উদ্দেশ্যহীন আনমনে দীপ্রহর, উন্মুক্ত মাঠ,
অবিরাম ঝরছে মেঘ ভাঙা বর্ষন। ক্লান্তিহীন।
দুজোড়া পায়ের নিচে সবুজ দূর্বাদের ঘুম ভেঙে উঠা, আর চারপদের সামনে এগিয়ে যাওয়া। এপাশের জনের দক্ষিন
হস্ত আর ওপাশের উত্তর হস্তের অঙ্গুলী পঞ্চযুগলের মিলন।
ডুকরে গগন কান্নার বেগ বেড়ে দ্বীগুন।
বৃষ্টির সুরে মনের সুর মিশে একাকার, চোখে চোখ না রেখেই
স্পষ্ট প্রতিটি অনুভুতি। শিহরিত হয়ে আছড়ে পড়া অনুভুতির
ঢেউগুলোও কেমন শান্ত, অবিচল।আমরাও। বৃষ্টিময় পৃথিবীর জন্ম হলেই
হয়তো ঢের ভাল হত। এমন অনুভুতির নামই হয়তো ভালবাসা?
''হতে পারে, আমি নিশ্চিত নই।''
আরেকটু এগুতেই থমকে দাড়াবার যোগাড়! ভুলে গেছি!
একেবারেই! অতিত, ভবিষ্যত কিংবা সদ্য অতিত।
সবকিছু বর্তমানে মিলেমিশে একাকার, তোমার কম্পিত শিহোরনের
প্রতি স্পন্ধনও পড়তে পারছি আমি। ফিরিয়ে নাও তোমারটা, এ যে
আমারো! এ জন্মেই কি
ঘটবে এসব?
''উহু জনমটা ভিন্ন, পরের জন্ম, তার পরের
কিংবা তার পরের।'' আচ্ছা পুর্বজন্ম ফিরে আসছে নাতো?
''হতে পারে, আমি নিশ্চিত নই।''
বর্ষাসিক্ত হবার সুবিধে বটে, অশ্রু সিক্ততা বুঝে উঠা
দায়। ধুয়ে যায়। সেজন্যই হয়তো বৃষ্টির পড়া!
'হতে পারে, আমি নিশ্চিত নই।'
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



