‘আমি হিমালয় দেখিনি, বঙ্গবন্ধুকে দেখেছি। তার ব্যক্তিত্ব ও নির্ভীকতা হিমালয়ের মতো। এভাবেই তার মাধ্যমে আমি হিমালয়কে দেখেছি।’
---------------------------------------------------------- ফিদেল ক্যাস্ট্রো।
.
ফিনান্সিয়াল টাইমস বলেছে, ‘মুজিব না থাকলে বাংলাদেশ কখনই জন্ম নিতনা।’
.
স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা নিয়ে অনেক বির্তর্ক আছে । কিন্তু তাকে বিচার করার জন্য স্বাধীনতার আগের ভূমিকা টাও বিবেচনা করা উচিৎ । তার নামে যে অভিযোগ গুলো আছে তার জন্য যদি তার হত্যাকান্ডকে সমার্থন করেন তাহলে বাংলাদেশের বর্তমান সকল দলের রাজনীতিবিদদের অবস্থা কি হওয়া উচিৎ ........................... আগে আপনার দলের নেতাদের দিয়েই শুরু করেন বিচার কাজটা ।
.
অনেক দেশেই আছে তবে ভারতের টা টানলাম । মহাত্না গান্ধী তাদের জনক । তারও রাজনীতিক দল আছে (কংগ্রেস) তাকে তো অন্যন্যা রাজনীতিক দলগুলো সম্মান করে । এর কারনটা হচ্ছে কংগ্রেস কখনই তাকে নিয়ে বাড়াবাড়ি করে না । অথচ বাংলাদেশে আওয়ামিলীগ করে তার উল্টো
.
খালেদা জিয়া এ দিনে যে জন্মদিনটা পালন করে সেটা যে ভূয়া জন্মদিন সেটা কিন্তু বিএনপি পরোক্ষভাবে স্বীকার করে । আর দলিল পত্র ও তাই বলে । এটা পালন করার মাধ্যমে তারা তাদের মানসিকতা প্রকাশ করে কিন্তু এ অবস্থার জন্য আওয়ামিলীগও এর দায় এড়াতে পারে না । আওয়ামিলীগ বঙ্গবন্ধুকে দেশের নেতা না বানিয়ে দলের নেতা বানিয়ে রেখেছে । আর আদর্শ ? এখন অনেক দলীয় নেতাকর্মঅই জমি দখল করে বঙ্গবন্ধুর ছবি টানিয়ে সেটা হালাল করে বা অপকর্ম করে বঙ্গবন্ধুর নামে স্লোগান দিয়ে নিজেদের অস্পর্শনীয় ভাবে । এগুলোর প্রতিবাদ আওয়ামিলীগ কখনও করে নি ।একটা কথা প্রচলিত আছে যে সমাধানের জন্য বাড়ির মোড়লকে ছাড় দিতে হয় । দেশের বড় রাজনৈতিক দল হিসাবে ছাড়টা কিন্তু আওয়ামিলীগকেই দিতে হবে । জিয়ার নামে ভালো কিছু বলার দরকার নাই কিন্তু দেশের শান্তির স্বার্থে খারাপ কিছু না বলে কিছু না বলাই ভালো । এরপর দেখেন যে তারা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বাজে আচরন করে কিনা । হ্যা যদি করে তবে ধরে নিতে হবে যে তাদের সমস্যাটা গোড়ায় ......
.
বঙ্গবন্ধুকে পছন্দ করা মানে আওয়ামিলীগ করা না । আওয়ামিলীগের বিরুদ্ধে কথা বলা মানে বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে বলা না । বঙ্গবন্ধু কোন দলের নেতা না সে একটা দেশের নেতা ।কিন্তু দুঃজনক হচ্ছে আওয়ামিলীগ এখন বঙ্গবন্ধুর নাম বেচে খাচ্ছে ।
.
বঙ্গবন্ধুকে জাতির জনক বললে অনেকে প্রতিবাদ করে । কিন্তু পাকিস্থান সৃষ্টির পূর্বে
জিন্নাহকে যে পাকিস্থান জাতির জনক বলা বলতো তাদের উত্তরসরীরা তখন তাদের চুলকানিটা কই ছিল ।বিশ্বের অনেক বড় বড় মুসলিশ দেশেই বিভিন্ন জন জাতির জনক হিসাবে পরিচিত আছে ।
.

রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে কিন্তু তারজন্য বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকাকে কখনই অস্বীকার করা যাবে না । আওয়ামিলীগের উচিৎ তাকে নিয়ে বাড়াবাড়ি না , কারন তার জন্য মানুষের মনে একটা জায়গা সবসময়ই ছিল ও থাকবে । জোর করে তারা এটা বাড়াতে পারবে না আর বিএনপি এরও উচিৎ তাকে সম্মান করা ।আর বাংলাদেশের শান্তির স্বার্থে আওয়ামিলীগে এর উচিৎ জিয়াকে নিয়ে টানাটানি না করা
.
”আপোষহীন সংগ্রামী নেতৃত্ব ও কুসুম কোমল হৃদয় ছিল মুজিবের চরিত্রের বৈশিষ্ট্য “
-------------------------- ইয়াসির আরাফাত
, "শেখ মুজিব জর্জ ওয়াশিংটন, গান্ধী এবং দ্যা ভ্যালেরার থেকেও মহান নেতা"।
----------------------------------------------------বৃটিশ লর্ড ফেন্যার ব্রোকওয়ে
=============================================
ফেজবুকে আমি : তাওহীদ রহমান
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



