মাদ্রাসা ক্ষিা বোর্ড একটা আলাদা বোর্ড । আমাদের দেশে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা একটা অদ্ভুত ব্যবস্থাপনার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। অবশ্য সামপ্রতিক সময়ে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে যে সমস্ত পরীক্ষ নিরীক্ষা হচ্ছে, তাতে অবশ্য মাদ্রাসা শিক্ষাকে আলাদা করে দেখার আবশ্যকতা পাওয়া কঠিন। বিজ্ঞান পরীক্ষ নিরীক্ষার পক্ষে । কিন্তু পরীক্ষার ফলাফল ইতিবাচক না হওয়া পর্যন্ত তা প্রয়োগ করা বিজ্ঞান সম্মত নয় । আমাদের দেশের শিক্ষার নিতি নির্ধারকরা পরীক্ষা শুরু করেন প্রয়োগের মাধ্যমে । তাতে দেশের ভবিষ্যত সমাজের অবস্থা কোথায় গিয়ে ঠেকতে পারে তা তারা আদৌ ভাবেন না । ( এটা আমি জোর দিয়ে এ কারনেই বলবো যে সামপ্রতিক সময়ে তাদের কর্মকান্ড তা প্রমানে যথেস্ট ) যারা মাদ্রাসা থেকে পাশ করে তাদের একেবারে আলাদা ভাবা হয় । একেবারে আলাদা এক সিলেবাস । যার ফলে মাদ্রাসায় পড়া ছেলে বা মেয়েরা একেবারে আলাদা হয়ে যায়। শুধু সামাজিক ভাবে নয় , মানসিক ভাবেও । আশির দশকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা পেট্রো ডলারে গড়ে উঠতে থাকে প্রচুর মাদ্রাসা। এতেও মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি ফুলে ফেপে উঠলেও মাদ্রাসার ছাত্র এবং শিক্ষকদের অবস্থার খুব বেশী পরিবর্তন হয় নি । ধর্মের প্রতি প্রবল অনুরাগ আর পরকাল এর ভীতি থেকে অনেক অর্থবান ব্যাক্তি মাদ্রাসা স্থাপন করতে আগ্রহী হত । মাদ্রাসার সেেঙ্গ একটা শব্দ প্রায়শই যুক্ত হয় তা হল এতিমখানা ও মাদ্রাসা । এই সকল মাদ্রাসা চলত খানিকটা সে সব বিত্তবানদের অর্থে এবং দান খয়রাতে( ভিা বৃত্তি শব্দটি এড়িয়ে গেলাম) । এসব দান নিতে প্রায়শই মাদ্রসার ছাত্র যাদের পরিচয় তালবেলেম-তাদের ঝুলি নিযে দ্বারে দ্বারে যেতে হত এবং এখনো হয় । শিক্ষকদের বেতন---ব্যাপারটা প্রায় পেটে ভাতে চুক্তি। এর বাইরে দু চারটা আমপারা কোরান শরীফ শিখিয়ে যা আয় করতে পারে। মফস্বলে মাদ্রাসা শিক্ষকদের জীবন অনেকটা প্রবাস জীবনের মত। সামান্য আয়ে অন্য জেলা থেকে আসা শিক্ষক তার পরিবার ছাড়াই কাটান বছরের পর বছর। যা তাদের অনেককে গোপন যৌন জীবনের দিকে ঠেলে দেয় । মাদ্রাসার ছাত্ররা যখন মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে বের হয় তাদের সামনে সাধারণত দুটো পথ খোলা থাকে । কোন মসজিদ এ আশ্রয় নেওয়া অথবা এ রকম আরেকটি মাদ্রাসায় বা স্কুলে যোগদান- সে শুধু ধর্ম শিক্ষক পদে - কারন অন্য শিক্ষার পথ তাদের জন্য বন্ধ।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৪:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



