
মহানবির (সা.) ইন্তেকালের সাথে সাথেই মুসলিমদের অনৈক্য শুরু হয়ে এখনো চলমান রয়েছে। তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ করতে আমেরিকা ও ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যে উপস্থিত হয়েছে। তাদের অনৈক্যের সুযোগে আমেরিকা ও ইসরায়েলের যৌথ বাহিনী মধ্য প্রাচ্যের মুসলিম দেশ সমূহ তাদের আয়ত্বে নিতে থাকবে। এতে তারা অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হলেও যুদ্ধ করতে করতে তাদের অস্ত্রপাতি শেষ হয়ে যাবে।তখন একজন মুসলিম নেতার অধিনে সারা বিশ্বের মুসলিম জিহাদীরা জিহাদ শুরু করবে। তখন তাদেরকে কেউ আটকাতে পারবে না। তাদের হাতে তাদের সকল বিরোধী পরাজিত হবে। তখন সারা বিশ্বের মুসলিম সেই বিজয়ী দলের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হবে। আর এভাবে তাদের দেড় হাজার বছরের অনৈক্য দূরিভুত হবে।
সহিহ সুনানে ইবনে মাজাহ, ৪০৮৪ নং হাদিসের (ফিতনা অধ্যায়) অনুবাদ-
৪০৮৪। হযরত সাওবান (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তোমাদের একটি খনিজ সম্পদের নিকট তিনজন নিহত হবেন। তাদের প্রত্যেকেই হবেন খলিফার পুত্র। এরপর সেই ধনাগার তাদের কেউ পাবেন না। প্রাচ্য দেশ থেকে কালো পতাকা উড্ডীন করা হবে । তারা তোমাদের এমনভাবে হত্যা করবে, যেমনটি ইতিপূর্বে কোন জাতি করেনি। অতঃপর তিনি আরো কিছু উল্লেখ করেছিলেন, যা আমার মনে নেই। আর তিনি এও বললেন, যখন তোমরা তাঁকে দেখতে পাবে, তখন তাঁর হাতে বায়াত গ্রহণ করবে, যদিও তোমাদের বরফের উপর হামাগুড়ি দিয়ে অতিক্রম করতে হয়। কেননা তিনি আল্লাহর খলিফা মাহদী।
সহিহ তিরমিযী, ২২১৫ নং হাদিসের (কলহ ও বিপর্যয় অধ্যায়) অনুবাদ-
২২১৫। হযরত আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, খোরাসানের দিক থেকে কালো পতাকাবাহীগণ বের হবে (মাহদীর সমর্থনে)। অবশেষে সেগুলো ইলিয়া (বায়তুল মাকদিস) এ স্থাপিত হবে এবং কোন কিছুই তা’প্রতিহত করতে পারবে না।
* মুসলিম সে দলটি আমেরিকা ও ইসরায়েলের পক্ষে যেসব মুসলিম অবস্থান নিবে তাদেরকেও পাইকারী হত্যা করবে। মুসলিম সেই দলের নেতা বরফ পড়ে এমন দেশের নাগরিক হবেন। চলমান বিশ্ব পরিস্থিতি অনুযায়ী হাদিসগুলো সঠিক বলেই মনে হয়। মুসলিমদের সাথে যে অত্যাচার হচ্ছে সেটাই তাদের ঐক্যের সহায়ক হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই অক্টোবর, ২০২৩ রাত ১১:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




