somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মানবতা, তরুণ প্রজন্ম ও ধর্মবিশ্বাস (শেষ পর্ব)

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
মানবতা, তরুণ প্রজন্ম ও ধর্মবিশ্বাসঃ নতুন করে ভাবতে হবে

মানবতা, তরুণ প্রজন্ম ও ধর্মবিশ্বাস (১ম পর্ব)


দুরারোগ্যে অাক্রান্ত একজন মানুষের জীবন বাঁচানোর চেয়ে একজন নারী, একটি শিশুকে ধর্ষণের হাত থেকে বাঁচানো কি কম গুরুত্বপূর্ণ?

ভাবুন তো একবার, একজন নাগরিকের মৌলিক অধিকারগুলোর নিশ্চয়তা করাটা কি রাষ্ট্রের দায়িত্ব নয়? ধরুন, একজন হতদরিদ্র মানুষ সুচিকিৎসার অভাবে মারা গেলো । শুধুমাত্র গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা কেনো, যেকোন রাষ্ট্রব্যবস্থায় এর দায়ভার কি রাষ্ট্রের উপর বর্তায় না? রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের মূল উদ্দেশ্যই হলো রাষ্ট্রের অন্তর্ভূক্ত সকল নাগরিকের সুরক্ষা, শান্তি ও মৌলিক অধিকারগুলো সুশৃঙ্খলভাবে নিশ্চয়তা ও বাস্তবায়ন করা । নাহলে কী দরকার ছিলো জনগণের রক্ত পানি করা কোটি কোটি টাকা দিয়ে সরকার গঠনের, মন্ত্রনালয় গঠনের? কী দরকার ছিলো সংবিধানের? কী দরকার ছিলো সামরিক-অাধাসামরিক বাহিনী গঠনের? কী দরকার ছিলো প্রশাসনের? কী দরকার ছিলো সরকারি বিভিন্ন অফিস-অাদালত, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরির? এককথায় কোনোকিছুরই দরকার ছিলো না । কিন্তু রাষ্ট্রগঠনের পেছনে মহৎ ও অত্যাবশ্যকীয় উদ্দেশ্য অাছে বলেই জনগণ রাষ্ট্রগঠন করেছে । শুধু রাষ্ট্র গঠন করেই ক্ষান্ত নয় জনগণ । রাষ্ট্র এমন একটি প্রতিষ্ঠান, যার অাওতাধীন অারো অসংখ্য ছোটবড় প্রতিষ্ঠান, সংগঠন রয়েছে এবং সবগুলোই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে চলে জনগণের টাকায় । কারণ রাষ্ট্র কোনো ব্যক্তিগত বা দলগত প্রতিষ্ঠান নয় ।


জনগণের রক্ত পানি করা টাকায় সরকারি মেডিকেল কলেজ, হাসাপাতালগুলো চলে । তাহলে কেনো ভালো চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের প্রাইভেট চেম্বারে যেতে হয়???

এখন দৃষ্টিপাত করা যাক, জনগণের টাকায় পরিচালিত জনগণের সেবার জন্য যেসকল সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে (যেমনঃ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি হাসপাতাল-মেডিকেল কলেজ, অাইন-অাদালত, পুলিশ প্রশাসন ইত্যাদি) সেগুলো অাজকের প্রেক্ষাপটে কতটুকুন জনগণের সেবার নিমিত্তে দায়িত্ব পালন করছে । শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ, চিকিৎসার বাণিজ্যিকীরণ, নিরাপত্তার বাণিজ্যিকীকরণ অর্থ্যাৎ সব ধরণের সেবা বাণিজ্যে পরিণত হয়েছে । মনে করুন, অাপনি অাপনার গাড়ির ড্রাইভার নিয়োগ করেছেন এবং ড্রাইভারকে ঠিকঠাক মাইনেও দেন । কিন্তু অাপনি যখন ড্রাইভারকে বললেন যে, অাপনি গাড়িতে চড়ে অফিসে যেতে চান তখন ড্রাইভার অাপনাকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বললো, “অাপনি অামার সাথে ব্যক্তিগত ভাবে যোগাযোগ করুন । সাথে অতিরিক্ত কিছু টাকা নিয়ে অাসেন । তাহলে অাপনাকে অামি গাড়িতে করে অফিসে পৌঁছে দিবো । অার যদি না নিয়ে অাসেন সার্ভিসিং তেমন একটা ভালো পাবেন না । অাধাঘন্টার পথ পাঁচঘন্টা লাগাবো ।" শুধু এতটুকুনই নয়, অাপনার নিয়োগ করা ড্রাইভার অাপনার সেবা না করে যেখানে বেশি টাকা পাচ্ছে সেখানে ভালো সার্ভিসিং দিচ্ছে । অাপনি অফিস ফাইল গুলো হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন অার অাপনার নিয়োগ করা ড্রাইভার অাপনারই গাড়ি নিয়ে চলে গেলো অন্য কারো কাছে যেখানে সার্ভিসিং-এর বিনিময়ে ভালো টাকা পাবে । অাপনি শেষ পর্যন্ত ভাড়া করে অফিসে গেলেন । এমতাবস্থায় অাপনার কেমন লাগবে? এ ধরনেরই কিন্তু এর চাইতে অনেকগুণ বেশি যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতির শিকার হচ্ছে জনগণ । এমনটাই হয়ে অাসছে অামাদের সাথে ।

'সবার জন্য শিক্ষা', ' সবার জন্য সুচিকিৎসা', 'সবার জন্য খাদ্য' এসব বর্তমান রাষ্ট্রব্যবস্থায় স্রেফ মুখরোচক কথা যদি নাই হবে তবে শিক্ষিত তরুণ প্রজন্মের একটা অংশ কেনো স্বেচ্ছাসেবার মাধ্যমে পথশিশুদের মৌলিক অধিকার নিশ্চয়তাকরণ, শীতার্ত মানুষদের পাশে দাঁড়ানো, দুস্থদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে? এগুলো কি রাষ্ট্রের দায়িত্ব ছিলোনা? এসব নিশ্চয়তার জন্য কি জনগণ তাদের রক্ত পানি করা শ্রমের টাকা ব্যয় করে রাষ্ট্রীয় সকল সেবামূলক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেনি?


তবে কেনো প্রয়োজন হচ্ছে ঐ গাড়ির মালিকের ন্যায় (যে নিজের গাড়ি ও নিয়োগকৃত ড্রাইভার থাকতে নিজের টাকায় ভাড়া করে অফিস গিয়েছিলো) নিজের টাকা খরচ করা? যেগুলোতে এককভাবে সামর্থ্য নেই সেগুলো নিশ্চয়তাকরণের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে কেনো ঘুরতে হচ্ছে, ভিখারীর ন্যায় জীবনযাপন করতে হচ্ছে? অথচ একজন ভিখারীর স্বচ্ছল জীবনযাপনের প্রতিশ্রুতি নিয়েই রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠন করা হয়েছিলো । সেখানে ভিখারী তো দূরের কথা, মধ্যবিত্তদেরই সুরক্ষা শান্তির জীবন নিশ্চয়তা দিতে ব্যর্থ বর্তমান রাষ্ট্রব্যবস্থা । তাই বলে ভাববেন না যে, অামি ব্যক্তিগতভাবে কাউকে দোষারোপ করছি । অামি না দোষ দিচ্ছি সরকারকে, না মন্ত্রীকে, না উপমন্ত্রীকে, না প্রশাসনকে, না পুলিশকে, না কাউকে । উপরোক্ত সবাই ব্যক্তিবিশেষে একজন মানুষ । অার একজন মানুষের পক্ষে কখনই সম্ভব নয়, সমস্ত রাষ্ট্রব্যবস্থার বিপক্ষে গিয়ে নিজের মতো করে রাষ্ট্র পরিচালনা করা । হোক রাষ্ট্রপতি, হোক প্রধানমন্ত্রী । খরস্রোতা ঢেউয়ের বিপক্ষে যেমন একা বেশিক্ষণ টিকে থাকা সম্ভব না, তেমনি অামাদের দেশে অনেক সৎ, নিঃস্বার্থ মানুষ থাকা সত্বেও কলুষিত সিস্টেমের বিপক্ষে থেকে কিছু করতে গিয়েও কিছু করতে পারছেনা ।

হয়তো এতক্ষণে বুঝতে পেরেছেন মূল সমস্যাটা অামাদের রাষ্ট্রব্যবস্থায় । কিন্তু সমস্যা কোন ধরণের এটা বোধগম্য হচ্ছে না । বোধগম্য না হওয়ায় তাই এতদূর এসে অামাদের বুদ্ধিজীবিমহল ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ বলেন, এদেশে গণতন্ত্রের চর্চা ঠিকঠাক মতো হচ্ছে না । গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয় নি । কিন্তু এসব বলে ছেঁড়া কাঁথায় অার কতদিন চলবে পট্টি-তালি দেয়া? কবে হবে কাঙ্খিত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা? মানবতা ও শান্তি যখন চূড়ান্তরূপে বিদায় নিবে পৃথিবী থেকে? না, অামি বলছিনা সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কথা, বলছিনা ইসলাম প্রতিষ্ঠার কথা । হঠাৎ করে নতুন কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থা চাপিয়ে দেয়া হবে বোকামির নামান্তর মাত্র । সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র যেটাই থাকুক না কেনো, অাপাতত অামাদের মূল সমস্যাটা তাত্তিকে নয়, সেই তত্ত্ব মানায় অর্থ্যাৎ নীতি-নৈতিকতায় । অামাদের নীতি-নৈতিকতার কতটুকুন পদস্খলন হয়েছে তা ভেঙ্গে বলার প্রয়োজন অাছে কি? একটা জাতি কতটুকুন নীতি - নৈতিকতায় অাছে তার প্রমাণ সেই জাতির দুর্নীতির পরিসংখ্যান । এর চাইতে বিশেষ কিছু প্রমাণের প্রয়োজন অাছে বলে অামার মনে হয় না । চন্দ্র-সূর্যের ন্যায় সত্য হলো মানুষ কোন যন্ত্র নয়, নয় কোনো প্রোগ্রাম করা রোবট, তাকে যাই বলা হবে তাই করবে । তাই অাইন-সংবিধানের ভয়ে মানুষকে অন্যায় থেকে বিরত রাখতে ব্যর্থ বর্তমান রাষ্ট্রব্যবস্থা । একের পর এক কঠিন থেকে কঠিনতর অাইন পাস করা হচ্ছে । কিন্তু সেই অাইনের প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন করা হলেও মানুষ খারাপ কাজ থেকে নিবৃত্ত তো হচ্ছেই না বরং দিনেদিনে বিভিন্নধরণের অপরাধ বেড়েই চলেছে । অাগেই বলেছি সমস্যাটা তাত্ত্বিকে নয়, নীতি-নৈতিকতায় । এখন প্রশ্ন হলোঃ এই নীতি-নৈতিকতা পাবো কোথায়? অবশ্যই ধর্মে । ইতিহাস সাক্ষী, যুগ যুগ ধরে কেবলমাত্র ধর্মই মানুষকে শিখিয়ে এসেছে সত্য মিথ্যা, ন্যায় অন্যায় ইত্যাদির মানদন্ড । ধর্মই শিখিয়েছে কিভাবে রাজ্য শাসন করতে হয়, কিভাবে মানবসেবা করতে হয় । কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক, ধর্মব্যবসায়ীর খপ্পরে পড়ে সত্য, সুবিমল, প্রশান্তিময় ধর্ম হারিয়ে ফেলেছে তার প্রকৃত সত্তা,রূপ,কার্যকারিতা । ফলে যে ধর্ম একসময় শান্তির সমার্থক শব্দ ছিলো সে ধর্মই কালক্রমে ধর্মব্যবসায়ীটির হাতে পড়ে কুসংস্কারে জর্জরিত হয়ে অশান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে । ফলে ধর্মকে রাষ্ট্র থেকে উৎখাত করে ব্যক্তিগত পরিসরে নিক্ষিপ্ত করে জন্ম দেয়া হয় ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রব্যবস্থার । রাষ্ট্রীয়ভাবে গুরুত্বহীন ধর্ম গুরুত্ব হারাতে হারাতে এমন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে, সেটা অাজ উৎসব-অাড়ম্বরতা ব্যতীত এলিট শ্রেণিটির কাছে তেমন কোনো গুরুত্বই পাচ্ছেনা বা পায় না । ধর্ম অাজ দরিদ্র, নিপীড়িত, অসহায় মানুষদের সান্ত্বনার শেষ অবলম্বন । কুসংস্কারে জর্জরিত ধর্মকে সংস্কার না করে রাষ্ট্রীয়ভাবে বর্জন করে ধর্ম হারিয়ে অামরা অাজ কী পেয়েছি? নিশ্চয় যতটুকুন পেয়েছি তা পূর্বের তুলনায় যথেষ্ট কম । হ্যা, অামাদেরকে অাবারও ধর্ম নিয়ে ভাবতে হচ্ছে । তবে এবার ধর্মকে রাষ্ট্র থেকে নির্বাসন দেয়ার জন্য নয়, বরং কুসংস্কারে জর্জরিত ধর্মকে সংস্কার করে তার প্রকৃত রূপ, জ্যোতি, সত্ত্বা রাষ্ট্র থেকে ব্যক্তি সবার সামনে উপস্থাপন করে ধর্মবিশ্বাসকে মানবতার কল্যাণে কাজে লাগাতে । এছাড়া অামাদের দ্বিতীয় কোন পথ খোলা নেই । অামাদের বিবেক-বুদ্ধি, নীতি-নৈতিকতার অধঃপতন তাই বলে । রাষ্ট্রব্যবস্থায় ধর্মকে টেনে অানা, তার মানে এইনা যে, নিদিষ্ট কোন ধর্মকে রাষ্ট্রীয় ধর্ম করা করতে হবে, কোরঅানের অাইন করা হবে ইত্যাদি ইত্যাদি । বরং ধর্মকে ধর্মব্যবসা, জঙ্গিবাদ, উগ্রতা, সাম্প্রদায়িকতার মতো কুসংস্কার থেকে সংস্কারের মাধ্যমে প্রকৃত ধর্ম ও ধর্মের শিক্ষাটা সবার সামনে উন্মােচন করতে হবে, প্রতিষ্ঠা করতে হবে ।

ধর্মবিশ্বাসকে প্রকৃত ধর্মের অালোকে রাষ্ট্রীয় কল্যাণে ব্যবহার করে তাহলে একসাথে অনেকগুলো সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে-

১. রাষ্ট্রব্যবস্থায় সংস্কারকৃত প্রকৃত ধর্মের প্রভাবে মানুষের মধ্যে অাবারো নীতি-নৈতিকতার বোধোদয় হবে এবং ধর্মের সান্নিধ্যে এসে সকল অন্যায়-অপরাধ থেকে মানুষ ধীরে ধীরে দূরে সরে যাবে এবং এ অবস্থা চলতে থাকলে এমন অবস্থার সৃষ্টি হবে যে, মানুষ অাজকে যেমন ভালো কাজ করাই ভুলে গেছে, সেদিন পাপ – অন্যায় করাই ভুলে যাবে । প্রকৃত ধর্মের অাশ্রয়ে মানুষের মধ্য হতে খুন, গুম, ধর্ষণ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, সহিংস রাজনীতি, দুর্নীতি, সেবার নামে ব্যবসা ইত্যাদি অন্যায়-অবিচার দূর হয়ে যাবে ।

২. ধর্ম বিশ্বাসকে পুঁজি করে অস্ত্রব্যবসায়ী ও ধর্মব্যবসায়ীরা অার জঙ্গিবাদ, অপরাজনীতির ন্যায় ভুল পথে প্রবাহিত করতে পারবেনা ।
৩. প্রকৃত ধর্মের সন্নিকটে এসে মানুষের মধ্যে সৃষ্টি হবে পরস্পরের প্রতি ভ্রাতৃত্ববোধ, মমতা, ভালোবাসা, স্নেহ, সম্মান । অর্থ্যাৎ জড়বাদী সভ্যতা থেকে মানুষ বেরিয়ে মানবসেবাপরায়ণ জাতিতে পরিণত হবে । রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের নাগরিকদের নিঃস্বার্থ সর্বাত্মক ভালো সেবা দেয়া প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের কাছে ধর্মীয় দায়িত্বে পরিণত হবে । অার রাষ্ট্রের প্রতি সম্মান রেখে স্বেচ্ছায় অানুগত্য প্রকাশ করবে রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত নাগরিকগণ । এসবই প্রকৃত ধর্মের শিক্ষা ।

সেদিন একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর দুরারোগ্য চিকিৎসার ব্যয়ভার মিটাতে কিছু সংখ্যক তরুণ ছাত্রদের অার মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হবেনা । জনগণের জন্য নিবেদিত রাষ্ট্রব্যবস্থা অার রাষ্ট্রের শান্তির জন্য নিবেদিত জনগণ - এ দুই মিলে অাামাদের দেশকে স্বর্গরাজ্যে পরিণত করবে । এটা কোনো তাত্ত্বিক কথা নয়, এটাই বাস্তব ইতিহাস । সনাতন ধর্ম ভারতবর্ষকে রামরাজত্বে পরিণত করেছিলো, ইসলাম মধ্যপ্রাচ্যেকে এনে দিয়েছিলো স্বর্নযুগে । এমন করে স্রষ্টার দেয়া প্রতিটি ধর্মই শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছিলো । তাই অাবারও অামাদেরকে প্রকৃত ধর্ম নিয়ে ভাবার সময় এসেছে । যত তাড়াতাড়ি অামরা প্রকৃত ধর্মের গুরুত্বটা বুঝতে পারবো, অামাদের জন্য ততই মঙ্গল ।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:২৬
৫টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Somewhereinblog.net: বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজ থেকে ডিজিটাল পাবলিশিং এ পরিনত করে সাবলম্বি করার লক্ষ্যে একটি খসড়া প্রস্তাবনা ।

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯


একজন নিয়মিত ব্লগার হিসেবে প্রতিদিনই লক্ষ্য করি, Somewhereinblog.net (সামু) বাংলা সাহিত্য, অভিজ্ঞতা ও তথ্যভিত্তিক লেখার এক বিশাল আর্কাইভে পরিণত হয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে একটি কঠিন বাস্তবতাও সামনে এসেছে সোশ্যাল মিডিয়ার... ...বাকিটুকু পড়ুন

অটো কে বন্ধ করা যাবে না।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫১




অনেক দিন আগের কথা। ২০১৫ সালের ঘটনা। তখন আমি মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়ায় থাকি এবং অনার্সে পড়াশোনা করি। পড়তাম পাশের উপজেলা সোনারগাঁওয়ের সোনারগাঁও সরকারি কলেজে। প্রতিদিন কলেজে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম ছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

পদ্মা ব্যারাজের ডিজাইনার : খাল বাবা স্বয়ং

লিখেছেন অপলক , ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৮

আসন্ন বিসিএস পরীক্ষার কমন প্রশ্ন ফাঁস করে দিলাম। পদ্মা ব্যারাজের ডিজাইনার মহাপ্রতিভাবান খাম্বা/খাল বাবা। তিনি HSC ডিগ্রীধারী হলেও তার প্রতিভা আকাশচুম্বী। রবিঠাকুর বা নজরুলের সাথে তার কোন তুলনা হয় না।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগ ডেভেলপমেন্টে করণীয় কি?

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৪৬



গত কয়েক বছর ধরে সামহোয়্যারইন ব্লগ সহ দেশের সকল পত্রিকা ও টিভি চ্যানলে রাজনৈতিক লেখা বেশি আসছে যা সকলের কাছে ভালো লাগার বিষয় না। রাজনীতি ভালো লাগবে শুধুমাত্র জেনজি’দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফ্যাসিবাদ মোকাবেলায় এআই প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সরকার

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৫৬


ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করা গেছে, কিন্তু পুরোপুরি নির্মূল করা যায়নি। অন্তত প্রযুক্তির দিকে তাকালে এমনটাই মনে হচ্ছে। যে আওয়ামী লীগ এতদিন মানুষের ভোট, মতামত, রাজপথ, রাষ্ট্রযন্ত্র সবকিছুর ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×