আমি শুধু ভয় পাচ্ছিলাম সেই দিনের যেইদিন এইদেশে সবাই আওয়ামীলীগ হয়ে যাবে যার মধ্যে অতি উৎসাহী আওয়ামীলীগারের সংখ্যা ই হবে বেশি। ইউএনও তারিক সালমনের জামিনের বিরোধিতাকারীরা ৫০ জন যাদের মধ্যে এমনকি বরিশালের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মো. আলী হোসাইন নিজেও ( যার কাছ থেকে সার্কিট হাউজের থাকা ৮ মাসের ভাড়া ৯৩,২০০ টাকা পায় এখনো এমনকি উনি গত ১.৫ বছর থেকে গ্রীন লাইন ওয়াটার বাসে করে বরিশাল-ঢাকা বিনা ভাড়ায় যাতায়াত করতেন যেইখানে বিচারকদের হতে হয় সাধারণ মানুষের চেয়েও আইন মানায় এবং মানবিক গুণাবলীতে ঊর্ধ্বে সেখানে তারাই অমানুষের খাতায় নাম লিখাচ্ছে) থেকে শুরু করে মামলার বাদী জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ওবায়েদ উল্লাহ সাজু ,বরিশালের জেলা প্রশাসক গাজী মো. সাইফুজ্জামান এবং (বিভাগীয় কমিশনারের পক্ষ থেকেও সালমানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও সুপারিশ করা হয়েছিল) বরগুনার জেলা প্রশাসক বশিরুল আলমরাও লাইম লাইট এ আসতে নিজেদের অতি উৎসাহী আওয়ামীলীগার প্রমানে অন্ধ হয়ে গেছেন ... যদি একটু নজরে যাওয়া যায় নেত্রীর। কিন্তু তারা ভুলেই গেছেন এই নেত্রী সেই নেত্রী যিনি অন্যায়ের সাথে নন বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ ঘোষণা করেই মসনদে আছেন। ধন্যবাদ আমার প্রিয় প্রধান মন্ত্রী কে তার সততার প্রমাণস্বরূপ আরো একটি চিহ্ন স্থাপন করার জন্যে। ধন্যবাদ তাদের যারা মন্ত্রী পরিষদ মিটিং এ এইসব ব্যাপার তুলে ধরেন প্রিয় নেত্রীর কাছে।
পুলিশের টিয়ারশেলে চোখ হারানোর পর এবার পুলিশ হেফাজতে চোখ উপরে ফেলার মতো পশুত্বের প্রমান মিললো আরো একটি থানায়। এই ব্যাপার টিতেও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
তারিক সালমানের অপরাধ প্রমানের আগেই আদালতে তোলার সময় তাকে অপরাধীর মতো ৬ পুলিশের ধরে রাখার ভঙ্গি টি আমাকে বেশি আঘাত করেছে। তীব্র প্রতিবাদ ও ধিক্কার জানাই তাদের এই নোংরা কাজের।

সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৩:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



