আমাদের সমাজের পিতা-মাতারা যদি পাশ্চাত্যের পিতা-মাতার শেষ বয়সের করুণ পরিণতি দেখতেন, তাহলে আজীবন প্রত্যেক সালাতের পর দু রাকাত নফল আদায় করতেন, কদমে কদমে স্রষ্টার শোকর আদায় করতেন, শুধু পাশ্চাত্যে জন্মান নি বলে।
কী যাতনা-ই না পোহায় পাশ্চাত্যবাসীরা! যখন বুড়ো বয়সে আপন সন্তানাদি ফেলে চলে যায়, বৃদ্ধরা কাউকে না পেয়ে কুকুর পালে, একাকীত্ব ঘুচাতে। দুটো কথা বলার জন্য না থাকে কোনো বন্ধু-বান্ধব, না থাকে প্রতিবেশীর সাথে পরিচয়। দেখা যায়, একটা কুকুর নিয়ে হাটে আর এর সাথে কথা বলে। ঘরে এলে টিভি আর কুকুর ছাড়া কিছুই নেই! কমজোর দেহ টেনে টেনে নিজেকেই সদাই পাতি করতে হয়, খানা-দানার আন্জাম করতে হয়।
অধিকাংশ মানুষের মৃত্যুকালে আত্মীয়-স্বজন তো দূরে থাক, কফিনের চারপাশে ধরার মতো চারজন মানুষ রেখে যেতে পারে না। তাইতো তাদের মাঝে একটা প্রবাদ আছে- "বন্ধুরা আসে জীবদ্দশায় এনজয় করতে; আর আত্মীয়রা আসে মরার পরে সম্পদ নিতে"।
যখন শোনা যায়, একজন লোক ফ্ল্যাটের ভেতরে মরে পড়ে থাকতে থাকতে পঁচে গেছে, অতঃপর দুর্গন্ধ পেয়ে প্রতিবেশীরা পুলিশে কল দিলে লাশ নিয়ে মাটি দেয়, আফসোস লাগে। কী মর্মান্তিক উপসংহার তাদের!
☆কিছু নিয়ামত অর্জন করা যায় না, অর্পণ করা থাকে।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ ভোর ৬:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




