
সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।
* যখন সারা বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ যোদ্ধা সঠিক ফিকাহের অনুসারী হবে এবং সারা বিশ্বের সামরিক ও চিকিৎসা ব্যবস্থ্যার নিয়ন্ত্রণ শক্তভাবে ইসলাম কায়েমকারীদের হাতে থাকবে তখন শক্তভাবে ইসলাম কায়েম হবে। তার আগে ইসলামী দল সমূহ ইনসাফ কায়েমের কাজ করবে। রাসূল (সা.) কর্তৃক কায়েম করা ইসলাম কায়েম থাকেনি সেই ইসলাম শক্তভাবে কায়েম না হওয়ার কারণে। ওটা কোনমতে টিকে ছিল ত্রিশ বছর। এখনও বিশ্বের কোন অংশে খানিক সময়ের জন্য কোন মতে ইসলাম কায়েম হয়ে পড়ে যাবে। কায়েম খাকবে না।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৭। আর যারা মসজিদ নির্মাণ করেছে ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এবং ইতিপূর্বে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম করেছে তার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের জন্য, তারা শপথ করেই বলবে তারা ভাল কিছু করার জন্যই ওটা করেছে; আর আল্লাহ সাক্ষি দিচ্ছেন নিশ্চয়ই তারা মিথ্যাবাদী।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
* মসজিদ সমূহের নিয়ন্ত্রণ সঠিক ফিকাহের অনুসারীদের নিয়ন্ত্রণে রাখুন।তারপর আল্লাহর কাছে ক্ষমতা লাভের প্রার্থনা করুন। হযরত ইমাম হোসেন (রা.) যখন ক্ষমতা চেয়েছেন তখন মসজিদ সমূহ তাঁর নিয়ন্ত্রণে ছিল কি? উত্তর ‘না’ হলে জেনে রাখুর ঠিক সেই জন্য ক্ষমতার বদলে তাঁর মাথাটা খোয়া গেছে।মসজিদ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সকল মসজিদে সকল নামাজের পর সঠিক ফিকাহ শিক্ষার ব্যবস্থা করুন। রাসূল (সা.) মসজিদে সকল নামাজের পর ফিকাহ শিক্ষা দিতেন এবং তিনি একটি মসজিদও তাঁর নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে দেননি। যারা যেই ভৌগলিক এলাকায় ইসলাম কায়েমের চেষ্টা করবে তারা সেই এলাকার সকল মসজিদ নিজেদের দখলে নিয়ে সকল মসজিদে সকল নামাজের পর ফিকাহ শিক্ষার ব্যবস্থা করবে এবং তারপর তারা ইসলাম প্রতিষ্ঠার কথা বলবে, তার আগে তারা স্রেফ ইনসাফ প্রতিষ্ঠার কথা বলবে। এখন নির্বাচনে ইসলামী জোট নয় ইনসাফী জোট হবে। ঘটনা তেমন হলে বিষয়টা ঠিক আছে।ইসনাফী জোটে থাকাই এখন সাওয়াবের কাজ। ইনসাফী জোটে থাকলে অমুসলিমের সাওয়াব কি? তাদের সাওয়াব পরকালে শাস্তি কম হওয়া।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




