ঝর্না পাহাড় নদী সবুজের মায়া উপভোগ করতে অনেকেরই প্রথম চয়েজ বান্দরবন। আদীবাসিদের বড় একটি অংশের অবস্থান বান্দরবনে, এখানকার মানুষ গুলো খুবই সরল মনের ।

আমরা তাদের ভেতরের কান্না দেখতে পাইনা। প্রকৃতি প্রেমিদের সাথে এরা খুব হাসিখুশি ভাবে চলে । "আমিয়াখুম" দেখতে গিয়ে দুটি রাত কাটিয়েছিলাম যিনা পাড়ার মানুষদের সাথে । নরেন দাদার ঘরে অবস্তান কালে আমরা শুধুমাত্র পাহাড়ে পূর্নিমা উপভোগ করিনি । কথা বলেছিলাম যিনা পাড়ার বেশ কয়েকজনের সাথে । ভাগাভাগি করে নিলাম তাদের সুখ দুঃখের স্মৃতি।
পাহাড়ি মানুষ সাধারানত দোআহারি হয় । মানে তারা দিনে দু'বার খায় , এটা মুলত খাদ্যাভাবের কারনেই । জুম চাষ করে যে খাদ্য শষ্য তারা পায় তা দিয়ে দুবার খেয়েই বছর পার করা অনেক কষ্টকর । তার উপর দাদনের কাছ থেকে ধান চাল নিলে তা ফেরত দিতে হয় দ্বিগুন পরিমানে। সরকারি অনুদানের চাল বেশিরভাগই চলে যায় মেম্বার চেয়ারম্যনের পকেটে। তাই আমার অনুরোধ - যারা পাহারে ঘুরতে যাবেন সাধ্যমত সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিবেন। আমাদের আসাদ ভাই নরেনদাকে স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা করে দিয়েছিল , যেটা আমারা ব্যবহার করতে পেরেছিলাম ।

পাহাড়ে জন্মকালিন মৃত্যুর হার অনেক বেশি। সঠিক চিকিৎসার অভাবে সামান্য অসুখেই অনেক প্রান ঝরেযায় অকালে । তাছাড়া ঔষধ সংগ্রহ করাটাও কষ্টকর। আমরা সাথে করে ম্যালেরিয়া ডায়েরিয়া প্রাথমিক চিকিৎসার অনেক ঔষধ নিয়ে গিয়ে ছিলাম যেগুলো ফেরত আসার সময় পাড়ার হেডের কাছে বুঝিয়ে দিয়ে আসি ।
প্রকৃতিকে তার নিজের মত থাকতে দেয়াটাই উত্তম । সকলের কাছে বিনিত অনুরোধ শহুরে ভাব পাহাড়ে গিয়ে দেখাবেননা।
saving the environment , keep the place neat and clean - happy traveling
বান্দরবান নিয়ে আমার প্রথম পোস্টে - বিস্তারিত
পাহাড়ী কন্যা বান্দরবান








সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৩:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



