somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কিভাবে রাগকে কব্জায় আনবেন?

০৯ ই এপ্রিল, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শরীরের নানা অসুবিধায়, পুরনো/ক্রনিক অসুখ থাকলে রাগ হওয়া খুব স্বাভাবিক। শরীরের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে মন-খারাপ হতে পারে, অসহায় ও হতাশ (ডিপ্রেশন) লাগতে পারে। আপনি হয়ত নিজেকে প্রশ্ন করবেন, "কেন আমি?" ঠিকমত শরীরের যত্ন নেন নি বলে নিজের উপর আপনার রাগ হতে পারে। পরিবারের সবাই ঠিকমত দেখাশুনা করছে না বলে তাদের উপর রাগ হতে পারে। ডাক্তারের উপর রাগ হতে পারে যে তিনি আপনার সমস্যা ভালো করতে পারছেন না। মাঝেমাঝে দেখতে পারেন যে, আপনি অন্য জায়গায় রাগ দেখাচ্ছেন; হয়ত দেখবেন আপনি বিড়ালের সাথে চিল্লাচিলি্ল করছেন। যদি নিজে বুঝতে না পারেন যে আপনার ভেতরে রাগ হয়েছে তবে আপনি ভুল জায়গায় রাগ দেখাতে পারবেন।

আপনার রাগকে ম্যানেজ করতে হলে আগে আপনাকে স্বীকার করতে হবে যে আপনার রাগ করেছেন। আপনাকে ভেবে বের করতে হবে কিসের বা কার উপর আপনার রাগ হয়েছে। রাগটাকে ভালোভাবে প্রকাশ করতে হবে, তা নাহলে রাগ ভেতরে ভেতরে বাড়তে থাকবে। এতে অন্যদের মন খারাপ করে দিতে পারেন বা নিজের অবস্থার আরো ক্ষতি করতে পারেন। ভেতরে জমতে থাকা রাগ শুধু ফেটে বেরিয়ে এসে অন্যদের মনে আঘাত দেয় না এটা আপনার ভেতরে চাপা থাকতে পারে। এতে আপনার অসুখের অনেক লক্ষণ যেমন হতাশা (ডিপ্রেশন) বেড়ে যেতে পারে।

রাগকে কব্জায় আনা

1. কথা বলে রাগকে প্রকাশ করুন। অন্যদের ওপর দোষ চাপাবেন না এবং চেষ্টা করুন যাতে অন্যরা আঘাত না পায়। "তুমি" শব্দ ব্যবহার করে নিজের কথা না বলে "আমি" দিয়ে কথা বলুন। বন্ধু বা পরিবারের লোকেরা হয়তো সাহায্য করতে পারবে না। রাগ করার যদি যথেষ্ট কারণ থাকে তবুও কেউ রাগ করলে আমরা বেশিরভাগ লোক তার সাথে ভালভাবে কথা বলতে পারি না।

2. আপনার আশা বদলান। একেবারে ভাল হয়ে যাবেন এমন আশা আপনি করতে পারেন না। কিন্তু আশা করতে পারেন করতে ভাল লাগে এমন অনেক কাজ আপনি করতে পারবেন। আপনার অসুখ আরো খারাপ হয়ে যাওয়ার গতি কমাতে পারবেন এবং বেশি খারাপ হয়ে যাওয়া বন্ধ করতে পারবেন। যে 10% (পার্সেণ্ট) কাজ আপনি করতে পারছেন না তার কথা ভাববেন না, বাকি 90% যেটা আপনি পারছেন তার কথা ভাবুন।

3. নতুন কাজ করার মাধ্যমে রাগ কমান : নতুন শখ বা কাজ করতে শুরু করুন, যেমন লেখা, গান বা ছবি আঁকা। অনেকে এগুলি করে খুব ভাল (থেরাপিউটিক) ফল পান। আপনার ক্ষেত্রে এগুলো না খাটলে নিজের পছন্দমত কিছু কাজ ভেবে বের করুন। কেউ কেউ প্রার্থনা বা ইবাদত করেও উপকার পান।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রুবা

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮




রুবার সাথে আমার বিয়েটা ওঠ ছেড়ি তোর বিয়ের মতোই হয়েছে । একদম সাধারন কোনরকম অনুষ্ঠান নাই । সেইদিন অফিসে অনেক কাজ ছিলো । চোখে তারা ফারা দেখছিলাম । বসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রথম .........।

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪


আন্ডারগ্রাউন্ড শোতে এটাই আমার প্রথম ড্রামস বাজানোর একটা মুহূর্ত।

কিছু গল্প আসলে পরিকল্পনা করে শুরু হয় না।কিছু গল্প হঠাৎ করে একটা মুহূর্ত থেকে জন্ম নেয় আর তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

সমুদ্রের নীল খাম

লিখেছেন ডি এইচ তুহিন, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৪২


এই শহরে থাকি প্রায় সাতাশ-আটাশ বছর ধরে। তিন প্রেমিকার মায়া ছেড়ে যাওয়া যায় না এমন এক অদ্ভুত সুন্দর এই শহর। যার এক হাতে নদী, অন্য হাতে সমুদ্র, আর কপালে জায়গা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী দুঃশাসনের পতন অনিবার্য ছিল, জুলাই তো স্রেফ উছিলা মাত্র!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৮



জুলাই নিয়ে অনেক বিতর্ক, সমালোচনা আছে। কিন্তু, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে জুলাই গণঅভ্যূত্থান না হলে আমরা দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসন থেকে মুক্তি পেতাম না। জুলাই ঘিরে যত বিতর্ক, সমালোচনাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুমুখোচিন্তা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:১৬

সব মৃত্যু গণনায় আসে না। রাজনৈতিক সহিংসতার একটি পুরনো নিয়ম আছে। মৃত্যু সমান মৃত্যু নয়। কোনো মৃত্যু পত্রিকার প্রথম পাতায় যায়, কোনো মৃত্যু জয়পুরহাটেই থেকে যায়। এই বাছাইটা দৈবাৎ হয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×