
দেশে উদ্ভাবিত নতুন আরো পাঁচ জাতের ধান অবমুক্ত হচ্ছে। নতুন এ পাঁচ জাতের ধানের মধ্যে ব্রি ধান ৭০, ব্রি ধান ৭১, ব্রি ধান ৭২ ও ব্রি ধান ৭৩ উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এবং বিনা ধান ১৭ উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা)। সুগন্ধী, লবণ সহনশীল, জিংকযুক্ত এবং খরাসহিষ্ণু গুণসম্পন্ন ব্রি’র জাতগুলো ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষামূলক চাষাবাদ করা হয়েছে। নতুন উদ্ভাবিত ও প্রস্তাবিত ব্রি ৭০ ধানের চাল লম্বা, চিকন ও সুগন্ধী। অনেকটা দেখতে বাসমতি চালের মতো। ফলন হেক্টর প্রতি সর্বোচ্চ ৫ টন। খরা সহনশীল ব্রি ধান ৭১ ধানে ব্রি ৫৬ জাতের চেয়ে ভালো ফলন পাওয়া যাবে। প্রচণ্ড খরা হলে যেখানে কিছুই পাওয়া যায় না সেখানে হেক্টর প্রতি তিন থেকে সাড়ে তিন টন ধান পাওয়া যাবে। প্রস্তাবিত ব্রি ধান ৭২’র প্রধান বৈশিষ্ট্য জিংক সমৃদ্ধ। প্রতিকেজি ধানে ২২.৮ মিলিগ্রাম জিংক পাওয়া যাবে। হেক্টরপ্রতি ফলন হবে সাড়ে ৫ টন থেকে ৬ টন। ব্রি ধান ৭৩ এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো লবণাক্ততা আক্রান্ত অঞ্চলে এটি চাষ করা যাবে। দক্ষিণ অঞ্চল বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চল এ ধান চাষাবাদের খুবই উপযোগী। হেক্টর প্রতি ফলন সাড়ে ৪ টন। আর বিনা ধান ১৭ জিএসআর এর জীবনকাল ১১২ থেকে ১২৮ দিন এবং উচ্চ ফলনশীল। হেক্টর প্রতি এর ফলন প্রায় ৬ থেকে ৭ টন। ১০ থেকে ১২ বছর ধরে গবেষণা চালিয়ে এসব ধান অবমুক্তির জন্য এখন প্রস্তুত। নতুন এ জাতগুলো চাষাবাদ করে কৃষকরা অনেক বেশি লাভবান হবেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুলাই, ২০১৫ বিকাল ৪:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




