
ইমাম ধনী হলে ফ্রিতে ইমামতি করতে পারে। ইমাম ধনী নয় বলে ফ্রিতে ইমামতি করতে পারে না। ফ্রিতে ইমাম পায় না বলে মুছল্লী ইমাম ভাড়া করে ভাড়াটিয়া ইমামের পিছনে নামাজ পড়ে। আর কোন লোক তার বাড়ী থেকে অনেক দূরে গিয়ে কারো ইমামতি করতে বাধ্য নয়। সে নামাজ পড়তে যাবে, সে ইমামতিতে সবচেয়ে যোগ্য হলে ইমামতি করবে।
সুন্নত পালন করতে গিয়ে এক মসজিদে ইমাম নিয়োগ করা হয়নি। উপস্থিত মুছল্লী থেকে একজনকে ইমাম বানানো হলো। তার মনে হচ্ছিল তার সব কিছু ঠিকঠাক হচ্ছে না। সুতরাং সে মুছল্লীকে সিজদায় রেখে মেহরাবের ভাঙ্গা বেড়া দিয়ে পালিয়ে গেল। মুছল্লীর এক জন ইমামের সিজদা থেকে উঠার বিলম্ব দেখে মাথা উঠিয়ে দেখে ইমাম নাই। আর তাতে তাদের জামায়াত ভেঙ্গে গেল। অবস্থার প্রেক্ষাপট বিবেচনায় মসজিদ কমিটি বেতন দিয়ে ইমাম নিয়োগের প্রচলন করেছে। কোরআনের আয়াতের যেমন শানে নুজুল আছে তেমনি ইমামের বেতনের প্রেক্ষাপট আছে। যারা বিনা বেতনে ইমামতির কথা বলছে। তারা তাদের প্রক্রিয়ায় মসজিদ সমূহে সুষ্ঠভাবে নামাজের জামায়াতের আয়োজন করতে পারবে কি? তারা যদি সেরকম কিছু করে দেখাতে পাবে তবে তাদেরকে সাদুবাদ। যদি তারা সেরকম না পারে তবে বুঝা যাচ্ছে তারা অহেতুক হাউকাউ করছে। যে হাউকাউয়ের মূলত কোন দরকার নাই।
ইমাম বেতন নিচ্ছে হাদিয়া হিসাবে। ইসলামে হাদিয়া নেওয়া জায়েজ আছে। সুতরাং হাদিয়া হিসাবে ইমামের বেতন নেওয়া মূলত কোন সমস্যা না।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মার্চ, ২০২৪ দুপুর ১২:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




