ডাক্তার যখন রোগীকে বলে ঝাল খাওয়া যাবে না, মসলা খাওয়া যাবে না, বেগুন, চিংড়ি মাছ, গরুর গোস্ত, কলিজা খাওয়া যাবে না -
রোগী বলে, ঠিক আছে ডাক্তারসাব। আরো কিছু আছে যা খাওয়া যাবে না?
ডাক্তার যখন রোগীকে বলে মিষ্টি খাওয়া যাবে না, পেট পুরে খাওয়া যাবে না, ভাত এক বাটি, ডাল ও সব্জি এক বাটি বড়জোর খাওয়া যেতে পারে -
রোগী বলে, জ্বী ডাক্তারসাব। আরো কিছু নিয়ম থাকলে বলেন যা করা যাবে না। এখন থেকে অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলব। যে কয়টা দিন বাঁচি শরীরটা সুস্থ রাখতে হবে তো।
আল্লাহ তায়ালা যে এত বার করে বলছেন, হারাম খাওয়া যাবে না, সুদ ঘুষ খাওয়া যাবে না, যথাযথ পর্দা করতে হবে -
তখনই শুরু হয় গড়িমসি। তখনই আর ভাল লাগে না। এ সোনার শরীরটা যে জাহান্নামের আগুনে জ্বলবে, জ্বলবে, জ্বলতেই থাকবে সে কথা আর মনে থাকে না। এমনকি বিশ্বাসই হতে চায় না। হায়, ক্ষণস্থায়ী দুনিয়া নিয়ে মানুষ এত পেরেশান, চিরস্থায়ী আখিরাতের খবর নাই!!
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মার্চ, ২০১৫ রাত ১১:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



