
আওয়ামী লীগের প্রতি আমরা মানুষের ক্ষোভ দেখেছি। পনের বছরে বিএনপির ডাকে জনগণ সাড়া দেয়নি বিধায় আওয়ামী লীগ যা ইচ্ছা তা’ করেছে। অন্য দল গুলোর প্রতি জনসমর্থ খুব একটা নাই।এমতাবস্থায় বৈশম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন দল গঠন করাকে সমর্থ করা বিষয়ে আমি ফেসবুকে একটা পোষ্ট দেই। এখন পর্যন্ত বৈশম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন দল গঠন বিষয়ে জনমেতের ৯০% এর ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে।
পুরাতন দু’টি বড় দলে পরিবারতন্ত্র বিদ্যমাণ। শেখ হাসিনা শেষ। খুনখুনে বুড়ি খালেদা জিয়া এখনো অবসরে যাওয়ার ভাবনা ভাবতে পারছেন না। শেষ হওয়ার পরেও শেখ হাসিনা দলীয় প্রধানের পদটা ছাড়ার কথা ভাবতে পারছেন না। আরেক খুনখুনে বুড়ি রওশন পার্টি নিয়ে টানা হেঁচড়ায় লিপ্ত। জামায়াতের গায়ে রাজাকারের সিল মারা।অন্য দলগুলো বনসাই হয়ে পড়ে রয়েছে।বৈশম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন জাতির জন্য কাজ করার সুযোগ পেয়েছে। আপাতত তাদের প্রতি ৯০% জনসমর্থন পরিলক্ষিত। তারমানে অন্য দলের নেতাকর্মী ছাড়া সাধারণ জনগণ এখন বৈশম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আছে।
বড় দু’টি দলের নেতা-কর্মীরা পদ হারানোর ভয়ে দলের বিপক্ষে অবস্থান গ্রহণ করতে পারছে না। কিন্তু সাধারণ জনগণের ক্ষেত্রে পদ হারানোর বিষয়টি নেই বিধায় তারা ঝাঁক বেঁধে বড় দল দু’টি থেকে তাদের সমর্থন প্রত্যাহার করেছে। ঘটনা এভাবে বজায় থাকলে তবে তিন মাস পরেই নির্বাচন হোক।তাতে জনতার ভোটে তারা পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব পেলে সেটা চমৎকার হবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই আগস্ট, ২০২৪ রাত ১০:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




