somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ঠিক ঐ পাকিস্তানেরই ড. আফিয়া সিদ্দিকী..!

১২ ই অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ১০:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঠিক ঐ পাকিস্তানেরই ড. আফিয়া সিদ্দিকী..!
মালালার শান্তিতে নোবেল প্রাপ্তি কেন জানি বারবার ড. আফিয়া সিদ্দিকীকে মনে করিয়ে দিচ্ছে ;-(

যেই মেয়েটা সারা বিশ্বে তার অকল্পনীয় প্রতিভা দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছিলো প্রায়, সেই মেয়েটিকে সইতে হলো সিমাহীন নির্যাতন আর নিপীড়ন, ইহুদীবাদী ষডযন্ত্রে হারিয়ে গেলো কালের আবর্তে. তার অপরাধ ছিলো একটাই 'তালেবানদের প্রতি সহানুভূতিশীল',, পাকিস্তানের ISI কর্তৃক যাকে তুলে দেয়া হয়েছিলো মার্কিন নরপিচাশদের হাতে.. মালালা নাটকের সবটুকুও ISI ভাল করেই জানে..

নোবেল পিস পুরস্কার নিয়ে নিচের লেখাটুকু পড়লেই আশা করি সব রহস্যের জট খুলে যাবে..

যার পাওয়ার কথা অস্কার, (সুনিপুন অভিনেত্রী হিসেবে) সে পেল নোবেল পুরস্কার!!!
তাও আবার শান্তিতে !!! কেন সেটা বলছি কারণটা শেষে লিখবো।

সব নোবেল পুরস্কারের ঘোষণা আসে সুইডেনের স্টকহোম থেকে। কিন্তু শুধু নোবেল শান্তি পুরস্কারের ঘোষণা আসে নরওয়ের অসলো থেকে। সম্পূর্ণ আলাদা একটি কমিটি ঠিক করে দেয় কে পাবে শান্তিতে নোবেল। আর এখানেই হয় বিশ্বের সবচেয়ে কুটিল ও স্বার্থের রাজিনীতি।

১৯৯৪ সাল... নোবেল শান্তি পুরস্কার পায় তিনজন। ফিলিস্তিনের ইয়াসির আরাফাত, ইসরায়েলের ইযহাক রাবিন, শিমন পেরেজ। যে ইয়াসির আরাফাত পশ্চিমাদের চোখে সন্ত্রাসী ছিল, তাকে হঠাৎ নোবেল দেওয়া হল!! কেন?
ইসরাইল জোর করে যে ফিলিস্তিন দখল করেছিল, এর প্রেক্ষিতে সৃষ্ট দু’পক্ষের মধ্যে গণ্ডগোল কমিয়ে শান্ত করার উদ্দেশ্যেই আরাফাতকে নোবেল হাতে ধরিয়ে দেওয়া হল। ব্যালান্স তৈরির জন্য দেওয়া হল ইসরাইলেরও দু’জনকে। এরপর জোর করে ইসরাইল-ফিলিস্তিনের মধ্যে চুক্তি করে দেওয়া হল- অসলো চুক্তি। ব্যস, সব ঠাণ্ডা। মাঝখান থেকে লাভের লাভ ইসরাইলের জোর করে দখল করে নেওয়া ফিলিস্তিনের সেই ভু-খন্ড।

১৯৭৮ সাল... শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পায় মিশরের আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের মেনাশিম বেগিন যৌথভাবে। কারণ আর কিছু না। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার এই দুজনকে ডেকে নিয়ে এসে জোর করে একটা চুক্তি করায়- বিখ্যাত বা কুখ্যাত ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি। বিনিময়ে আনোয়ার সাদাতের হাতে ধরে দেওয়া হয় শান্তিতে নোবেল। মিশর তখন ছিলো মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ। ব্যস, মিশর তারপর থেকে ইসরাইলের বিরুদ্ধে ঠাণ্ডা।

২০০৬ সাল... আমাদের ইউনুস সাহেব জড়িত সুদের সাথে আই মিন অর্থনীতির সাথে। অথচ তাকে দেওয়া হল শান্তিতে নোবেল। এমন একটা সময় দেওয়া হল যখন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অবস্থা অস্থিতিশীল, প্রধান দুই দলের মধ্যে বিরোধ। দু নেত্রীকে সরাতে মাইনাস টু ফরমলা এপ্লাই করতে হলে তৃতীয় কোন শক্তিকে নিয়ে আসতে হবে। দেওয়া হল ড. ইউনুসকে নোবেল। দেশের পরবর্তী অবস্থা তো সবাই জানে। হঠাত্‍ করে ড. ইউনুসের রাজনৈতিক কথাবার্তা সবকিছুই স্পষ্ট করে দেয়! কিন্তু দুর্ভাগ্য! বাংলার জনগন গ্রামিন ব্যাংকের সুদের টাকায় ভাগ বসালেও রাজনীতির মাঠে হাসিনা-খালেদা ছাড়া অন্য কারো পাতে ভাগ বসাতে রাজি হলো না!!
--
এবার আসি আজকে শান্তিতে নোবেল পাওয়া মালালা প্রসঙ্গে।
যে কারণে মালালাকে নোবেল দেওয়া হয়, সেটাও ছিল সাজানো নাটক। মালালার ওপর কোন হামলাই হয়নি। উত্তর ওয়াজিরিস্তানে আক্রমণের একটা কারণ তৈরি করার জন্য পুরো ঘটনাটি পাকিস্তান গোয়েন্দা সংস্থা ISI ও মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা CIA এর মাধ্যমে সাজানো হয়েছিল।
মালালা অভিনয় করল...
উত্তর ওয়াজিরিস্তানে আক্রমণ হল...
বিনিময়ে মালালাকে দেওয়া হল শান্তিতে নোবেল !!!!

পাকিস্তানের একজন নোবেল পেল, ভারত আবার নাখোশ হবে। ব্যালান্স তৈরির জন্য ভারতের কৈলাস বাবুর হাতেও যৌথভাবে ধরিয়ে দেওয়া হল নোবেল।

ব্যাস, পাকিস্তান খুশি, ভারত খুশি, আর মালালাকে ব্যবহার করে পশ্চিমাদের এজেন্ডাগুলোরও বাস্তবায়ন হয়ে গেল। এরই নাম নোবেল রাজনৈতিক পুরস্কার থুক্কু নোবেল শান্তি পুরস্কার...
মালালার শান্তিতে নোবেল প্রাপ্তি কেন জানি বারবার ড. আফিয়া সিদ্দিকীকে মনে করিয়ে দিচ্ছে ;-(

যেই মেয়েটা সারা বিশ্বে তার অকল্পনীয় প্রতিভা দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছিলো প্রায়, সেই মেয়েটিকে সইতে হলো সিমাহীন নির্যাতন আর নিপীড়ন, ইহুদীবাদী ষডযন্ত্রে হারিয়ে গেলো কালের আবর্তে. তার অপরাধ ছিলো একটাই 'তালেবানদের প্রতি সহানুভূতিশীল',, পাকিস্তানের ISI কর্তৃক যাকে তুলে দেয়া হয়েছিলো মার্কিন নরপিচাশদের হাতে.. মালালা নাটকের সবটুকুও ISI ভাল করেই জানে..

নোবেল পিস পুরস্কার নিয়ে নিচের লেখাটুকু পড়লেই আশা করি সব রহস্যের জট খুলে যাবে..

যার পাওয়ার কথা অস্কার, (সুনিপুন অভিনেত্রী হিসেবে) সে পেল নোবেল পুরস্কার!!!
তাও আবার শান্তিতে !!! কেন সেটা বলছি কারণটা শেষে লিখবো।

সব নোবেল পুরস্কারের ঘোষণা আসে সুইডেনের স্টকহোম থেকে। কিন্তু শুধু নোবেল শান্তি পুরস্কারের ঘোষণা আসে নরওয়ের অসলো থেকে। সম্পূর্ণ আলাদা একটি কমিটি ঠিক করে দেয় কে পাবে শান্তিতে নোবেল। আর এখানেই হয় বিশ্বের সবচেয়ে কুটিল ও স্বার্থের রাজিনীতি।

১৯৯৪ সাল... নোবেল শান্তি পুরস্কার পায় তিনজন। ফিলিস্তিনের ইয়াসির আরাফাত, ইসরায়েলের ইযহাক রাবিন, শিমন পেরেজ। যে ইয়াসির আরাফাত পশ্চিমাদের চোখে সন্ত্রাসী ছিল, তাকে হঠাৎ নোবেল দেওয়া হল!! কেন?
ইসরাইল জোর করে যে ফিলিস্তিন দখল করেছিল, এর প্রেক্ষিতে সৃষ্ট দু’পক্ষের মধ্যে গণ্ডগোল কমিয়ে শান্ত করার উদ্দেশ্যেই আরাফাতকে নোবেল হাতে ধরিয়ে দেওয়া হল। ব্যালান্স তৈরির জন্য দেওয়া হল ইসরাইলেরও দু’জনকে। এরপর জোর করে ইসরাইল-ফিলিস্তিনের মধ্যে চুক্তি করে দেওয়া হল- অসলো চুক্তি। ব্যস, সব ঠাণ্ডা। মাঝখান থেকে লাভের লাভ ইসরাইলের জোর করে দখল করে নেওয়া ফিলিস্তিনের সেই ভু-খন্ড।

১৯৭৮ সাল... শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পায় মিশরের আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের মেনাশিম বেগিন যৌথভাবে। কারণ আর কিছু না। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার এই দুজনকে ডেকে নিয়ে এসে জোর করে একটা চুক্তি করায়- বিখ্যাত বা কুখ্যাত ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি। বিনিময়ে আনোয়ার সাদাতের হাতে ধরে দেওয়া হয় শান্তিতে নোবেল। মিশর তখন ছিলো মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ। ব্যস, মিশর তারপর থেকে ইসরাইলের বিরুদ্ধে ঠাণ্ডা।

২০০৬ সাল... আমাদের ইউনুস সাহেব জড়িত সুদের সাথে আই মিন অর্থনীতির সাথে। অথচ তাকে দেওয়া হল শান্তিতে নোবেল। এমন একটা সময় দেওয়া হল যখন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অবস্থা অস্থিতিশীল, প্রধান দুই দলের মধ্যে বিরোধ। দু নেত্রীকে সরাতে মাইনাস টু ফরমলা এপ্লাই করতে হলে তৃতীয় কোন শক্তিকে নিয়ে আসতে হবে। দেওয়া হল ড. ইউনুসকে নোবেল। দেশের পরবর্তী অবস্থা তো সবাই জানে। হঠাত্‍ করে ড. ইউনুসের রাজনৈতিক কথাবার্তা সবকিছুই স্পষ্ট করে দেয়! কিন্তু দুর্ভাগ্য! বাংলার জনগন গ্রামিন ব্যাংকের সুদের টাকায় ভাগ বসালেও রাজনীতির মাঠে হাসিনা-খালেদা ছাড়া অন্য কারো পাতে ভাগ বসাতে রাজি হলো না!!
--
এবার আসি আজকে শান্তিতে নোবেল পাওয়া মালালা প্রসঙ্গে।
যে কারণে মালালাকে নোবেল দেওয়া হয়, সেটাও ছিল সাজানো নাটক। মালালার ওপর কোন হামলাই হয়নি। উত্তর ওয়াজিরিস্তানে আক্রমণের একটা কারণ তৈরি করার জন্য পুরো ঘটনাটি পাকিস্তান গোয়েন্দা সংস্থা ISI ও মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা CIA এর মাধ্যমে সাজানো হয়েছিল।
মালালা অভিনয় করল...
উত্তর ওয়াজিরিস্তানে আক্রমণ হল...
বিনিময়ে মালালাকে দেওয়া হল শান্তিতে নোবেল !!!!

পাকিস্তানের একজন নোবেল পেল, ভারত আবার নাখোশ হবে। ব্যালান্স তৈরির জন্য ভারতের কৈলাস বাবুর হাতেও যৌথভাবে ধরিয়ে দেওয়া হল নোবেল।

ব্যাস, পাকিস্তান খুশি, ভারত খুশি, আর মালালাকে ব্যবহার করে পশ্চিমাদের এজেন্ডাগুলোরও বাস্তবায়ন হয়ে গেল। এরই নাম নোবেল রাজনৈতিক পুরস্কার থুক্কু নোবেল শান্তি পুরস্কার...
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

তাসের ঘর বনাম বাস্তব হিসাব

লিখেছেন মোবারক, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:২০

পরিবারে বড় ভাই হওয়া মানেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ত্যাগী বা মহান হয়ে যাওয়া নয়। আমাদের সমাজে একটি অলিখিত নিয়ম রয়েছে যে, পরিবারের প্রথম সন্তান মানেই তিনি অনেক ত্যাগ করবেন এবং ভাইবোনদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শাহজালাল রুমি দেশ ছেড়েছেন কার ভয়ে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৮


থাপ্পড়-কাণ্ডের পর দেশ ছেড়েছেন শাহজালাল রুমি। টঙ্গীতে নিজের মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া অন্যায়ের প্রতিবাদ করাই যেন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে তাঁর জন্য। গণমাধ্যমের সামনে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি, ব্যক্তিগত বার্তায় ভয়ভীতি প্রদর্শন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

কিছুই হচ্ছে না

লিখেছেন মুহাম্মদ তমাল, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০৪



কিছুই হচ্ছে না, আবার সবকিছুই হয়ে যাচ্ছে। এই যে বয়সটা পা টিপে টিপে এসে ঘাড়ের কাছে দাঁড়ায়, টেরই পাই না। আয়নার সামনে দাঁড়াইলে একজন অচেনা লোক তাকায়, চোখের নিচে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগের ওসমান হাদী সৈয়দ মশিউর রহমানের ব্যান

লিখেছেন এল গ্যাস্ত্রিকো ডি প্রবলেমো, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫০

এ আমি কী দেখলাম! ব্লগের প্রতিবাদী মুখ, ভারতের যম, ওসমান হাদীর মুখপাত্র, একাত্তরকা গণ্ডগোলের ব্যাপারে সচেতন মুখ সৈয়দ মশিউর রহমানের ব্লগটি স্থগিত অথবা বাতিল করা হয়েছে। দেশে যখন সামান্য চুমু... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাদ্রাসার মোল্লা হুজুর থেকে আপনার সন্তানকে নিরাপদ রাখুন

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০৭

গতকাল রাতে একটা বাচ্চার পা**র ছবি দেখেছিলাম ফেইসবুকে, অনেকেই শেয়ার করেছেন। পা কেটে হাসপাতালে আসার পর ডাক্তার সাপোজিটরি দিতে গিয়ে দেখে গর্তের মতো হয়ে গেছে। মাদ্রাসার হুজুরে বিকৃত কাজ করতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×