somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিষাক্ত মারকারি যুক্ত কলেরা টিকার গিনিপিগ মিরপুরবাসী!

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিনামূল্যে কলেরার ভ্যাকসিন বা টিকা খাওয়ানোর কথা বলে মিরপুরের ১ লক্ষ ৬৫ হাজার মানুষের উপর ভারতীয় কোম্পানি SHANTHA BIOTECHNICS এর তৈরী উচ্চমাত্রার ক্ষতিকর মারকারি বা পারদ যুক্ত কলেরা টিকা SHANCHOL এর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। কোম্পানির ওয়েবসাইটে দেয়া পরিচিতিতেই দেখা যায় এই ভ্যাকসিনে প্রিজারভেটিভ হিসেবে ক্ষতিকর THIOMERSAL (০.০২%) ব্যাবহার করা হয়েছে।


সূত্র: http://www.shanthabiotech.com/images/Shanchol PI 1of2.jpg

হায়দারাবাদে অবস্থিত SHANTHA BIOTECHNICS বহুজাতিক সানোফি এভেন্টিসের ভারতীয় সাবসিডিয়ারি কোম্পানি।
এর আগে ভারতের কলকাতায় টিকাটির তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে ২ বছর পর টিকাটির কার্যকারিতা’র হার পাওয়া যায় মাত্র ৬৭%।
(সূত্র: http://www.ivi.org/popup/files/ocv_article.pdf)

টিকাটি ভারতের ঔষধ সংস্থার অনুমোদন পেলেও হু’র কাছ থেকে এখনও বিশ্বব্যাপি ব্যবহারের অনুমোদন পায়নি। ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বরে হু’র কাছে প্রি-কোয়ালিফিকেশানের আবেদন জানানো হলেও এখনও সেটা অনুমোদিত অবস্থায় হু’র কাছে পরে আছে।
সূত্র: Click This Link

তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিকাল ট্রায়ালে স্বল্পায়ু ও স্বল্প সফল বলে প্রমাণিত হ্ওয়ার পরও বাংলাদেশের মানুষের উপর বড় আকারে এই ট্রায়ালটি করা হচ্ছে এবং বলা হচ্ছে এটা নাকি দিশারি প্রকল্প (পাইলট প্রজেক্ট) যদিও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে একে পাইলট প্রজেক্ট না বলে “ম্যাসিভ কলেরা ভ্যাকসিন ট্রায়াল” হিসেবেই উল্ল্যেখ করা হয়। সূত্র: (Bangladesh to hold massive cholera vaccine trial Click This Link) প্রথম আলোর রিপোর্ট অনুসারে এর আয়োজক হলো স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, আইসিডিডিআরবি ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশান। এবং অর্থায়ন করছে বিল এন্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশান। (সূত্র: প্রথম আলো, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১১) তাছাড়া টাইম ম্যাগাজিনের বরাত দিয়ে আমরা এর সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিডিসি’র যুক্ত থাকার খবর পাই।
(সূত্র: Click This Link)

এই THIOMERSAL (যেটা যুক্তরাষ্ট্রে এখন Thimerosal নামে পরিচিত) মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর একটি উপাদান যার প্রায় অর্ধেক অংশই হলো বিষাক্ত মারকারি (সূত্র: Thimerosal, also and formerly known as Thiomersal, is a compound that most often contains approximately 49% mercury (by weight) http://www.thimersol.com/)। মারকারি একটি ভয়ংকর নিউরোটক্সিন হিসেবে পরিচিত যা নির্ধারিত মাত্রার বেশি পরিমাণে শরীরে ঢুকলে মস্তিস্ক-কিডনি-ফুসফুসের স্থায়ী ক্ষতি হয়, নানান ধরণের নিউরোলজিক্যাল অসুখ হয়। তাছাড়া অটিজমের সাথে মার্কারির সম্পর্ক থাকার অভিযোগ আছে।

যে সিডিসি’র সহযোগীতায় বাংলাদেশে এই ট্রায়ালটি হচ্ছে সেই সিডিসি’র ওয়েবসাইটে উপাদানটি সম্পর্কে বলা হয়েছে:
There is no convincing evidence of harm caused by the low doses of thimerosal in vaccines, except for minor reactions like redness and swelling at the injection site. However, in July 1999, the Public Health Service agencies, the American Academy of Pediatrics, and vaccine manufacturers agreed that thimerosal should be reduced or eliminated in vaccines as a precautionary measure.
সূত্র: Click This Link

অর্থাৎ “ইনজেকশানের স্থানে সামান্য লাল দাগ হওয়া ও ফুলে যাওয়া ছাড়া থাইমারসাল এর ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে কোন গ্রহনযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবু, ১৯৯৯ সাল থেকে পাবলিক হেলথ সার্ভিস এজেন্সি, আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিকস এবং ভ্যাকসিন নির্মাতারা একমত হয়েছে যে সাবধানতা হিসেবে ভ্যাকসিন থেকে থাইমারসাল এর পরিমাণ কমানো বা একেবারে বাদ দেয়া উচিত।“

যে কারণে, যুক্তরাষ্ট্রের ঔষধ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা FDA এর ওয়েবসাইট অনুসারে, ১৯৯৯ এর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে কেবল মাত্র থায়োমারসাল মুক্ত টিকারই লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। সূত্র: all new vaccines licensed since 1999 are free of thimerosal as a preservative Click This Link
এছাড়া হু’র নির্দেশনাতেও মারকারি বিহীন প্রিজারভেটিভ ব্যাবহারের কথা বলা হয়েছে:

The need for a preservative in multidose presentations of an oral vaccine should be carefully evaluated and consideration given to the use of a non-mercury-based preservative should one be thought necessary.
সূত্র: WHO Expert Committee on Biological Standardization 52nd Report, page 137, 2004

যুক্তরাষ্ট্রের এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশান এজেন্সি ইপিএ’র মানদন্ড অনুযায়ী, প্রতি কেজি ওজনের জন্য মারকারির দৈনিক সহনীয় মাত্রা হলো ০.১ মাইক্রোগ্রাম।(সূত্র: According to the EPA, the maximum acceptable daily risk level is 0.1 mcg/kg http://www.drhansen.com/?p=374)

তাহলে, ১০ কেজি ওজনের শিশু থেকে শুরু করে ৭০ কেজি ওজনের পূর্ণ বয়স্ক মানুষের জন্য দৈনিক সহনীয় মাত্রা হলো ১ মাইক্রোগ্রাম থেকে শুরু করে ৭ মাইক্রোগ্রাম।
এখন, ০.০২% (w/v) এর থায়োমারসাল এর মানে হলো প্রতি ১০০ মিলি ভ্যাকসিনে থাইয়োমারসালের পরিমাণ ০.০২ গ্রাম= ০.০২x১০০০,০০০ মাইক্রোগ্রাম = ২০,০০০ মাইক্রোগ্রাম

সুতরাং ১ মিলি ভ্যাকসিনে থাইয়োমারসাল এর পরিমাণ ২০,০০০/১০০ মাইক্রোগ্রাম= ২০০ মাইক্রোগ্রাম

অর্থাত ১.৫ মিলি ভ্যাকসিনে থাইয়োমারসালের পরিমাণ ৩০০ মাইক্রোগ্রাম।

থাইয়োমারসালের ৪৯.৬% হলো মারকারি যা মানবদেহের জন্য বিষাক্ত।
এ হিসেবে ১.৫ মিলি ভ্যাকসিনে মারকারির পরিমাণ প্রায় ১৫০ মাইক্রোগ্রাম

তাহলে, দেখা যাচ্ছে, ০.০২% থায়োমারসেল যুক্ত কলেরা ভ্যাকসিনটিতে শিশুদের জন্য সহনীয় মাত্রার ১৫০ গুন এবং বড়দের ক্ষেত্রে সহনীয় মাত্রার চেয়ে ২১ গুণ বেশি মারকারী আছে!

কথিত দিশারী প্রকল্পের নামে বহুজাতিক কম্পানির মুনাফার জন্য তৈরী এই বিষাক্ত টিকা পরপর দুইবার খাওয়ানো হবে, প্রথমবার খাওয়ার ১৫ দিনপর দ্বিতীয়বার খাওয়ানো হবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই বিষাক্ত মারকারি যুক্ত মাত্র দুই বছর মেয়াদি ভ্যাকসিন দিয়ে লাভ কার হবে? পানি ও পয়:ব্যাবস্থা নষ্ট রেখে(যেটার সঠিক ব্যাবস্থাপনার মাধ্যমে প্রায় ১০০% কলেরা প্রতিরোধ করা সম্ভব, উন্নত দেশগুলোতে এভাবে কলেরা নির্মূল হয়েছে) মাত্র ৬৭% সাফল্যের এই ভ্যাকসিনের পেছনে প্রতি দুইবছর পরপর দেশের জনগণের কোটি কোটি টাকা খরচের কি যৌক্তিকতা থাকবে, ভ্যাকসিন কম্পানির মুনাফা ছাড়া?

মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশান কিংবা ঔষধ কোম্পানিগুলো এখন যে খরচ করছে সেইটা কোন উদার দান খয়রাত না... স্রেফ ব্যাবসায়িক বিনিয়োগ.. এই বিনিয়োগের বিনিময়ে ঔষধ কোম্পানির জুটবে ---

১) কোটি কোটি টাকার বান্ধা কাষ্টমার। কারণ ভ্যাকসিনটিকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় টিকা কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করা এই ট্রায়ালের অন্যতম লক্ষ্য। প্রথম আলো লিখেছে: “স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে এই দিশারি প্রকল্পটির(পাইলট প্রজেক্ট) কার্যকারীতা প্রমাণিত হলে সারাদেশে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচীর সংগে কলেরা টিকাকেও সম্পৃক্ত করা হবে।”

২) কোটি কোটি টাকার সিজনাল টুরিষ্ট কাষ্টমার। বস্তুত দুই বছর মেয়াদি ভ্যাকসিন ইউরোপ আমেরিকার টুরিষ্ট, যারা তৃতীয় বিশ্বের রোগ-জরা গ্রস্থ দেশে আসতে ভয় পায়, তাদের ছাড়া আর কারও কাজে লাগবে না। বর্তমানে যে ডুকরাল ভ্যাকসিনটি ব্যাবহ্রত হচ্ছে সেটির ট্রায়ালের সময়েও সস্তা এবং বাংলাদেশের মানুষের কাজে লাগার খোয়াব দেখানো হইছিল.. কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৬০/৭০ ডলার দামে ভ্যাকসিনটি টুরিষ্ট ড্রাগ হিসেবেই রয়ে গেল... তাছাড়া জনগণ যখন জানবে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা দুই বছরের মাথায় প্রতি ১০০ জনে মাত্র ৬৭ জনে নেমে আসে তখন এই ভ্যাকসিনের উপর কোন ভাবেই ভরসা রাখতে পারবে না..
অথচ উচ্চমাত্রায় বিষাক্ত মারকারি থাকার কথা আড়াল করে এবং কলকাতার ট্রায়ালের ফলাফল না জানিয়ে লক্ষ্য মানুষকে মিথ্যা আশা দিয়ে ডেকে আনা হচ্ছে এই বহুজাতিক ট্রায়াল সফল করতে যার লক্ষণ প্রথম আলোর রিপোর্ট থেকেই দেখা যাচ্ছে:

“টিকা কেন্দ্রে জামিলা বেগম নামের এক নারীর সঙ্গে কথা হয়। জামিলা জানান তিনি নিজে টিকা খেয়েছেন এবং তার মেয়ে ও ভাগনেকেও সঙ্গে করে এনেছেন টিকা খাওয়াতে। তাদের এলাকায় বিপুল সংখ্যক মানুষ ডায়রিয়ায় ভোগে। টিকা খেলে রোগের প্রকোপ কমবে এই আশায় পাড়া-প্রতিবেশী সবাই টিকা খাচ্ছে।”
সূত্র: প্রথম আলো, ১৮ ফেব্রুয়ারি , ২০১১

১৯৮৫-৮৬ সালে স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের আমলেও প্রায় ৯০ হাজার দরিদ্র বাংলাদেশী নাগরিককে কলেরার প্রকোপ কমার মিথ্যা আশা দিয়ে গিনিপিগ বানানো হয়েছিল। দরিদ্র মানুষের সস্তা শরীর ব্যাবহার করে করা ট্রায়ালে ডুকরাল ভ্যাকসিনটি ব্যাপক হারে ব্যাবহারের অনুপযোগী বলে বিবেচিত হয় কারণ এর সাফল্যের হার ছিল কম। প্রথম ছয় মাসে সাফল্যের হার গড়ে ৮৫% থাকলেও, এক বছর পর ৬৪%, দুই বছর পর ৫২% এবং তিন বছর পর কার্যকারিতার হার মাত্র ১৯% এ নেমে আসে।
সূত্র: Click This Link

বিশেষত শিশুদের উপর এর প্রতিক্রিয়া এমন ভয়ংকর ছিল যে, যেসব শিশু ভ্যাকসিন নিয়েছিল তাদের কলেরায় মৃত্যুর হার ভ্যাকসিন না নেয়া শিশুদের চেয়ে ছিল বেশি; দেখা যায় টিকা নেয়ার তৃতীয় বছর থেকে শিশুদের মধ্যে কলেরায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুকি স্বাভাবিকের চেয়ে বাড়তে থাকে। অবশ্য তাতে ভ্যাকসিন প্রস্তুত কারী সুইডেনের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানটির কিছু যায় আসেনি, ধনী দেশের পর্যটক আর সেনাদের জন্য স্বল্প মেয়াদে কার্যকর এই টিকা বিক্রি করে প্রতি বছর কোটি ডলার আয় করে দেশটি।

সূত্র: Racketeering in the World Health Organization's Cholera Vaccination Programme: Evil forces channel public funds into private pockets By Rashid Haider
Click This Link

আমরা ৮৫-৮৬ সালে চাদপুরের মতলববাসীকে গিনিপিগ বানানো ট্রায়ালের পুনরাবৃত্তি দেখতে চাইনা। তাই, অবিলম্বে, এই উচ্চমাত্রার বিষাক্ত মারকারি যুক্ত এবং ইতিমধ্যেই অকার্যকর বলে প্রমাণিত স্বল্প মেয়াদি কলেরা ভ্যাকসিনের ট্রায়াল বন্ধ করার দাবী করছি। মিরপুরবাসীকে আহবান, আপনারা ভারতীয়, মার্কিন ও বহুজাতিক ঔষধ কোম্পানির বাণিজ্যের স্বার্থে আয়োজিত এই ভয়ংকর, অপ্রয়োজনীয় ও ফালতু ট্রায়ালে অংশ নিবেন না, কলেরা/ডায়রিয়া প্রতিরোধের জন্য নিরাপদ পানি ও উন্নত পয়:নিষ্কাষণ ব্যাবস্থার দাবীতে আন্দোলন গড়ে তুলুন।

কৃতজ্ঞতা: সচলায়তনে যুধিষ্ঠির লিখিত “ভারতীয় ভ্যাকসিনের গিনিপিগ হলেন আড়াই লাখ মীরপুরবাসী?” ব্লগটি এখানে ব্যাবহ্রত অনেক তথ্যের উৎস। যুধিষ্ঠিরের চমৎকার লেখা এবং সচলায়তনে তার সূত্র ধরে চলমান তর্ক-বিতর্ক এই লেখাটির প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।
৫০টি মন্তব্য ১৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাড়ী ভাড়া বিষয়ক সাহায্য পোস্ট - সাময়িক, হেল্প/অ্যাডভাইজ নিয়েই ফুটে যাবো মতান্তরে ডিলিটাবো

লিখেছেন বিষন্ন পথিক, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:১৭

ফেসবুক নাই, তাই এখানে পোস্টাইতে হৈল, দয়া করে দাত শক্ত করে 'এটা ফেসবুক না' বৈলেন্না, খুব জরুরী সহায়তা প্রয়োজন।

মোদ্দা কথা...
আমার মায়ের নামে ঢাকায় একটা ফ্লাট আছে (রিং রোডের দিকে), ১৬০০... ...বাকিটুকু পড়ুন

সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন সন্ধ্যা আসে...

লিখেছেন পদ্ম পুকুর, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৪৫


জীবনানন্দ দাস লিখেছেন- সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন সন্ধ্যা আসে...। বনলতা সেন কবিতার অসাধারণ এই লাইনসহ শেষ প্যারাটা খুবই রোমান্টিক। বাংলা শিল্প-সাহিত্যের রোমান্টিসিজমে সন্ধ্যার আলাদা একটা যায়গাই রয়ে গেছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বৃত্তে বৃত্তান্ত (কবিতার বই)

লিখেছেন মোহাম্মাদ আব্দুলহাক, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:৫৯



দ্বিপদী
মিত্রাক্ষর

রসে রসে সরস কথা বলে রসের কারবারি,
তারতম্য না বুঝে তরতর করে সদা বাড়াবাড়ি।
————
রূপসি রূপাজীবা হলে বহুরূপী রূপোন্মত্ত হয়,
রূপকল্পের রূপ রূপায়ণে রূপিণী রূপান্তর হয়।
---------
পিপাসায় বুক ফাটলে পানির মূল্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাবার ঘরেও খেতে পাইনি, স্বামীর ঘরেও কিছু নেই!

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৪৪



"বাবার ঘরেও খেতে পাইনি, স্বামীর ঘরেও কিছু নেই!", এই কথাটি আমাকে বলেছিলেন আমাদের গ্রামের একজন নতুন বধু; ইহা আমার মনে অনেক কষ্ট দিয়েছিলো।

আমি তখন অষ্টম শ্রেণীত, গ্রাম্য এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

নতুন জীবন- সাত

লিখেছেন করুণাধারা, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:৫৭



আগের পর্ব: নতুন জীবন- ছয়

ইন্সপেক্টরের কপালে ভাঁজ পড়ল,
- না জানিয়ে খুব খারাপ করেছ। একে বলে বিকৃতি- গোপনে সহায়তা করা। এটা একটা অপরাধ; তুমি জানো না?
আমি মাথা নিচু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×