আমরা কে মানুষকে মহান আল্লাহ পাক উনার যমীনে চলাচল করতে বাধা দেয়ার? যাদেরকে হালাল কামাই করার জন্য ঘর থেকে বের হতে বাধা দিচ্ছে, তাদের রিযিকের ব্যবস্থা কি হরতালকারীরা নিয়েছে?
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, তোমরা যমীনে ফাসাদ সৃষ্টি করোনা। হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়কে অনুসরণ করবে সে তাদেরই দলভুক্ত বলে গণ্য হবে। ইসলামের নামে ‘হরতাল’করা সম্পূর্ণই হারাম। কারণ হরতালের কারণে একদিক থেকে যমীনে ফিৎনা-ফাসাদ সৃষ্টি হয়; আরেক দিক থেকে বিধর্মীদের নিয়ম-নীতি অনুসরণ করা হয়। তাই প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- যমীনে ফিৎনা-ফাসাদ সৃষ্টিকারী ও বিজাতীয় নীতি হরতাল পালন করা থেকে বেঁচে থাকা।
বিস্তারিত এখানে
যদি মুসলমানই হয়ে থাকি, তবে একজন লোক যে গাড়ি চালিয়ে, দোকান চালিয়ে হালাল কামাইয়ের চেষ্টা কর, তবে কি করে তার কামাইয়ের একমাত্র গাড়ি বা দোকান পুড়িয়ে দিতে পারি! এতে কি হক্কুল ইবাদ নষ্ট হচ্ছে না? ভাই, নিজের খারাপ চেহারাটাকে ঢাকার জন্য কি ইসলামকে মুখোশ হিসেবে ব্যবহার না করলে চলে না?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



