
আজ শুক্রবার সকালে নিজের নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার সুন্দলপুর গ্রামে দলের স্থানীয় নেতা-কর্মী এবং সর্বস্তরের জনসাধারণের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, শেষ বেলায় দুটি পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করতে চাই। প্রথম পদ্মা সেতু নির্মাণে অর্থায়নের বিষয়ে সৃষ্ট জটিলতা অনেকটা কেটে গেছে। বিশ্বব্যাংকও এ বিষয়ে এরই মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছে। আর দ্বিতীয় সেতুটি নির্মাণে এককভাবে অর্থায়নে মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত গত বৃহস্পতিবার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘স্বার্থের কথা মাথায় রেখে কেউ যদি ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে থাকেন, তাহলে ভুল করবেন। ফুল দিয়ে কখনো ব্যক্তিগত স্বার্থ আদায় করা যাবে না।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীতকরণের কাজ এগিয়ে চলছে। সংশ্লিষ্টদের কাজের গুণগত মান ঠিক রেখে দ্রুত কাজ শেষ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমি কোনো দিনক্ষণ দিব না। যে কথা বলে কাজ করতে পারব না, সে কথা বলব না।’
স্থানীয় ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, লেখাপড়া করতে হবে। আওয়ামী লীগ করলে নেতা, মন্ত্রী হওয়া গেলেও সরকারি চাকরি পাওয়া যায় না।
সূএ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



