গণতন্ত্রের বাহক ও জনক আমেরিকাতে এই ব্যবসহা চালু করা হয় 1770 দশকের শেষার্ধে। প্রায় আড়াইশ বছর পর কি তারা বুক ফুলিয়ে দাবি করতে পারবে যে তারা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সামর্থ্য হয়েছে? হ্যাঁ পারবে। কারন তারা আমেরিকান, তারা নম্বর ওয়ান ইন দ্য ওয়ার্লড। তাদের দাদাগিরিতে দুনিয়া চলে। তাই তাদের দাবি নিয়ে প্রশ্ন করার কেউ নেই। কিন্তু বাস্তব হলো "ফর দ্য পিপল" এর বাস্তবায়ন আজও সেখানে সম্ভব হয়নি। েশ্রনী বিভেদ সমাজে বিদ্যমান, সম্পদের সুষ্ঠ বন্টন নেই ও চামড়ার রং এখনও কোন কোন রাজ্যে সামাজিক অবসহানের ফ্যাক্টর বলে বিবেচিত। হায়রে গণতন্ত্র...........!!!!
আর বাংলাদেশের গণতন্ত্রের যে কি ভবিষ্যত ত া উপরওয়ালাই ভাল বলতে পারবেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মতামতের ভিত্তিতেই রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়া গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র। কথা হলো আমাদের দেশের কত শতাংশ মানুষ নিজেদের ভালো বুঝে ভোট দেন? কতজন মানুষ প্রাথর্ীর যোগ্যতা বিচার করে ভোট দেন? কতজন মানুষ অর্থের বিনিময়ে ভোট দেন? কতজন আবেগের বশে ভোট দেন? আর কতজন হুজুগে ভোট দেন? এটা নিয়ে একটা রিসার্চ করা যেতে পারে। বেশিরভাগ মানুষই মনে করেন অশিক্ষিত মানুষের ভোটে নির্বাচিত সরকার গণতান্ত্রিক হতে পারে না। অতীব চমৎকার বক্তব্য। তারিফ না করে পারা যায় না। আবার একটু খোঁজ নিয়ে দেখবেন যারা বলেন তারা নিজেরাই আবেগের বশবতর্ী হয়ে চোর-ছ্যাচ্চোড়কে ভোট দিয়ে আসেন। তখন নিশ্চয়ই গণতন্ত্রের আবিষ্কারক ওপারের দুনিয়াতে বসে মুচকি মুচকি হাসেন।
কে দেশ চালাবেন এটা বড় কথা নয়। দেশে নিয়ম-কানুন এমন হতে হবে যেন যেই ক্ষমতায় আসুক, দুর্নীতি ও নিয়মবহির্ভূত কোন কাজ করতে না পারেন সে ব্যবসহা থাকা উচিৎ। তাই দরকার সঠিক শাসনব্যবসহার খোঁজ বের করা।মসনদে কে আরোহন করল তার চেয়ে মসনদ কিভাবে পরিচালিত হবে, তা নিয়ে আমাদের বেশি চিন্তা করা উচিৎ।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মার্চ, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




