হে মৃত্যুহীন কবি,
কোন এক কোমল রাতে
তোমার সাথে পায়ে পায়ে
চলতে চাই হাজার বছর।
তারপর তুমি
মিলিয়ে যাবে তারার মাঝে —
তখন আমি লিখবো
তোমার না-লেখা পঙ্ক্তিমালা
কোন এক পূর্ণিমাতে।
হয়তো প্রথম পঙ্ক্তি হবে —
"সে তোমাকে ভালোবাসতো।"
তারপর সমুদ্রের বাতাসে
উড়ে যাবে সে কাগজের টুকরো,
আলোর ঝর্ণায় স্নান করে
মৃত্যুর সাধ চলে যাবে আমার,
চিত্তের সব ভয় শূন্যে তুলে
আমি একলা চলতে থাকবো
আরো হাজার হাজার বছর।
দ্বিতীয় পঙ্ক্তিটা মাথায়
তখন ঘুরপাক খেতে থাকবে —
হয়তো,
"মদের পেয়ালার মতো ভালোবাসা,"
কিংবা,
"ধুলার আস্তরণ পড়েছে ধুলায়।"
আর কিছু মনে থাকবে না,
নিজেকে নিয়েই গাইতে থাকবো গান।
আর ওদিকে,
বন্য হুঙ্কারে প্রকৃতি দখল করবে
বনের পর বন,
নদীর পর নদী,
পাহাড়ের পর পাহাড়,
ধুলোর পর ধুলো।
এরপর লিখবো আমার তৃতীয় পঙ্ক্তি —
"তোমার তুলনা শুধু গ্রীষ্মের দুপুর।"
চলমান আঙুল লিখে যাবে,
"সব অন্ধকার ছুঁয়ে দিলেই
আর কখনো হারাবো না পথ,
বৈশাখের আমের মুকুল
ঝরাতে পারবে না বৈশাখী ঝড়।"
তখন লিখবো সেই চিরন্তন পঙ্ক্তি —
"সে তো মাকে ভালোবাসতো!"

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


