
অথবা: তাহলে প্রবণতা স্থির কোথায় ? এটা কি চঞ্চল নাকি কোথাও বন্দী রাখা সম্ভব।
পৃথক: অবশ্যই বন্দী রাখা সম্ভব। দিনের আলোতে একক সূর্য্যকে ঘিরে সে রচনা করেছে তার সমস্ত জগৎ, সমস্ত ভাবনা,সমস্ত কামনার উৎস এবং সপেছে তার প্রবণতার সকল আর্তি; সেই তো বন্দী করতে পেরেছে। প্রবণতা সেখানেই পরাস্ত। এমনিভাবেই গড়ে উঠেছে মানব সভ্যতা, বিবাহ বন্ধন বা ভালোবাসাবাসি।
ধুম্রের কথায় -
এসো ভালোবাসি ভালোবাসা মোর
ভালোলাগে বলে সপিয়া আপনারে
রচি বাসর ঐ স্বপ্নীল নিলয়ে
তব যাচনার প্রেম স্পর্শে
জাগ্রত হতে চাই পুনঃপুনঃ ছন্দে
কামনার যতরূপ প্রকাশিয়া ভিন্নরূপ
ধার মাগি মহাকালে ক্ষণকালের তরে।
অথবা: ধুম্রের কথার সাথে তোমার চিন্তার কিছুটা অমিল আছে। আমার মনে হয় ধুম্রের চিন্তাকে তুমি কৌশলে পাশ কাটিয়ে গেছো।
পৃথক: কেমন করে ?
অথবা: যে দিনকে ভালোবাসে সে একক সূর্য্যকে সপে পায় চরম তৃপ্তি, পরম নিশ্চয়তা। পবিত্রতার প্রলেপে দিনে দিনে হয়ে উঠে সতী সাধ্বী। কিন্তু তুমি কি জানো কোন গভীর রাতে ঘুম ভাঙলে সেও কিন্তু তাকিয়ে থাকে আকাশের তাঁরার দিকে অথবা চাঁদনী রাতে জানালা খুলে অবগাহন করে জ্যোৎস্নার আলোতে, অবচেতন মনে কখনও কখনও হারিয়ে যায় দূরাকাশের তাঁরার কাছে। কখনও দূরেই থাকে, কখনও আঁচল তলে আবার কখনও বিছানায় সে আলো লুটোপুটি খায়। মনের সাধ বা কামের নাটকীয়তা অথবা আপন সৌন্দর্যের অহমিকা অথবা দূর্বলতা তাকে সহজেই নিয়ে আসে মর্ত্যের মায়ায়। প্রবণতা যেখানে আবার জয়ী হয়।
পৃথক: চমৎকার বলেছো। আমি এ সত্যটুকু জানতাম কিন্ত মানতাম না। আজ মানলাম। আজ বুঝেছি ধুম্র কেনো পুনঃ পুনঃ জাগ্রত হতে চেয়েছে, কেনো প্রতিনিয়ত বা অবিরত বলেনি। কেনো মহাকাল থেকে ভালোবাসার জন্য ক্ষণকাল ভিক্ষা করেছে তাও ধার চেয়েছে। কারণ ভালোবাসার সত্যটুকু ক্ষণস্থায়ী বাকী সব প্রবণতার হাতে জিম্মি।
অথবা: তাহলে প্রবণতা স্থির কোথায় ? এটা কি চঞ্চল নাকি কোথাও বন্দী রাখা সম্ভব।
পৃথক: অবশ্যই বন্দী রাখা সম্ভব। দিনের আলোতে একক সূর্য্যকে ঘিরে সে রচনা করেছে তার সমস্ত জগৎ, সমস্ত ভাবনা,সমস্ত কামনার উৎস এবং সপেছে তার প্রবণতার সকল আর্তি; সেই তো বন্দী করতে পেরেছে। প্রবণতা সেখানেই পরাস্ত। এমনিভাবেই গড়ে উঠেছে মানব সভ্যতা, বিবাহ বন্ধন বা ভালোবাসাবাসি।
ধুম্রের কথায় -
এসো ভালোবাসি ভালোবাসা মোর
ভালোলাগে বলে সপিয়া আপনারে
রচি বাসর ঐ স্বপ্নীল নিলয়ে
তব যাচনার প্রেম স্পর্শে
জাগ্রত হতে চাই পুনঃপুনঃ ছন্দে
কামনার যতরূপ প্রকাশিয়া ভিন্নরূপ
ধার মাগি মহাকালে ক্ষণকালের তরে।
অথবা: ধুম্রের কথার সাথে তোমার চিন্তার কিছুটা অমিল আছে। আমার মনে হয় ধুম্রের চিন্তাকে তুমি কৌশলে পাশ কাটিয়ে গেছো।
পৃথক: কেমন করে ?
অথবা: যে দিনকে ভালোবাসে সে একক সূর্য্যকে সপে পায় চরম তৃপ্তি, পরম নিশ্চয়তা। পবিত্রতার প্রলেপে দিনে দিনে হয়ে উঠে সতী সাধ্বী। কিন্তু তুমি কি জানো কোন গভীর রাতে ঘুম ভাঙলে সেও কিন্তু তাকিয়ে থাকে আকাশের তাঁরার দিকে অথবা চাঁদনী রাতে জানালা খুলে অবগাহন করে জ্যোৎস্নার আলোতে, অবচেতন মনে কখনও কখনও হারিয়ে যায় দূরাকাশের তাঁরার কাছে। কখনও দূরেই থাকে, কখনও আঁচল তলে আবার কখনও বিছানায় সে আলো লুটোপুটি খায়। মনের সাধ বা কামের নাটকীয়তা অথবা আপন সৌন্দর্যের অহমিকা অথবা দূর্বলতা তাকে সহজেই নিয়ে আসে মর্ত্যের মায়ায়। প্রবণতা যেখানে আবার জয়ী হয়।
পৃথক: চমৎকার বলেছো। আমি এ সত্যটুকু জানতাম কিন্ত মানতাম না। আজ মানলাম। আজ বুঝেছি ধুম্র কেনো পুনঃ পুনঃ জাগ্রত হতে চেয়েছে, কেনো প্রতিনিয়ত বা অবিরত বলেনি। কেনো মহাকাল থেকে ভালোবাসার জন্য ক্ষণকাল ভিক্ষা করেছে তাও ধার চেয়েছে। কারণ ভালোবাসার সত্যটুকু ক্ষণস্থায়ী বাকী সব প্রবণতার হাতে জিম্মি।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





