
সাকিব ভাই তো দেশের সেরা তারকা, এই ব্যাপারে বলার কিছু নাই। আর দেশের ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে যদি ১০ কোটি মানুষের বয়স ও ৩০-এর নিচে হয়, তাইলে এদের মধ্যে ৯০% জীবনে চলার অনুপ্রেরনা পায় মাশরাফি ভাই এর কাছ থেকে...
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে মাশরাফি ভাই মাঠে ইনজুরি তে পরলে অধিনায়কত্ব দেয়া হয় সাকিব কে। পরবর্তিতে নানা জল ঘোলা করে সাকিব-তামিম কে অধিনায়ক এবং সহ-অধিনায়ক পদ থেকে সরানো হয়। ঘটনাক্রমে মাশরাফি ভাই আবার অধিনায়কত্বে ফিরলে নানা মহলে গুঞ্জন ওঠে নানা বিষয়ে, নানা কথা-বার্তা শুরু হয়.।.।.।.।.।
আজকের প্রথম আলো টা খুলেই মন টা ভাল হয়ে যায় সকালে। পেপার খুলেই দেখি দুইজনের ছবি। একে অন্যের ব্যাপারে নিজেদের অবস্থান ক্লিয়ার করেছেন। কথা বলেছেন ভবিষ্যত এবং বর্তমান নিয়ে। যারা পড়েননি এখনো তারা এখানে টিপি দেন
সাংবাদিক উতপল শুভ্র সাক্ষাতকারের এক পর্যায়ে প্রশ্ন করেন, "বাংলাদেশ দলে এখন অনেক তারকা আর তারকা মানেই ইগো। খেলার বাইরে আরো কত কিছু আছে... বিজ্ঞাপন জগতে কারও কম চাহিদা, কারও বেশি, এসব নিয়ে ঈর্ষা-টির্ষা হয় না? আপনাদের কথা অনুযায়ী সত্যি-ই যদি তাই না হয়, তাহলে বাংলাদেশ দল বিশ্ব ক্রিকেটেই এক বড় উদাহরন।"
জবাবে ম্যাশ বলে, "আসলেই আমরা একটা উদাহরন। সমস্যা কি জানেন, এখনো আমরা মাঠে গিয়ে আমাদের প্ল্যানগুলো ঠিকমত কাজে লাগাতে পারি না। যেদিন পারব, যেদিন আমরা ভারত-অস্ট্রেলিয়ার মত দলকে বলে কয়ে হারাতে শুরু করবো, সেদিন আমরাই বিশ্ব ক্রিকেটে উদাহরন হব। আমাদের মধ্যে সত্যি কোন বিভেদ নেই। একটা সুবিধা জানেন, আমরা সবাই প্রায় একই ধরনের পরিবার থেকে এসেছি। সাকিব কিন্তু বিল ক্লিনটনের ফ্যামিলি থেকে আসেনি, আমিও ওবামার মত ফ্যামিলি থেকে না। আমরা আমাদের ভিতটা খুব ভাল বুঝি , তা ধরে রাখি। আমাদের ড্রেসিং রুমে একটা কালচার তৈরি হয়ে গেছে। যারা এর বাইরে কিছু ভাবে বা করতে যায়, তারা ঝরে যায়।।"
আর মানুষ, এই শালারা একটা দুইডা ম্যাচ জিইতা মনে হয় দেশটা জিতা নিছে!! আরও কত কিছু যে শুনি। ঐ মানুষ গুলান রে এই সাক্ষাতকার ডা দেখানোর ইচ্ছা ছিল।
আরেক অংশে ক্যাপ্টেনসি ব্যাপারে সাকিব ভাই কে প্রশ্ন করা হলে তিনি উত্তর করেন, "অনেকে অনেক রকম বলতে পারে, তবে আমরা জানি আমাদের সম্পর্ক কী। একবার হল না যে, আমাদের নিয়ে অনেক কথাবার্তা... তো পরদিন পত্রিকায় আমাদের একসঙ্গে ছবি দিয়ে লিখলো, একসঙ্গে বসে থাকলেও আমাদের মধ্যে নাকি মিল নাই। আমি অমন একজন মানুষ না যে, যার সঙ্গে মিল নাই, তার পাশে গিয়ে বসতে পারব।"
এরপরেও মানুষ বলবে সাকিব এর নাক উচাঁ! টাকলারা বলবে sakib kala pare na!!
সবাইকে সাক্ষাতকার টা পুরাটা পড়ে দেখার আহবান রইল। আশা করি অনেকের অনেক ভূল ধারনা অবসান হবে
নানা দেশের ক্রিকেটে নানারকম কলহ আছে। কেভিন পিটারসেন এর মত ব্যাটসম্যান এই কম বয়সে দলে খেলতে পারে না অ্যান্ড্রু স্ট্রস এর সাথে দ্বন্দ থাকায়, মাইকেল ক্লার্ক এর সাথে অস্ট্রেলিয়ার অনেক খেলোয়ারের সমস্যা, রাহুল দ্রাবিরের ক্যারিয়ার আগে শেশ হয়ে গেসিল দাদা দ্য গাঙ্গুলি'র জন্য... আমাদের ক্রিকেটে এগুলা নাই, আশা করি হবেও না কখনো। আমরা সত্যি ভাগ্যবান যে আমরা এমন ক্রিকেটার গুলা পেয়েছি
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



