এ যাত্রা যেন তীরহারা কোন আহত জাহাজীর গন্তব্য না পাওয়ার হতাশার দীর্ঘশ্বাস,
দেখা হয়েছিল,কোন এক আষাঢ়ের ঘন বরষার শুক্লপক্ষের নাতিশীতোষ্ণ দিনে।
আমি যেন এক ক্লান্ত প্রাণ,অনেক পরিচিত কোন এক নগরী
এ রাস্তাযেন মোর চিরচেনা,হেঁটেছি অনেকটাকাল
দুপাশে কদমগাছ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে,শেষ সন্ধার মৃদুবাতাস
স্পর্শকরছে যেন কদমফুলগুলোকে,তার-গন্ধে মুখরিত চারিদিক
মৃদুবাতাসের ছটায়,তোমার সাজানো চুলগুলি যেন দিগন্ত ছুঁই ছুঁই
এযেন কোন হিমালয় কন্যার ধরায় আবির্ভাব
চারিদিক যেন নিস্তব্ধ নিঃশ্চুপ
দেখতে যেন মোর কল্পনার স্ফুলন।
কথা হয়নি প্রাণ-খুলে,তবুও বলেছি খানিকক্ষণ
তোমার নিশ্চুপ চাহনির মানে আমি আজও বুঝিনি!
শুধু অপলক দৃষ্টিতে,শুধু চেয়েছিলাম।
তোমার অ-কৃত্রিম হাসির ফোয়ারার মাঝে কি লুকিয়েছিল তা আমার আজও আজানা,
তবুও বিশ্বাস করতাম,তুমি মোরে ভালোবাসো
না জানি তোমার সাথে মোর জন্ম-জন্মান্তরের পরিচয়
হে দীপ্তিময়,
যা পেয়েছি তা তোমারি,যা দিয়েছি তা-ও তোমারি
কিন্তু যবনিকা ছিল অপ্রত্যাশিত
ভেবনা এ মোর প্রাপ্য ছিল,
তোমার দন্ডে,হৃদপিন্ডটা যেন নীলাভ বর্ণ ধারন করেছে
চাইলেই দিতে পারতাম আগ্নেয়গিরিরি আগ্নুতপাতের লাভার লেলিহান শিখার স্পর্শ;
তাই এই বিপ্লবী মন আজ বিদ্রোহী হয়ে বলে তুমি আমার।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



