এবারের ঈদে সড়কপথে ঈদ যাত্রা নিয়ে সবচেয়ে বেশি আতঙ্ক ছিল। ঢাকা-ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল-চট্টগ্রামের রাস্তা খারাপ হওয়ার কারণেই আতঙ্ক আরও বাড়ে। গুরুত্বপূর্ণ তিনটি মহাসড়কে চার লেনের কাজ চলায় রাস্তা ছিল বেহাল। শেষ পর্যন্ত যোগাযোগমন্ত্রীর কঠোর পরিশ্রমে অবিরাম ছুটে চলা মানুষকে স্বস্তিতে বাড়ি ফিরতে সহযোগিতা করেছে। দ্রুত রাস্তা সংস্কারের জন্য সড়ক ও জনপথের প্রকৌশলীদের ছুটি বাতিল করা হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রাস্তার কাজ শেষ না হলে শাস্তিরও হুমকি দিয়েছিলেন মন্ত্রী। কথাও রেখেছেন তিনি। বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা পরিদর্শনে গিয়ে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থাও নিয়েছেন।
সব মিলিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে রাস্তা মেরামত হয়েছে। যানজট নিরসনে পুলিশের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছিল নানামুখী পদক্ষেপ। হাতে টিকেট পেয়েও যানজটের যে শঙ্কা ঈদমুখো যাত্রীদের মনে ছিল আপাতত সেরকম কিছু না ঘটায় স্বস্তিতে আছেন যাত্রীরা। পরিবহন ব্যবসায়ীদের মুখেও হাসি। ১১ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে ২২ থেকে ২৪ তারিখের অগ্রিম টিকেট যাত্রীদের হাতে চলে গেছে। এখন নির্ধারিত সময়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা করছেন যাত্রীরা। শিডিউল অনুযায়ী সব বাস ছেড়ে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত যানজট না থাকায় ঠিক সময়েই ফিরতে পারছে বাসগুলো। যাত্রীদের সুবিধার্থে অতিরিক্ত ‘রিজার্ভ’ বাস রাখা আছে। মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে পারলে সকলের যাত্রা নির্বিঘ্ন করা সম্ভব হবে।লঞ্চটার্মিনালে যাত্রীদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে তৎপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নিরাপত্তার স্বার্থেই বাড়ানো হয়েছে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার সংখ্যা। বরাবরের মতো এবারও ঘরমুখী যাত্রীরা যাতে কোন ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। ঘরমুখো মানুষ আত্মীয় স্বজনদের সংগে গ্রামের বাড়ীতে হাসিমুখে নির্বিঘ্নে যাতে ঈদ উৎসব পালন করতে পারে সে উদ্দেশ্যেই সরকারের এমন ধরণের পদক্ষেপ।

সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


