ইজতিমায় যাওয়া কি ফরজ?
ইজতিমায় যাওয়া ফরজ নয়, ওয়াজিব নয়, সুন্নত নয়, নফল নয়।
ঠিক যেমন ফরজ নয়, ওয়াজিব নয়, সুন্নত নয়, নফল নয় -
মাদ্রাসায় পড়া,
পীরের মুরিদ হওয়া,
ইসলামিক কিতাবাদী অধ্যয়ন করা,
কোন ইসলামী সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকা,
ওয়াজ-নসিহত শুনতে যাওয়া,
ইণ্টারনেটে দ্বীনী পোস্ট-পেইজ দেখা, ইত্যাদি।
•
•
•
কিন্তু দ্বীন শিক্ষা করা ফরজ।
কিন্তু দ্বীন শিক্ষা করা ফরজ।।
কিন্তু দ্বীন শিক্ষা করা ফরজ।।।
•
•
তা সে যেকোন উপায়েই হোক।
•
দ্বীন শিক্ষার জন্য যদি ইজতিমায় যেতে হয় তবে ইজতিমায় যাওয়া ফরজ।
দ্বীন শিক্ষার জন্য যদি ৩ দিন, ৭ দিন, ১ চিল্লা, ৩ চিল্লায় বের হতে হয় তবে ৩ দিন, ৭ দিন, ১ চিল্লা, ৩ চিল্লায় বের হওয়া ফরজ।
দ্বীন শিক্ষার জন্য যদি মাদ্রাসায় পড়তে হয় তবে মাদ্রাসায় পড়া ফরজ।
দ্বীন শিক্ষার জন্য যদি পীরের মুরিদ হতে হয় তবে পীরের মুরিদ হওয়া ফরজ।
দ্বীন শিক্ষার জন্য যদি ইসলামী কিতাবাদী অধ্যয়ন করতে হয়, ওয়াজ-নসীহত শুনতে যেতে হয়, ইণ্টারনেট ব্যবহার করতে হয় তবে সবকয়টিই ফরজ।
মূল কথা আপনাকে দ্বীন শিখতে হবে।
মূল কথা আপনাকে দ্বীন শিখতে হবে।
মূল কথা আপনাকে দ্বীন শিখতে হবে।
তা সে যেকোন উপায়েই হোক।
তাহলে দ্বীন কি?
দ্বীন হল আমার-আপনার মালিক আল্লাহ তায়ালা এই মুহূর্তে আমার কাছে কি চান তা বুঝে সে অনুযায়ী মালিকের হুকুম সঠিক পন্থায় (অর্থাৎ আল্লাহর রসূল হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সাল্লামের পন্থায়) বাস্তবায়ন করা।
দ্বীন শিক্ষার প্রথম ধাপ হল আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছাগুলোকে জানা, বুঝা অর্থাৎ জ্ঞান অর্জন করা। অর্থাৎ গোলামের প্রতি মালিকের উপদেশগুলো জানা, বুঝা ও সে সম্পর্কিত জ্ঞান অর্জন করা।
যেমন, আপনাকে বুঝতে হবে কোথায়, কখন, কিভাবে আপনাকে সালাম দিতে হবে,
সালাত আদায় করতে হবে,
হজ্ব করতে হবে,
রোযা রাখতে হবে,
যাকাত দিতে হবে,
জিহাদ করতে হবে •••
সহস্রাধিক উদাহরণ আছে।
অর্থাৎ প্রথমত আপনাকে জানতে হবে। এ' জানার নাম হল জ্ঞান অর্জন।
অতঃপর যা জানলেন তা আপনার জীবনে পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে হবে।। এর নাম আমল।।
অতঃপর আপনি যা জানলেন সে জ্ঞান মানুষকে শিক্ষা দিতে হবে।।। এর নাম দাওয়াত।।।
অর্থাৎ দ্বীন শিক্ষার পূর্ণতার তিনটি ধাপ।
(১) জ্ঞান অর্জনঃআপনার পুরো জীবনকে দ্বীনের পথে চালানোর জন্য পুরোপুরি জ্ঞান অর্জন করা। অর্থাৎ আল্লাহ তায়ালার হুকুমগুলোকে বুঝতে পারার যোগ্যতা অর্জন করা।
(২) আমলঃ অর্জিত জ্ঞান অনুযায়ী আমল কর। অর্থাৎ আপনি কত দ্রুত এবং নিখুঁতভাবে আল্লাহ তায়ালার হুকুমের প্রতি সাড়া (রেসপন্স) দিতে পারলেন।
(৩) দাওয়াতঃ অর্জিত জ্ঞান বিতরণ করা, অর্থাৎ দাওয়াত দেয়া। অর্থাৎ আল্লাহ তায়ালার হুকুমগুলোকে আরো মানুষের মধ্যে প্রচার করে দেয়া যেন অন্য মানুষেরাও আপনার মত আল্লাহ তায়ালার হুকুমগুলো বুঝে সে অনুযায়ী আমল করতে পারে।
এর কোন একটিতে অপূর্ণতা আপনার দ্বীন শিক্ষার অপূর্ণতার দিকে ইঙ্গিত করে।
তা যতক্ষণ আপনার দ্বীন শিক্ষায় অপূর্ণতা থাকবে ততদিন আপনাকে ইজতিমায় যেতে হবে,
মাদ্রাসায় পড়তে হবে,
পীরের মুরিদ হতে হবে,
ওয়াজ-নসিহত শুনতে যেতে হবে •••
ইত্যাদি।
যদি আপনার মানবিক দুর্বলতা বা কমজোরীর কারণে না পারেন তবে তওবা করতে হবে।
আল্লাহু য়ালাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


