হস্ত মুঠিতে কফোটা মেঘ লইয়া হন্তদন্ত হইয়া একদল রৌদ্র সমুদ্র পাড়ে আসিয়া থমকাইয়া দাড়াইলো! সেকি! মেঘগুলোকে দোষারোপ করিয়া কি হইবে, সমুদ্রের জল যে তলানিতে ঠেকিয়াছে, মেঘে কি রুপে আর জল থাকিবে বল!
লম্বাটে দোহারা গড়নের একটি রৌদ্র সমুদ্র পানে কিছুক্ষন ভ্রু কুঁচকে তাকাইয়া কহিল - তাহাতেই মেঘের দায়মুক্তি ঘটিবে কি? জল আনিয়া বক্ষে রাখিবে এহা মেঘেরই দায়িত্ব, জলহীন মেঘ আকাশপানে দেখিলে আমি আছড়াইয়া মারিব, কোথা হইতে জল আসিবে উহা ভাবিবার বিষয় তাহাদের, আমার নহে।
ছোটখাট একখানি মেঘ হস্তাঙ্গুলির ভেতর হইতে উঁকি মারিয়া কহিল - জল লাগিবে কেন হে যুবক, আমি তোমাকে গল্পে ভিজাইয়া রাখিব, রৌদ্ররা ক্ষেপিয়া কহিল - গল্পে কি রুপে ভিজিবেরে বেকুব, তামাশা করিবার হিম্মত করিলি যে!
মেঘের চোয়ালে হাসির রেখা স্পষ্ট, আত্নবিশ্বাসী গলায় কহিল - লক্ষ কোটি বছর ধরিয়া মানুষের কষ্টের গল্পগুলো আমি জমাইয়া রাখিয়াছি, মানুষ এ বক্ষেই তাহাদের কষ্টগুলো লুকাইয়া রাখিয়া আসিতেছে, তোমাদের মত ঝলমলে রৌদ্ররাও জল হইয়া ঝরিবে সে গল্পের বর্ণনা কর্নকুহরে প্রবেশ করিলে।
কেহ বিশ্বাস করিল, আবার কোন কোন রোদ করিল না। রোদ সমাজ মেঘের গল্প শুনিতে বসিবে সহসা, কবে বসিবে উহা নির্দিষ্ট করিয়া কেহ লিখিয়া রাখিল না।
আমিও গল্প শুনিব রোদদের সহিত। নিজেকে ভিজাইবো একবার দুবার হয়তোবা বহুবার। কতজল যে আমার মাঝেও জমিয়াছে উহা আজো ঠাওর করিয়া উঠিতে পারিলাম কই।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



