ফলাফলের ধঁাচটা একই। সব সংখ‍্যা অালাদা করে যোগ করলে যে সংখ‍্যা, দুটো দুটো করে যোগ করে এগুলেও সেই একই সংখ‍্যা। এর কি অাসলেই কোন মানে অাছে? সংখ‍্যাতত্ববিদরা মনে করেন, অাছে। তার থেকে ডালপালা গজিয়ে সংখ‍্যার শুভাশুভ পর্যন্ত গিয়ে দঁাড়ায়। নােমর জন্মতারিখ দিয়ে এক জীবনের গতি প্রকৃতি ির্নধারণে লেগে পড়ে অনেকে। সেটা ঠিক কি ভুল, ভিন্ন প্রশ্ন, কিন্তু যেটা লক্ষণীয়- একটা প্যাটর্াণ বের করার চেষ্টা। পরপর কয়েক বছরের প্রশ্নপত্র নিয়ে ছাত্রদের এবছরের প্রশ্নের ধারণা তৈরির চেষ্টা ঐ প্রবনতার অতি পরিচিত উদাহরণ।

সংজ্ঞা বিচারে কোড হল ভিন্ন চেহারায় তথ্যকে লুকিয়ে রাখা। বিজ্ঞান বলছে সে প্রকৃতির কোড ভেঙ্গে তথ্য বের করছে এবং অার অারো একটু এগিয়ে বিজ্ঞানের চশমা কাজে লাগিয়ে সমাজেরও নানান পেছনে থাকা তথ্যকে সামনে তুলে অানছে। মগজের ভেতরে চলা ৈবদ্যুতিক সংকেত তৈরি করে দিচ্ছে অামাদের চিন্তা অার তাতেই যত গোলমাল। কেবল 'কেন' অার 'কেন'। তো কেন সেই মগজের কোডটাকেই অামরা প্রথমে ধরছি না? যদি ঐ কোডটা ঠিকঠাক ভাঙ্গা যায়, তাতেই জীবন কত সহজ হয়ে যায়!

কোন মন্ত্রীকে একটা হ্যালমেটের মত যন্ত্র পরানো হত। মনিটরে ভেসে উঠত তার সমস্ত চিন্তার প্যাটর্াণ। ফলে অার কোন জেরা জেরি, অার কোন নতুন নাটক দেখার প্রয়োজন হত না। দরকার পড়ত না রাস্তায় রাস্তায় লাশ পড়ে থাকার পরে দিনের পর দিন একই ভাষায় প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে তর্কাতর্কির!

কল্পবিজ্ঞানের অালোচনা থাক।
অামাদের ভেতরকার চিন্তার নক্সাটা ৈবদ্যুতিক, সেই অর্থে যান্ত্রিক। কিন্তু তার প্রকাশটা অর্থবোধক। কারণ হল ভাষা। কিন্তু অাবার ভাষাটাও অাবার কোড, ভিন্ন ধরণের কোড। অামরা এক একটা অনুভূতির একেক রকম নাম দিয়েছি, নিজেদের ৈতরি করা হরফ অার ধ্বণি দিয়ে সেই অনুভূতিকে অারেকজনের কাছে প্রকাশ করছি। বহুদিনের অভ্যাসে এই সব কোড এখন সর্বজনীন। 'অাম' বললে বাংলা অঞ্চলে বসবাসকারী প্রায় প্রতিটি মানুষের চোখে একই ছবি ভেসে ওঠে।

না, কথাটা পুরোপুরি ঠিক হল না।
অাম বললে ঠাকুরগঁা অঞ্চলের মানুষ হয়ত 'সূর্যাপুরি'র অাকৃতি দেখবে কিন্তু চট্টগ্রামের মানুষ অতটা ছোট মিষ্টি অামের কথা ভাববে না। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বলে একটা নতুন ব্যাপার তখন সামনে চলে অাসে। সর্বজনীন কোন জিনিস সবার চোখে অাবার একই রকম নয়। তাই নীতি, নৈতিকতা, অাইন, সমাজ- এই সবের ধারণাও ভিন্ন ভিন্ন হয়। কিন্তু সামাজিক মানুষের এতটা ৈবচিত্র্য পালনের সুযোগ নেই। তাকে কিছু সাধারণ নীতিমালা তৈরি করতে হয়, সেটা অাবার সবাইকে একইভাবে মেনে চলার অঙ্গীকার করতে হয়। অাশ্চর্য হল, সামাজিক পালনীয় রীতিনীতিকে অাবার ইংরেজিতে 'কোড অব কন্ডাক্ট' বলে; অাবার সেই 'েকাড'- তবে এর ব্যবহার ভিন্ন।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:২৬
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×