দুটি রানওয়ে দিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ওঠানামা করবে উড়োজাহাজ। বর্তমান দুটি টার্মিনালের সঙ্গে যোগ হবে প্রায় চারগুন বড় আকারের আরও একটি টার্মিনাল। নতুন টার্মিনালে বসবে আরও ৩২টি বোর্ডিং ব্রিজ। বাড়বে বিমানবন্দরের ড্রাইভওয়ে। এর মধ্য দিয়ে বিমানবন্দরের উড়োজাহাজ হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বেড়ে যাবে বর্তমান ক্ষমতার চার গুন। দিনে প্রায় এক হাজারটি উড়োজাহাজ হ্যান্ডলিংয়ে সক্ষম হবে এই বিমানবন্দর। যা আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিসম্পন্ন বিভিন্ন ব্যস্ত বিমানবন্দরের সমান। বছরে ৬০ লাখ যাত্রী শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করছে। প্রতি বছরই এই সংখ্যা গড়ে ৫ লাখ করে বাড়ছে। একইভাবে অভ্যন্তরীণ রুটেও যাত্রী বাড়ছে। অভ্যন্তরীণ রুটে ৬ লাখের মতো যাত্রী ব্যবহার করছে দেশের প্রধান বিমানবন্দর। শাহজালালে বর্তমানে সামরিক ও বেসামরিক মিলিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২৪০টি উড়োজাহাজ উড্ডয়ন ও অবতরণ করে। নতুন রানওয়ে, টার্মিনাল ও বোর্ডিং ব্রিজ নির্মিত হলে এর চারগুন বাড়িয়ে প্রায় এক হাজার উড়োজাহাজ উড্ডয়ন ও অবতরণ সম্ভব হবে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এর মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছাকাছি মানের একটি বিমানবন্দরে পরিণত হবে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ফলে আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনগুলোকে আকৃষ্ট করবে। তাতে বিমানবন্দরের ব্যস্ততা যেমন বাড়বে, আয়ও বাড়বে। বর্তমান রানওয়েটির সমান্তরালেই নতুনটি নির্মিত হবে। এতে করে শাহজালালে উড়োজাহাজ উড্ডয়ন ও অবতরণের সংখ্যা আরো বাড়লেও তা ব্যবস্থাপনা করা কঠিন হবে না। প্রায় দুই দশক আগে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশের প্রধান বিমানবন্দরে দ্বিতীয় রানওয়ে নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিল। পরবর্তীতে এই কাজটি আর এগোয়নি। তৃতীয় দফায় সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উৎসাহেই বিমানবন্দর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বাড়ানোর এই উদ্যোগ নেওয়া হলো।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ক্রমবর্ধমান যাত্রীচাপ সামলাতেই নির্মিত হচ্ছে দ্বিতীয় রানওয়ে ও তৃতীয় টার্মিনাল
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস....

৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস....
দেখা হবে যুদ্ধ ফুরোলে সন্ধের মাহফিলে;
দেখা হবে ঠিক চেনা রাস্তার অচেনা-অন্ত্যমিলে।
ছড়াব আবার শস্যের দানা দেশ থেকে মহাদেশে
মানুষই জেতে, খুঁজে নেয় আলো অন্ধকারের শেষে...
তোমার গল্পে... ...বাকিটুকু পড়ুন
বস্ত্রশিল্পের জন্য আমি সরকারের যথাযথ স্থানে থাকলে কি করতাম !!!

গত ১০ দিন হল দেশের বস্ত্র শিল্পের উপর আঘাত খুব চিন্তার বিষয়। অনেক আগে বিচ্ছিন্নভাবে বস্ত্রশিল্প নিয়ে কথা বলেছিলাম। আজ সব মিলিয়ে কিছু চিন্তা করলাম। তার কিছু এখানে নোট... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য নির্মূলে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা
প্রস্তাবিত প্রকল্প: স্বাবলম্বী বাংলাদেশ - দারিদ্র্যমুক্তির নতুন নগর
আমি যদি সরকারের দারিদ্র্য নির্মূল বিভাগের প্রধান হতাম, তাহলে আমার প্রথম লক্ষ্য হতো বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করা ১ কোটি ৭০... ...বাকিটুকু পড়ুন
Sajna

Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন
বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।