গতকাল (০১/০৪/২০১৬ ইং) ছিল সাপ্তাহিক ছুটির দিন। হয়ে গেল ব্লগারদের জমজমাট আড্ডা রাজধানীর জিয়া উদ্যানে।
প্রবাস হতে এসেছিলেন জনপ্রিয় ব্লগার ও অনলাইন এক্টিভিস্ট আবু জারীর ভাই। উনি বাংলাভাষী ব্লগারদের সাথে গেট টুগেদার করার ইচ্ছে প্রকাশ করলেন। আমাদেরও সুপ্ত ইচ্ছে ছিল আমাদের প্রবাসী এই জনপ্রিয় ব্লগার ভাইটির সাথে দেখা করার। সবার সাথে আলোচনা করে সময় ও স্থান নির্ধারণ করা হলো। প্রথমে ভেন্যু ছিল সংসদ ভবনের সামনের উন্মুক্ত চত্ত্বর।
সবার আগে উপস্থিত হলেন আমাদের ব্লগার বন্ধু মুজাহিদ হোসাইন সজীব। খানিক পর আমিও চলে এলাম সংসদ ভবনের সামনে। কিন্তু সেখানে বসার ভালো ব্যবস্থা না থাকায় চলে এলাম জিয়া উদ্যানে, সবাইকে নতুন গন্তব্য জানিয়ে দিলাম। ইতোমধ্যে ব্লগার নূরনবী ভাইও পৌছে গিয়েছেন। জিয়া উদ্যান মসজিদে আসরের সালাত পড়ে বাকী বন্ধুদের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম।


মুরব্বী লম্বায় সাড়ে ছয়ফুট,
বাকীদের লাগছে তাই লিলিপুট।


ইতোমধ্যে এসে গেলেন ইমরুল কায়েস পরাগ ভাই, একটু পর লোকমান বিন ইউসুফ, ওয়ায়েজ কুরুনী, মাজহার ভাই সহ আরো বেশ কয়েকজন। দূর্বাঘাসের উপর বসে বাদাম খেতে খেতে চললো আমাদের আড্ডা। একেবারে হাড্ডাহাড্ডি, ফাটাফাটি, আড্ডাআড্ডি।

মাগরিবের সময় হওয়ায় আড্ডায় বিরতি ঘোষণা করা হলো। সালাতের পর আলো আঁধারির মাঝে আবার বসলাম সবাই আড্ডায়। তবে নূর নবী চলে গেলেন উনার ইভেনিং এমবিএ’র ক্লাস ছিল বলে। এর মাঝে শরফুদ্দীন আহমেদ লিংকন সহ আরো কয়েকজন এসে পড়েছেন। আড্ডায় হাসি, গল্প, কৌতুক এর পাশাপাশি গঠনমূলক অনেক আলোচনাও হয়েছে। ব্লগ এ সকলের নিয়মিত অংশগ্রহণের পক্ষে মত প্রকাশ করা হয় এবং সবাই এ বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়।
উনার জন্য পাত্রী চাই।


খানাখাইদ্য ছাড়া আড্ডা একটু ফানসেই মনে হয়। এরি মাঝে পেটের মধ্যে ক্ষুধা জানান দিলো। জিয়া উদ্যান হতে বের হয়ে সবাই দলবেঁধে হাঁটতে লাগলাম। একটি চাইনিজ রেস্তোঁরা মিললো। খাবারের মাঝেই হয়ে গেল আরেক দফা আড্ডা, কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও আলাপ হলো। আবু জারীর ভাই জীবন হতে নেয়া অনেক গল্প শেয়ার করলেন।


এবার ফেরার পালা। আবার হবে তো দেখা! তবে প্রযুক্তির কল্যাণে সবাই থাকবো কাছাকাছিই। স্মৃতির মানসপটে গতকালের জমজমাট আড্ডার মধুর স্মৃতিটি জাগরুক থাকবে অনেকদিন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

