somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

চেংকু প্যাঁক
নাস্তিকরা বঁদড়ামি করবো আর আমি নিশ্চিন্তে বেহেশতে চইলা যাওয়ার ধান্দা করমু ! কক্ষনো না, বরং আমি এই কুলাংগার গুলারে জাহান্নাম পর্যন্ত ধাওয়া করমু, ওগো লগে জাহান্নামে ঢুকমু, ওগো আগুনের চাপাতি দিয়া কুপামু.......এর পরে আমার কইলজা ঠান্ডা হইবো।

"কাছে আসার সাহসী গল্পের" সবচেয়ে সফল নায়ক তাহসান অনেক মেয়ের কাছে মিছেমিছি অভিনয়ছলে আসলেও আসল স্ত্রীর কাছ থেকে সরে গেছেন।

২১ শে জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৩:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

"ধর্মনিরপেক্ষ" মিডিয়ার দুইটা ব্রেকিং নিউজ দিয়ে কথা শুরু করি।
.
২০০০ সালের দিকের ইয়াং জেনারেশান যারা বিদেশী মিউজিকের খবরাখবর রাখতেন, তারা লিংকিন পার্কের মেটাল - রক আর র‍্যাপের ফিউশানে মাথা দোলায়নি এমন লোক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। তাদের ভোকালিস্ট চেস্টার বেনিংটন মারা গেছেন। বয়স ছিল মাত্র ৪১। সুইসাইডাল কেইস। দীর্ঘদিন ধরে এলকোহল - ড্রাগসের পেরেশানিতে ছিলেন। মজার ব্যাপার হল, তিনি আত্নহত্যার লেসনটা নিয়েছিলেন আরেক মিউজিশিয়ানের কাছে যিনি (ক্রিস কর্ণেল) গত মে মাসে সুইসাইড করেছেন।
.
তাহসান - মিথিলা। অভিনয় আর সঙ্গীত দুই দিকেই সব্যসাচী এই দম্পতির ডিভোর্স হয়ে গিয়েছে। এক দশকের অধিক সময় ধরে সংসার। তাদের একটা মেয়ে সন্তানও ছিল।
.
.
সদ্য গ্রাজুয়েট শেষ করা একজন ছেলে কী চায়? রিটায়ারমেন্টের পরে নিজের একটা বাড়ি থাকবে। গাড়ি থাকবে। সুনসান নীরবতায় জীবনের শেষ সময়গুলো আরামে থাকবেন। এর জন্যেই তো সব মেহনত! বেনিংটন কিন্তু ৪১ বছর বয়সে এর চেয়েও বেশি উপার্জন করেছিলেন। এর পাশাপাশি পেয়েছেন সারা পৃথিবীর অনেক মানুষের ভালোবাসা।
.
"কাছে আসার সাহসী গল্পের" সবচেয়ে সফল নায়ক তাহসান অনেক মেয়ের কাছে মিছেমিছি অভিনয়ছলে আসলেও আসল স্ত্রীর কাছ থেকে সরে গেছেন। আমজনতা আর পাতি সেলিব্রিটির কাছে এরকম দম্পতির "কেমিস্ট্রি" বরাবরই ঈর্ষনীয়। লিভিং লিজেন্ড। কিন্তু তারপরেও শেষের শুরুটা আর টিকে নি। কত রমণী তাহসানকে হাজব্যান্ড হিসেবে পেতে ভিখারিনীর মত তাকিয়ে থাকত একটা সময়! মিথিলার কেন বিয়ে হয়ে গেল এজন্য কত ছেলে উপোস করেছে!
.
দেশের বা দেশের বাহিরের এই মানুষগুলোর জীবনে কিছুর অভাব ছিল না। অন্তত আমরা যেসব উপকরণের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করি। নিজের ইচ্ছায় নিষিদ্ধ কাজকেও সিদ্ধ করে নিই - তার প্রতিটা জিনিস এদের নখদর্পণে থাকার পরেও জীবনের শেষটা হয় ডিপ্রেশান দিয়ে। ডিভোর্স দিয়ে। সুইসাইড দিয়ে। আচ্ছা ভাই, কখনও কি শুনেছেন "হকপন্থী" কোন হুজুর গলায় ফাঁস লাগিয়ছেন? আমি শুনি নি।
.
মানুষ এলকোহলে কেন এডিক্টেড হয়? প্লে লিস্টে একটার পর একটা মিউজিক কেন চেইঞ্জ করে? সহজ উত্তর : দু:খ ভুলে থাকতে। সমস্যাটা এখানেই। দু:খটা আসলে কিসের সেটাই এদের জানা নেই। কারণ সম্মান, ক্ষমতা এবং অর্থ এর তিনটেই এদের কমতি নেই।
.
অভাবটা আসলে বস্তুর বাহিরে অন্যকিছু। দুনিয়ার সবকিছুর মালিক হয়ে গেলেও এই শূণ্যতা থেকেই যাবে। সেটা হল আল্লাহকে না পাওয়ার বেদনা। আল্লাহকে অন্তরে ধারণ না করতে পারার দু:খটা। কেবল আল্লাহর স্মরণ দ্বারা মুমিনের অন্তর প্রশান্ত হয়। সেজন্য আমরা দেখি না কোন হুজুর মনের দু:খ ভুলতে এশার নামাজের পরে মদের বারে ঢোক ঢোক করে মদ গিলছেন। বাসায় বউ রেখে একের পর এক মেয়ের সাথে ফ্লার্টিং করছেন। একটার পর একটা সিগারেট ধরাচ্ছেন। নিজের বউকে অন্য লোকের সাথে সরল বিশ্বাসে ছেড়ে দিয়েছেন। পরে যখন বিশ্বাস ভাঙলো তখন তালাকনামা পাঠাচ্ছেন।
.
যারা কেবল দুনিয়ার পিছনে ছুটে আল্লাহ তাদের দুনিয়া দিতেও পারেন নাও পারেন। দিলে একদম ভালোমত ভরে দেন। যাতে গলা উপচে পরে। কিন্তু একটা জিনিস কেড়ে নেন। সেটা হল মনের শান্তি। আল্লাহ যেখান থেকে তার রহমত তুলে নেন সেখানে শয়তান রাজ্য স্থাপন করে। আর আল্লাহর কাছে আখিরাত চাইলে আল্লাহ আখিরাতের নিয়ামত দেন। মনে শান্তি দেন। যে কারণে নিতান্ত ডাল ভাত খেয়েও আরামের ঘুম আসে। আল্লাহ খুশি হয়ে দুনিয়াও ঢেলে দিতে পারেন। যদিও সেটা মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল না।
@ মিসবাহ মাহিন
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৩:৩০
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য ঘাটতি : ভারসাম্যের লক্ষ্যে বাংলাদেশে উৎপাদন ও রপ্তানি কৌশল

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:০২


ভারত বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও নিকটতম বাণিজ্য অংশীদার। ভৌগোলিক নৈকট্য, দীর্ঘ সীমান্ত, পরিবহন সুবিধা এবং পরস্পর-নির্ভরশীল উৎপাদনব্যবস্থার কারণে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কের গুরুত্ব অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু এই... ...বাকিটুকু পড়ুন

//১৫ ই আগস্ট ১৯৭৫ ও জীবনের সমীকরণ//

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৫৯

নিশ্ছিদ্র পরিকল্পনার পর নিখুঁতভাবে তা মাঠ পর্যায়ে প্রয়োগ করা হলো, অতঃপর আশানুরূপ অথবা আশাতীত ফলাফলও এলো। আপাতদৃষ্টিতে সমীকরণের রাইট হ্যান্ড সাইড আর লেফট হ্যান্ড সাইট হয়ে পরলো কেমন যেন ভারসাম্যহীন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সম্ভবত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবেই তারেক রহমান ভারতে যাচ্ছেন....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:২৭

সম্ভবত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবেই তারেক রহমান ভারতে যাচ্ছেন, যদিও এখন পর্যন্ত সফরটি চূড়ান্ত হয়নি। বাংলাদেশের সম্মতি আদায়- এক্ষেত্রে বাংলাদেশের 'কচিকাঁচা কুটনৈতিকদের' হারিয়ে ভারতীয় 'প্রবীণ কুটনৈতিকরা' জয়ী হয়েছে।

শেখ হাসিনার আমলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর কারা মিষ্টি বিতরণ করেছিল?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:১৬


যদি কোনোদিন টাইম ট্রাভেল মেশিন আবিষ্কার হয়, পঁচাত্তরের ঘটনা নিজের চোখে দেখার চেষ্টা করতাম। সে সময় কিছু মানুষ মিষ্টি বিতরণ করেছিল বলে শোনা যায় । আমি তাদের কাছ থেকে মিষ্টি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:০২



আজ জাতীয় শোক দিবসের।
জাতির পিতাকে আজকের দিনে স্বপরিবারে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছিলো। আজ শেখ মুজিবের ৩২ নম্বরের ভাঙ্গা বাড়িতে একজন গিয়েছেন শ্রদ্ধা জানাতে। তার হাতে ফুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×