শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর চিহ্ন, বাঁ পায়ের গোড়ালি শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে চামড়ার সঙ্গে কোনো রকমে আটকে রয়েছে, ডান হাত কাঁধ থেকে ভাঙা, দুই স্তনই কেটে ফেলা হয়েছে, কেটে বেড় করে নেওয়া হয়েছে দুটি চোখ ও কিডনি।
বলছিলাম ভারতে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হতভাগ্য নার্গিস বেগমের কথা যাকে নরপশুরা কেবল ধর্ষণ করে ক্ষান্ত হয়নি করেছে মধ্যযুগীয় কায়দায় খুন ।
বিস্ময়কর হলেও সত্য এই ঘটনা নিয়ে আমাদের (বাংলাদেশি) ভেতর তেমন কোন প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়নি। রাষ্ট্রীয় ভাবে জানানো হয়নি কোন প্রতিবাদ বা নিন্দা। মানবাধিকার সংগঠন গুলো যারা বিভিন্ন উছিলায় মানবতার বুলি আওরিয়ে মুখে ফেনা তুলে ফেলে তাদেরকেও এই বিষয়ে মিনিমান কোন শব্দ করতে দেখলাম না। ফেইসবুক ও অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যমের সেলিব্রেটি যারা হাজার হাজার ফলোয়ার বেষ্টিত হয়ে জীবন যাপন করে তাদেরকেও এই বিষয়টিতে আগ্রহী মনে হলও না। কোথায় আমাদের নারীবাদী সংগঠন, কোথায় গণজাগরণ মঞ্চ, কোথায় জাতির বিবেক!! অদ্ভুত ভাবে সর্বত্রই একই নির্লিপ্ততা কাজ করছে নার্গিস বেগমের এই ঘটনাটিতে। কিন্তু কেন ??
চিকিৎসা থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ও অপ্রয়োজনীয় কাজে আমাদের নারীদের ভারত যেতে হয়। নার্গিস বেগমের এই ঘটনাটি সে সকল নারীদের জন্যে সতর্কতা সংকেত।
আমাদের উচিৎ এই বিষয়টিতে উদ্বিগ্ন হওয়া, প্রতিক্রিয়া ও প্রতিবাদ জানানো। বাংলাদেশ সরকারের উচিৎ ভারত সরকারের নিকট এই ঘটনার জবাব চাওয়া, এমনকি বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারত ভ্রমনের উপর সতর্কতা জারি হওয়া উচিৎ বলে আমি মনে করি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



