দরিয়া, তুই কি করে বুঝবি নাবিকের তৃষ্ণা?
যে নাবিক খুজে ফিরে একটু সবুজ তীর, ঘোলাটে , ধূসর দিগন্ত রেখায়।
জেগে উঠা চরে অনেক বিষণ্ণ পলি,
নোঙ্গরে জমা মরচে,
ভেজা বাতাসের ফিসফিস
সব ভুলে হতে চেয়েছি বারবার
বৃষ্টির ফোঁটা।
বাষ্পীভূত অনুভুতির রূপান্তর ক্রোধে,
শম্বুক গতির ভাবনা
একটা বিন্দুর চারপাশে ভিড় করে,
অনাদি অনন্ত ঘুরপাক খায়।
গজিয়ে উঠা শিকড়ে প্রাণের আবর্তন,
আলো দেখার সুখে কাতর নবজাতকের
কান্না,
ভঙ্গুর বন্ধনে আবদ্ধ নাটকের রিহার্সালের
খালি দর্শক সারি।।
রিকশার টুং টাং শব্দে
ভেঙ্গে যাওয়া ঘোর কাটার আগেই
আরেকবার বর্ষা নামে চিবুক বেয়ে,
আগে জানলে কখনই তোমাকে আমার পৃথিবীতে আনতাম না।
আনন্দ না দিক অন্তত দুঃখ দিতে পারত না কেউ।
অস্থির সময়ের ঘূর্ণিপাকে আমাদের মানবতা
চুপ করে বসে থাকত বিড়ালের মত।
মনুষ্যত্ব অপেক্ষায় থাকত না মৃত্যুর ।
আঁধারে জোনাকি ভুলে যেত না
আলো জ্বালাতে , ভালবাসতে।,

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


