প্রায়ই একটা কথা শুনি, "পলিমাটির অঞ্চল বাংলাদেশের মানুষের হৃদয় খুবই কোমল। ধর্মকর্ম খুব বেশি না করলেও ধর্মীয় অনুভূতি নাকি খুবই সজীব"।
বাস্তবতার সাথে মিলাতে গিয়ে দেখি, আসলেই সত্য।
>>সিনেমা যতই অশ্লীল হোক, রিলিজ হবে, "পবিত্র ঈদ" উপলক্ষে! শুক্রবার দেখে সিনেমার মহরত (!) অনুষ্টিত হয়!
সিনেমার স্ক্রিপ্টের শুরুতে "বিসমিল্লাহ' আর শেষে "খোদা হাফেয" থাকবেই।
>>ফ্যাশন শো'র নামে দেহ-প্রদর্শন হোক কিংবা মিউজিক কনসার্ট'র নামে যৌন সুড়সুড়ির মঞ্চ হোক, আয়োজন কিন্তু "পবিত্র ঈদ" উপলক্ষে!!!
>>ভিসিডির দোকানে লুকিয়ে "পর্ন-সিডি" বিক্রি করলেও নাম দেবে 'শাহজালাল ভিডিও সেন্টার" আর সকালটা শুরু করবে, "কারী আব্দুল বাসিত"র তেলাওয়াত দিয়ে!!
>>হোটেলে "নারী-ব্যবসা" করলেও নাম দেবে, "হোটেল আল মদিনা"!!
>>গরুর বদলে মহিষ, ছাগলের বদলে কুকুর খাওয়ালেও দেখবেন, রেস্টুরেন্টের দেয়ালে "আয়াতুল কুরসি"র ওয়ালম্যাট!!!
>>ফার্মেসির আড়ালে মাদক বিক্রি করলেও নাম দেবে, "আশরাফিয়া দাওয়াখানা"!!!
আরো কত্তো যে ধর্মানুভূতি জাতির পরতে পরতে!
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




