ছোট্ট জ্ঞানে যতটুকু জানি কুরবানী বলতে পড়াশুনা করে বুঝেছি : আনুগত্য/আত্মসমর্পণ/আত্মত্যাগ/উৎসর্গীকরণ এই মূল বিষয়গুলো। কিন্তু ( মনের বা আত্মার )পশুত্বের কুরবানী হয় এমন কোনো থিম তো চোখে পড়লোনা। যদি মনের পশুত্বই কুরবানী দেয়ার উদ্দেশ্যে কুরবানী দেয়া হতো তবে সবচেয়ে হিংস্র প্রাণীটিকেই কুরবানীর আদেশ আসতো আল্লাহর পক্ষ থেকে , সবচেয়ে সুন্দর রিষ্টপুষ্ট আদুরে নিরীহ গৃহপালিত গরু/ছাগলটাই কুরবানীর নির্দেশ আসতোনা।
খেয়াল করুন , ইসলামে কুরবানির মূল উদ্দেশ্য কি? উদ্দেশ্য হলে আপনার প্রিয় বস্তু আল্লাহ্ কে খুশি করার জন্য কুরবানি দেওয়া। যেটা শিক্ষা দিয়েছেন নবী ইব্রাহীম আঃ এর প্রিয় বস্তু প্রিয় সন্তান কুরবানির মাধ্যমে, সেখানে আল্লাহ্ খুশি হয়ে জান্নাতী দুম্ভা কুরবানি হয়েছিল, ঈসমাইল আঃ এর পরিবর্তে।
প্রিয় বস্তু হলো যার প্রতি আপনার মায়া আছে, যাকে ছাড়া আপনার জীবন অচল, এমন বস্তু সবার ই ত্যাগ করতে কষ্ট হয়। প্রকৃত পক্ষে আল্লাহ্ কে খুশি করার জন্যই প্রিয় বস্তু ত্যাগ করে কুরবানি দিতে হয়। আর এটাই কুরবানির তাৎপর্য ও মাহত্ব্য। অপরদিকে....
খেয়াল করুন, ওরা বলছে মনের পশু কুরবানি দিতে, আপনার প্রিয় বস্তু নয়!
মনের পশু কি? আপনার ভিতর যত খারাপি আছে, কুরবানির পশুর মাধ্যমে মনের পশু কুরবানি দেওয়া। তাহলে কি আল্লাহর কাছে আপনার মনের পশু প্রিয় (নাউজুবিল্লাহ্)। আর এভাবেই আপনার একটি ইবাদত নেক সুরুতে ধোঁকা দিয়ে নষ্ট করছে।
এজন্য ওলামায়ে কেরামগন বলেন, কুরবানির পশু আগে আগে কিনা, তাকে নিজের সন্তানের মত করে পালা, যাতে কুরবানির সময় কষ্ট লাগে।
আর এই কষ্ট এই ত্যাগ ই আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা দেখেন।
তাই যারা বিভ্রান্ত হয়েছেন এখনি বিভ্রান্তি দূর করে খাঁটি নিয়ত করে ফেলুন।
মনের পশু নয় প্রিয় পশুই কুরবানি দিবো। ইনশা-আল্লাহ
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



