যু্দ্ধ অপরাধীর বিচারের রায় ঘোষনা এবং হরতাল এই দুইটা যেন এখন ওতোপ্রতোভাবে জরিত। আমার খুব অদ্ভুত লাগে একটা স্বাধীণ দেশে যুদ্ধাপরাধের মত বিষয়ে বিচার করতে ৪০ বছরের উপর লাগে এবং বিচার হলে তাও আবার এর বিরুদ্ধে এ দেশেরই মানুষ শুধূ প্রতিরোধ না শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলে !!!!!!! দ্বীতিয় বিশ্ব যুদ্ধের নাৎসী বাহিনীর দারা গন হত্যার বিচার যে কজনেরই হয়েছে জামানির্র্ একটা লোকও তার প্রতিবাদ করেছে বলে অন্তত আমার জানা নাই । সেটা করেনি সভ্যতার কারনে। যুদ্ধাপরাধ মানব সভ্যতা পরিপন্থি। কাজেই যে বা যারা এই বিষয়টার সংগে যুক্ত থাকবে আপনি সভ্য সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে তার বিরুদ্ধে থাকবেন এটাই স্বাভাবিক । আমাদের দেশের আরো অসংখ্য অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটার মতো এর বিরুদ্ধেও আমার দেশেরই মানুষ কাতার দিয়ে দারিয়ে যায়, গাড়ি পোরায়, আবার করে মানুষ মারে। তাও যদি যাদের বিচার হয়েছে বা হচ্ছে তাদের নিয়ে নূন্যতম কোন সন্দেহ থাকত যে এরা বোধয় এই অপরাধের সাথে যুক্ত ছিলো না একটা কথা হতে পারত। কিন্তু গোলাম আজম, সাইদী, নিজামী এই নামগুলো আমি জানি সেই জ্ঞান হওয়ার পর থেকে আর আপনি যানেন না ? শুধু লিখিত দলিলই না রিতিমত ভিডিও ফুটেজও আছে অনেকের। এটা ঠিক পুরা প্রক্রিয়াটা নিয়ে জামাত বিএনপি যেমন মাঠ গরম করেছে, আওয়ামেলীগও তার আখের গুছিয়েছে। গনজাগরন মঞ্চ যে ভাবে জেগে উঠেছিলো, কোন ধরনের ব্যাক্তি নেতৃত্ব ছারা যে ভাবে দিনের পর দিন হাজার হাজার মানুষের সমাগম হয়েছে ( যারা ওখানে ছিলেন না তারা আমার কথা বিশ্বাস করবেন না ) ! তাতে করে শুধু জামাত কেন আন্দোলনের পক্ষে বিপক্ষে আরো অনেকেরই যে বুকে ভয়ের কাপন লেগেছিলো তা হলপ করে বলা যায় । সেই শতবছরের পুরোনো কনসপিরেসি থিউরি “ ডিভাইড এন্ড রুল ” মুহূর্র্তের মধ্যে জাগরন মঞ্চ ওরগানাইজার রা দুই ভাগ, অংশগ্রহনকারীরা দুই ভাগ, সারা দেশ সো কল দেশ বাচাও আর ধরর্ম বাচাও এই দুই শ্লোগান নিয়ে দুই ভাগ । একটু ভেবে দেখেনতো দিনের শেষে ফায়দা গেছে কোন ঝুড়িতে ? সেটাও দুই ভাগ হয়ে দুই ঝুড়িতে। এটা জরুরি না যে আপনাকে আমার মত করেই ভাবতে হবে, কিন্তু যা ন্যায়, যা ঠিক সেখানে কেন দ্বিমত হচ্ছে ? সঠিক যা তা একসাথে সঠিক নাই ভাবতে পারি, একটু আগে পরে হতে পারে কিন্তু কাছাকাছিতো হবে। একদম আমি যখন উত্তর আমারই ভাই অথবা বোন তখন দক্ষিন ভাবে অথচ আমরা এক পরিবারেই মানুষ? এ কেমন করে সম্ভব হয় ? যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হওয়ার পর থেকে আমি শুধু এইটাই ভেবেছি। যারা পক্ষে দারয়েছিলেণ তাদের চেয়ে অনেক বেশী কথা বলেছি যারা বিরোধীতা করেন । একজন মানুষকে একই বিষয়ে কখন আপনি আপনার পক্ষে পাবেন বলুনতো ? যখন সে আপনার মত করে ভাববে । কখন আপনার মত করে ভাববে ? যখন সে নিজের মত করে ভাবতে শিখবে না, অন্যের ভাবনাকে চিন্তাকে বিশ্লেষন করতে পারবে না। কাউকে যদি স্বাধীন চিন্তুক করতে না পারেন তাহলে তার চিন্তাকে মেনুপুলেট করে আপনি অনেক কিছুই কারতে পারেন । আমার দেশে কেন শুধু দুটো দলই রাজ করে? খুব সাধারন, আমার দেশের মানুষ এর বাইরে যে আর কিছু হয় বা হতে পারে তাই তো ভাবতে শিখেনি ! কেন ? বিশ্বাস করেন আর নাই করেন আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থা খুব যন্ত করে মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতাকে আস্তে আস্তে ভোতা করতে করতে প্রায় নাই এর পযার্য় ফেলে দেয়। বিষয়টা কিন্তু এমন না যে শুধু মাদ্রাসা পরুয়া ছেলেরা এই বিচারের বিরোধীতা করছে, আমার নিজের ডিপার্মেন্ট পরিসংখ্যানের মতো সাবেজেক্টে অল ফাস্ট ক্লাস পাওয়া একজন, ব্যাংকে বড় চাকরি করে, শাহবাগের আন্দলনকারী মেয়েদের পতিতা বলতে দেখেছি । এরকম শুধু একজন না আরো অসংখ্য আছে যারা কোন স্বার্থের্ জন্য এমন করে ভাবেন না । এই ভাবনাটা তার কাছে সঠিক মনে হয় তাই এমন করে ভাবেন । এইটা এক ধরনের চিন্ত প্রক্রিয়া যেটা পুরোটাই কোন ব্যা্ক্তি, মহল বা আদর্র্শ দারা নিয়ন্ত্রিত। অথার্ত অন্য একজন আমার ভাবনা ভেবে দিয়ে বলছে এইটা করতে হবে কর আর আমিও বুদ্ধি প্রতিবন্ধির মতো তাই করছি। কারন আমার মস্তিষ্কতো জানেই না কেমন করে ভাবতে হয়। আমিতো শিখিইন কেমন করে যুক্তি করে সঠিক জিনিষ বের করে আনতে হয়, কেমন করে বিশ্লেষন করতে হয় সত্যি কি তা বোঝার জন্য। মষ্তিষ্কের যে কোষগুলো বিশ্লেষনের জন্য ব্যাবহৃত হয় ছোট বেলা থেকে অব্যাবহৃত হতে হতে সেটাতো অকেজ হয়ে গেছে । আর সেই সুযোগটা নিয়ে সুবিধাবাদী জোচ্চররা যেমন রাজত্ব করে বেরায় তেমনি ফরহাদ মাঝহার এবং তার গং দের মতো একদল আপাত অর্র্থে স্বাধীন কিন্তু অসৎ চিন্তুকও সমাজে চিন্তার বিষ্ঠা ছরিয়ে বেরায়।
কেন তারা যুদ্ধাপরাধীর বিচার চায় না ..........
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
অনেকটা পথ হেঁটে এসেছি

১৯৯৭ সাল।
আমি তখন ক্লাস নাইনে পড়ি।
স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মামুন ভাইয়ের একটা অডিও ক্যাসেটের দোকান ছিল। পাশেই মির্জা ভাইয়ের কনফেকশনারি। টিফিনের সময় ওখানে প্যাটিস খেতাম।
সেই সময় অডিও ক্যাসেটের... ...বাকিটুকু পড়ুন
দেশটাতো এখন রাজাকারদের....

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে বাদী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী (৮৭)। মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়ার প্রস্তুতি চলার সময় জামাতের... ...বাকিটুকু পড়ুন
মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা
এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু... ...বাকিটুকু পড়ুন
ঝর্ণা জল

আমি ব্যস্তবতা দেখি
পানকৌড়ির সাঁতার-
কল্পনায় শুধু স্বপ্ন আঁকি,
মধ্যবিকাল ঢেউ তোলা সাগর
হতাশা ডিঙিয়ে যায়- নিরিবিলি
রাত দুপুরের বাসর।
উড়ে ধোয়া, নিঃশ্বাসে সাদা বক,
খেলা করে যে, প্রণয়ের চক-
নীল মেঘ ভীর জমায়, বর্ষা কাঁদাময়,
ভোরের ক্লান্তি দেখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
জিম করা কি হারাম?

জিম করা কি হারাম?
হ্যাঁ, জিম করা হারাম!
যদি জিমে গিয়ে নিজের পেশিবহুল বাহুডোরে কোনো ললনাকে জড়িয়ে ধরেন!
কিন্তু তারপরেও কথা থাকে।
এখানে জড়িয়ে ধরাটা হারাম। জিম করাটা নয়!
অর্থাৎ, জিমে গিয়ে শরীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।