যদিও তনু হত্যাকাণ্ডের সাথে কে বা কারা জড়িত তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাই গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে তনু হত্যাকাণ্ডের সাথে আরও কয়েকটি বিষয় খতিয়ে দেখার অনুরোধ করছি। যে নাট্যদলের হয়ে সে কাজ করত সেই নাট্যদলের কারোর সাথে কোনো ঝামেলা ছিল কিনা সেই প্রশ্নও উত্থাপন করা যেতে পারে। শুধু অজ্ঞাতনামা পিয়াল বা সেনাবাহিনী দিকে তীর নিক্ষেপ করলে অনেক সময় প্রকৃত অপরাধীরা পার পেয়ে যেতে পারে। সেনানিবাস জনগণ থেকে বিছিন্ন কোনো দ্বীপ নয়। সেনানিবাস বাংলাদেশ রাষ্ট্রেরই অংশ। সেনা সদস্যরা এদেশেরই সন্তান। আমাদের ভাই-বোন। সেনাবাহিনী আমাদের অহংকার। আমাদের অস্তিত্ব ও গৌরবের অন্যতম অংশীদার। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে এদেশের সেনাবাহিনীর সদস্যদের আত্মত্যাগ জাতি আজও শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে। শুধু ১৯৭১ নয়, স্বাধীন বাংলাদেশে জাতির নানা ক্রান্তিকালে ও জাতীয় পর্যায়ে নানা দুর্যোগকালীন সময়ে সেনা সদস্যরা যেভাবে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তা সত্যিই আমাদের আবেগ আপ্লুত করে।এদেশের সাধারণ মানুষ সেনা সদস্যদের উপর সবচেয়ে বেশি আস্থা রাখে। সেই কারণে কোথাও সাধারণ প্রশাসন ও পুলিশ ব্যর্থ হবে এমনটি মনে করলেই আমরা সেনাবাহিনী নিয়োগের দাবি করি। জাতীয় নির্বাচন অথবা অন্যকোনো নির্বাচনে সেনাবাহিনী নিয়োগের দাবি করা হয়। এদেশের সাধারণ মানুষের সেই আস্থা ও ভালবাসার সেনাবাহিনীর নিরাপত্তায় সুরক্ষিত সেনানিবাস এলাকায় ওই হত্যাকাণ্ডের জন্য প্রাণ কাঁদার পাশাপাশি আতংকিত হই এইভেবে আবারও কি আমাদের মাথা উচুঁ করে দাঁড়ানোর প্রেরণা যোগানো, সেনাবাহিনী নিয়ে কেউ ষড়যন্ত্র করে সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি নষ্ট করতে, কোন দেশি বা আন্তর্জাতিক চক্রান্তের ছক আঁকা হয়নি তো? সেই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্যও দরকার তনু হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত।


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

