somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার পরিচয়

তোমার চোখের তারায় আমার হাজার মৃত্যু!

আমার পরিসংখ্যান

অতন্দ্র সাখাওয়াত
quote icon
তন্দ্রাকুমারী একটি কাল্পনিক চরিত্র যার সন্ধানে আছি নিশিদিন!!
আমার সকল পোস্ট (ক্রমানুসারে)

তুচ্ছতার কাছে

লিখেছেন অতন্দ্র সাখাওয়াত, ৩০ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:১৫

সবকিছুই চুম্বন পাবার যোগ্য,
এমনকি ঘৃণায় যা এড়িয়ে যাই।

বিরুদ্ধ বিপ্লব মনে হয় সবকিছু —
ঘরের দরজা, জানালা, পর্দা।

যারা বন্দি করে আমার চারদিক,
তাদের হাতেই তো মুক্তির বীজ।

একগুচ্ছ ফলবতী ঘাসের শীষ
এটম বোমার চেয়ে শক্তিশালী।

একটি ছোট্ট খেজুরের বীজে
সভ্যতার শ্বাস লুকিয়ে থাকে।

ঘাস কাটার সময় কাস্তে জাগে,
কাস্তের প্রেমে আমি জেগে উঠি।

ছাতার সর্দি হলে কেউ ভাবে না,
কিন্তু বৃষ্টি... বাকিটুকু পড়ুন

০ টি মন্তব্য      ১০ বার পঠিত     like!

ছিন্ন চিরকুট

লিখেছেন অতন্দ্র সাখাওয়াত, ৩০ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:১১


ছিন্ন চিরকুটে অস্পষ্ট অক্ষরে লেখা —
"একবারই আমরা ঘুমাই
শুধু একবার।
সেই একবারের আয়োজনে
জেগে রই সারাটা জীবন!"

চেনা কথাকেই মনে হলো
অচেনার পটভূমি।

একটু দূরেই দশটি ভোঁতা পেন্সিল।
ঘষে ঘষে যা মিহি করা হয়েছে,
তারপর ফেলে দেওয়া হয়েছে ডাস্টবিনে।
শুধু একটি চিরকুট লিখতেই
ফুরিয়ে গেল এতগুলো শীষ?

চোখ যায় স্তুপ স্তুপ
মোচড়ানো কাগজে।
আমি খুলতে থাকি সন্তর্পণে —
কোনোটাতেই কিছু লেখা নেই,
কিংবা হয়তো আছে।
আমার... বাকিটুকু পড়ুন

২ টি মন্তব্য      ২৫ বার পঠিত     like!

কবির বিরুদ্ধে কবি

লিখেছেন অতন্দ্র সাখাওয়াত, ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:১০

হে মৃত্যুহীন কবি,
কোন এক কোমল রাতে
তোমার সাথে পায়ে পায়ে
চলতে চাই হাজার বছর।
তারপর তুমি
মিলিয়ে যাবে তারার মাঝে —
তখন আমি লিখবো
তোমার না-লেখা পঙ্ক্তিমালা
কোন এক পূর্ণিমাতে।

হয়তো প্রথম পঙ্ক্তি হবে —
"সে তোমাকে ভালোবাসতো।"
তারপর সমুদ্রের বাতাসে
উড়ে যাবে সে কাগজের টুকরো,
আলোর ঝর্ণায় স্নান করে
মৃত্যুর সাধ চলে যাবে আমার,
চিত্তের সব ভয় শূন্যে তুলে
আমি একলা চলতে থাকবো
আরো হাজার... বাকিটুকু পড়ুন

৬ টি মন্তব্য      ৫২ বার পঠিত     like!

অপার্থিব সীমারেখা

লিখেছেন অতন্দ্র সাখাওয়াত, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৪৪

এই পৃথিবীতে আলো-অন্ধকার ছাড়াও
একটি জগৎ আছে—
তার সমুদ্রের তলদেশ থেকে বৃষ্টির ধারা
আকাশে গিয়ে ঝরে,
যেখানে মৃত ছাতার দল উড়ে চলে যায়
পৃথিবীর জন্মের দিকে।

​ঘুম-জাগরণের সংযোগস্থলে সেখানে গিয়ে
চুম্বকে ভেজা পাখি দেখি;
সেখানে বাতাসের ফুসফুসে ডুবে যেতে থাকে
উল্টো চলা ঘড়ির কাঁটা।
​যেখানে পৃথিবী একটি সবুজ তালার মতো
চাবিহীন দুলতে থাকে।

পুলিশ স্টেশনে ফুল আর কবিতার বইগুলো
আগুনে হাবুডুবু খায়।
​আয়নায় নিজের... বাকিটুকু পড়ুন

৪ টি মন্তব্য      ৪০ বার পঠিত     like!

হতাশা

লিখেছেন অতন্দ্র সাখাওয়াত, ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:৫৭

প্রশ্ন করছি বারবার আঘাতে আঘাত,
কিন্তু শুনি শুধু দাড় টানার প্রতিধ্বনি;
কে যায় কোথায় এ বৈশাখী সন্ধ্যায়?
স্যাটেলাইটে আসে ঝড়ের পূর্বাভাস।

আমি কি ঝরা পাতার মতো ফুরিয়েছি?
অগণিত সংযোগ তামার তারের মতো—
আমার দেহবিন্দুর প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে
সবকিছু ভারসাম্যে রাখার তাড়না।

কাঁদামাটির মতো কান্না-পাওয়া চোখ,
গরুগুলো দিনরাত খেয়ে যায় ঘাস—
যে গরুটা দিয়ে হবে আমার শেষকৃত্য,
তার সাথে কি নেই সংযোগ... বাকিটুকু পড়ুন

২ টি মন্তব্য      ৪০ বার পঠিত     like!

দিন আসে, দিন যায়

লিখেছেন অতন্দ্র সাখাওয়াত, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:২৩

দিন আসে, দিন যায় নিরবে নিভৃতে,
চোখের সামনে সবকিছু ভেঙে পড়ে।
কী আছে করার এই হিমেল শতাব্দীতে?
রাতে ঘুমের ঘোরে — ভাঙনের শব্দ শুনি
পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ স্থান থেকে,
যেখানে বস্তুহীন অন্তরীণ বেদনা
একাকীত্বের প্রেমে মগ্ন হয়ে আছে।

সবকিছু অসমাপ্ত রেখে ঘুমিয়ে পড়ি
এই নিষ্ঠুর এপ্রিলের পঁচিশ তারিখে।
আমি অনুভব করছি ভেতরের শূন্যতা —
অস্তিত্ব নেই, কিন্তু তার ছায়া দীর্ঘতর হয়।
স্মৃতির... বাকিটুকু পড়ুন

৬ টি মন্তব্য      ৩৯ বার পঠিত     like!

মৃত তরমুজের জাগরণ

লিখেছেন অতন্দ্র সাখাওয়াত, ২৪ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:৪৯

তরমুজ জেগে উঠছে,
তার বোঁটায় চৈত্রের দহন।
ভেতরে ফোঁটায় ফোঁটায় মধুর বিস্ফোরণ,
বাহিরে শুষ্ক ত্বকে ঝরে পড়ছে অকাল শ্রাবণ।
হৃদয়ে তার ছন্দের দ্বন্দ্ব ফুটছে,
দ্বন্দ্বের মাঝে মহাকালের অসীম স্পন্দন।
এক মহাকাশ থেকে অন্য মহাকাশে ছুটছে
উন্নত শিরে তার চিত্তের গর্জন।
যেন দুই দিকে যেতে চায় দুটি মন।
পাহাড় থেকে বয়ে যাবে মিষ্টি নদীর প্রস্রবণ,
সেই নদীতে এক সাঁকো ছিল —
চঞ্চল,... বাকিটুকু পড়ুন

৪ টি মন্তব্য      ৪৩ বার পঠিত     like!

লাইন

লিখেছেন অতন্দ্র সাখাওয়াত, ১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৩

জন্মেই দেখি কী বিশাল লাইনে দাঁড়ানো,
তার শেষেই দাঁড়াতে হয়েছে আমাকে।
অপেক্ষাতেই জীবন কাটে চিরদিন,
অপেক্ষাতেই মৃত্যুর বীজটা লুকানো।
কখনো অপেক্ষার শুরু নারী থেকে,
কখনো ডাক্তার, শিক্ষক বা উকিল —
লাইনের সামনে চলে আসার কী আগ্রহ!

কখনো থাকি লাইনের শুরুর দিকে,
নতুন বই শুরু করি বিপুল বিস্ময়ে।
কিন্তু শেষ লাইনে তো পৌঁছানো হয় না,
মানুষের বিস্ময় দ্রুত কেটে যায়।
পূর্বপুরুষের গোরস্তানের... বাকিটুকু পড়ুন

৪ টি মন্তব্য      ৩১ বার পঠিত     like!

না শোনা কথা (সনেট)

লিখেছেন অতন্দ্র সাখাওয়াত, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৫১

ও যখন খোলা চুলে দাঁড়ালো ওখানে,
দূর থেকে এই দিকে হঠাৎ তাকালো,
ওর চোখে পড়ে রোদ তীব্র ঝাঁঝালো,
মনটা মৃদু কাঁপে অজানা টানে।
মৃত্যু ডাকছে যেন ভীষণ ঘ্রাণে,
এত বেশি উষ্ণতা সহনীয় বলো!
নিজেকে প্রশ্ন করি, কেন ছুটে চলো!
তুমিতো ক্ষুদ্র জীব, বোঝ কি তার মানে?

কিন্তু সে চলে গেলো কিছুই না বলে,
নাকি বলেছে ঠিকই, আমি তা শুনিনি—
অশ্রুহীন... বাকিটুকু পড়ুন

২ টি মন্তব্য      ৩৮ বার পঠিত     like!

পৃথক বিছানায়

লিখেছেন অতন্দ্র সাখাওয়াত, ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০

তোমার বোধের সাইক্লোন
তোমার উদ্দাম চলে যাওয়া
আমায় নিঃস্ব করেছে বারবার।
বুকের খাঁচায় গোলাপি ঘ্রাণ নেই
তবু সারাক্ষণ অনুভবে ভাসে—
অন্ধকারে ম্লান মুখ তোমার।

আমাদের অবাধ্য শারীরিক স্পৃহা
দৃষ্টির যত ইন্দ্রজাল ভেঙ্গে-চুরে
পরস্পরকে আহ্বান চুম্বকীয় টানে
সারা রাত ছটফট করেছি দুজন
পৃথক বিছানায়—
প্রেমের উন্মাদনায় ভোর হয়েছে
জীবনের দিক নির্দেশ খুঁজেছি;
আমাদের শান্ত বোবা চাহনীতে—
তারকারাজিতে জ্বলেছে মিটিমটি মৃত্যু
যে মৃত্যুকে আমরা ভালোবাসি—
একদিন স্পর্শ... বাকিটুকু পড়ুন

২ টি মন্তব্য      ৪৪ বার পঠিত     like!

বিবর্তন

লিখেছেন অতন্দ্র সাখাওয়াত, ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:০৫


পৃথিবীর সব আলো তোমায় কেন্দ্র করে
ঘুরতে থাকে ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়-
তোমার ছায়া পড়ে আমার উপর;
তোমার শরীরের ছায়া,
তোমার ছায়ার শরীর,
আমাকে বেঁধে রাখে তোমার আয়নায়।
আমার ভীত কম্পমান হাত
শুধু তোমার হাত খোঁজে।

তোমার কোমল সত্ত্বায়
ভর দুপুরের নিষিদ্ধ আহ্বান ছিল।
কিন্তু তোমার শরীর আমার পুণ্যস্থান
আমি ভূপর্যটকের মত
মুখোশের অন্তরালে তবু হেঁটে গেছি।
তোমার শরীরের ছায়ার মাঝে
তোমার ছায়ার... বাকিটুকু পড়ুন

৬ টি মন্তব্য      ৬৪ বার পঠিত     like!

গৃহত্যাগ

লিখেছেন অতন্দ্র সাখাওয়াত, ১২ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:১৭

বন্ধ দরজার দিকে তাকাই
যেন কবিতার বইয়ের পচ্ছদ,
দরজা খুললেই বিপুল বিশ্ব-
অসীম এক কবিতার বিস্তার
দেখা যাবে একটু পরেই।

আমি সন্তপর্ণে দরজা খুলি,
গৃহত্যাগী হবার মত জোছনা
ডাকছে আমাকে তীর্যক শোক।

তারপর নগ্ন পায়ে বের হই
প্রবেশ করি বিপুল বিস্ময়ে
মহাকালের অনন্ত রাজত্বে;
কবিতার সাথে চলতে থাকি।
অগণন পাখিদের মিছিল
ছুটে চলে আমার সাথে-
পদক্ষেপে অ্যান্টি ক্লাইম্যাক্স,
আমাদের গন্তব্য নৈঃশব্দে।। বাকিটুকু পড়ুন

৪ টি মন্তব্য      ৪৭ বার পঠিত     like!

ব্যর্থতার সাত সতেরো

লিখেছেন অতন্দ্র সাখাওয়াত, ১১ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:২৪

ব্যর্থ বুকে ব্যথার অর্বাচীন বিন্যাস,
দ্বিধাহীন অশ্রুর সমন্বিত চাষবাস।
দ্যর্থহীন আহ্বান পূর্ণ চাঁদের তলে,
ওয়েসিস থেকে ক্যাকটাস বনে
ঘুরে ফেরা অপ্রয়োজনীয় কথা।
শরীরের অনুভূতিরা ভোঁতা নয়—
দু-ধারী তলোয়ারের মতো তীক্ষ্ণ।
সংবেদনের অভিধান ভুলে ভরা,
সঙ্গী বানাবার পথটা কণ্টকিত।
অন্ধকারে ঘেরা আলোর ডিম,
বিস্ময়ের বীজে প্রত্যাবর্তন নেই,
প্রয়োজনীতাই যেন শত্রুর তীর। বাকিটুকু পড়ুন

২ টি মন্তব্য      ২৮ বার পঠিত     like!

অস্তিত্বের বেদনা

লিখেছেন অতন্দ্র সাখাওয়াত, ১১ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৬

চেতনার দেয়াল ভেঙে অন্ধ সে
ছুটে বেড়ায় পাহাড়ে পাহাড়ে
বৃদ্ধ দাড় কাকের মত নিশ্চুপ-
অথচ কত কথা শিরায় শিরায়।

মাটির চাদরে ঢাকা পৃথিবীর লজ্জা
শিরদাড়াবিহীন বিমূর্ত উৎসবে মগ্ন
পৌষের ইঁদুরের মতো দৌড় মারে
চোখ তার আকাশের মত নগ্ন।

জীবন যেন আফিমের নেশা
যার সুদ বাড়ে চক্রবৃদ্ধি হারে
মমতার অমৃতে আজ মূঢ়তা
জোছনার ব্যাকরণ অনাহারে! বাকিটুকু পড়ুন

২ টি মন্তব্য      ৪২ বার পঠিত     like!

সামাজিক শরীর

লিখেছেন অতন্দ্র সাখাওয়াত, ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:১৪


নিরব আঁধারে পড়ে মনে
মহান মৃত্যু—একাকীত্ব।
প্যারাডক্সের শিকল ভেঙে
একটি সামাজিক শরীর
নির্মোহ এগিয়ে চলে।
দিঘল চুলে বেহুলা নেচে যায়,
গলায় ঝুলন্ত ক্রুশ,
হঠাৎ ডুবে যায় সালাতে,
ভাসমান ত্রিপিটকের সুর,
আবার অন্য মত—
সমন্বিত শরীর চলছে
গন্তব্য একটাই;
হাহাকার জাগানো পথ!

সে পারবেই-
ডিঙোতে সাগর, পাহাড়, বন,
আগুন, বাতাস, মাটি, পানি—
ইন্দ্রিয় আর বোধের ঘূর্ণায়মান চক্র
সরল ঝলকানো আলোয়;

যেখানে সাফল্য
রাজনীতির শেষ দৃশ্যে—
সবাই তাকে হাততালি দেয়,
কিন্তু সে... বাকিটুকু পড়ুন

৫ টি মন্তব্য      ৪০ বার পঠিত     like!
আরো পোস্ট লোড করুন
ব্লগটি ৩৪১৬৯ বার দেখা হয়েছে

আমার পোস্টে সাম্প্রতিক মন্তব্য

আমার করা সাম্প্রতিক মন্তব্য

আমার প্রিয় পোস্ট

আমার পোস্ট আর্কাইভ