বিএনপির মির্জা আব্বাস অসুস্থ হবার পর কিছু বিএনপি সমর্থক এর দায় খুবই ন্যক্কারজনকভাবে নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর উপড় চাপাতে চাইছে !! অসুস্থ মির্জা আব্বাসের ছবি দিয়ে এরকম এক সমর্থক লিখেছেন যে, কারো বাজে আচরণে মানসিক চাপ ও নির্যাতনের ফলে কি ব্রেইন হ্যামারেজ হতে পারে, চিকিৎসা বিজ্ঞান কি বলে?
হ্যাঁ, কারো বাজে আচরণ, মানসিক নির্যাতন বা দীর্ঘদিনের তীব্র মানসিক চাপ সরাসরি ব্রেইন হ্যামারেজ ঘটায়—এমনটা সবসময় বলা যায় না। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, তীব্র মানসিক চাপ ব্রেইন হ্যামারেজের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ………… আইন বলছে: মানসিক নির্যাতন অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে, যদি তার ক্ষতিকর প্রভাব প্রমাণ করা যায়। সমাজবিজ্ঞান বলছে: এটি গুরুতর স্বাস্থ্য ও সামাজিক সমস্যা!!!!
Politicians are public servants and politicians are expected to accept criticism । আমেরিকা , কানাডায় তাদের মন্ত্রী, প্রেসিডেন্টদের নিয়ে ন্যশনাল টেলিভিশন বা মিডিয়ায় পর্যন্ত ডার্টি জোক করা হয় । সমালোচনা নেবার সাহস না থাকলেতো রাজনীতি করা উচিত না। ১৭ বছর এই দেশটায় বাকস্বাধীনতা বলতে কিছু ছিল না। বুদ্ধিজীবি নামধারী চাটূকারের দল নিজস্ব স্বার্থ হাসিলে দল ও রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে যে কোন বক্তব্য বা কর্মকান্ড বিভিন্ন ট্যগিং কালচারের মাধ্যমে দমন করে চলত। ১৪০০ + রক্তের বিনিময়ে ফ্যসিবাদ বিদায় নেবার পরে যদি ক্ষমতায় এসে বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবিরাও একই কায়দায় বাকস্বাধীনতা হরনের চেষ্টা চালায় , তবে এর চাইতে নিকৃষ্টতো আর কিছু হতে পারে না।

তবে বিএনপি সরকার এবং মির্জা আব্ববাসের পরিবারকে ধন্যবাদ চাটুকারদের চাটুকারীতার ফাঁদে পা না দিয়ে বিচক্ষন ভুমিকা রাখার জন্য।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



