
সূরাঃ ৫১ যারিয়াত, ৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৬। আমি জিন ও মানুষকে এ জন্য সৃষ্টি করেছি যে, তারা আমারই ইবাদত করবে।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৫। আল্লাহ, তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই।তিনি চিরঞ্জীব চির বিদ্যমাণ।তাঁকে তন্দ্রা অথবা নিদ্রা স্পর্শ করে না।আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সমস্তই তাঁর।কে সে যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর নিকট সুপারিশ করবে? তাঁর সামনে পিছনে যা কিছু আছে তা’ তিনি জানেন।তাঁর ইচ্ছা ছাড়া তাঁর জ্ঞানের কিছুই কেউ আয়ত্ব করতে পারে না।তাঁর ‘কুরসী’ আকাশ ও পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত।এ দু’টির হেফাজত তাঁকে ক্লান্ত করে না।আর তিনি পরম উচ্চ-মহিয়ান।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৬। দ্বীনের মধ্যে কোন জবরদস্তি নেই। নিশ্চয়ই ভ্রন্তি খেকে সঠিক পথ প্রকাশ হয়েছে। অতএব যে লোক তাগুতের বিরোধিতা করবে এবং আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন করবে সে দৃঢ়তর রজ্জুকে শক্ত করে ধরলো যা কখনো ছিঁড়ে যাবে না এবং আল্লাহ হলেন সর্বশ্রোতা মহাজ্ঞানী।
* নিজের মতই আল্লাহর মানুষ ও জ্বীনের ইবাদত পাওয়ার ইচ্ছা চিরস্থায়ী। তবে তাদের থেকে তাঁর জবরদস্তি ইবাদত পাওয়ার ইচ্ছা নাই। আপোষে কোন মানুষ ও জ্বীন আল্লাহর চিরস্থায়ী ইবাদত করবে? জান্নাতীরাতো আল্লাহর ইবাদত করবে না। তারা জান্নাতে আল্লাহর বন্ধু হিসাবে তাঁর মেহমান হয়ে তাঁর আপ্যায়নে থাকবে।
সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ৪৬ থেকে ৪৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৬। উভয়ের মাঝে পর্দা আছে।আর আরাফে কিছু লোক থাকবে যারা প্রত্যেককে তাদের লক্ষণ দ্বারা চিনবে।আর তারা জান্নাতবাসীদেরকে ডেকে বলবে, তোমাদের শান্তি হোক। তারা তখনও জান্নাতে প্রবেশ করেনি, কিন্তু তারা এ বিষয়ে আশ্বস্ত।
৪৭। যখন তাদের দৃষ্টি অগ্নিবাসীদের দিকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে তখন তারা বলবে, হে আমাদের রব আমাদেরকে যালিমদের সাথী বানিয়ে দিবেন না।
৪৮। আরাফবাসীগণ যে লোকদেরকে লক্ষণ দ্বারা চিনবে তারা তাদেরকে ডেকে বলবে, তোমাদের দল ও তোমাদের অহংকার কোন কাজে আসল না।
সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
* আরাফবাসীগণও জান্নাতে প্রমোশন পাবে। অবশিষ্ট থাকবে অগ্নিবাসী। তারা চিরস্থায়ী অগ্নিবাসী থাকার ঘোষণা শুনবে। তারা পৃথিবীতে ফিরে আল্লাহর ইবাদত করে জান্নাত লাভের আর্জি জানাবে। কিন্তু তাদের সে আর্জি না মঞ্জুর হবে। তারপর তারা চিরস্থায়ী ইবাদতের বিনিময়ে আরাফে থাকার আর্জি জানাবে। তাদের সে আর্জি মঞ্জুর হবে। নতুন সিদ্ধানের সাথে সাংঘর্ষিক আয়াত কোরআন থেকে মানসুখ হয়ে তার থেকে উত্তম আয়াত কোরআনে যুক্ত হবে। যাতে বলা থাকবে তারা আর্জি অনুযায়ী ইবাদত না করলে তারা জাহান্নামের কয়েদী হবে। কিন্তু স্বচক্ষে জাহান্নাম দেখার পর কেউ ইবাদত না করার সাহস পাবে না। তবে তাদেরকে চিরস্থায়ী ভয়ের মধ্যে রাখতে জাহান্নাম চিরস্থায়ী বিদ্যমাণ থাকবে।তারমাণে যারা ইহকালে আল্লাহর ইবাদত করবে না বা ঠিকঠাক ইবাদত করবে না তারা পরকালে চিরস্থায়ী আল্লাহর ইবাদত করবে। চিরস্থায়ী জাহান্নামী হুজুরগুলা তখন তাদের হুজুর থাকবে। এদের চিরস্থায়ী শাস্তি হলো আফসুস। তারা বলবে যদি পৃথিবীতে ইবাদত করতাম তবে জান্নাতে আল্লাহর মেহমান হিসাবে থাকতে পারতাম। সেইতো ইবাদত করছি. তবে এর বিনিময়ে কোন দিন জান্নাত পাওয়া হবে না। অতি চালাকদের হবে এমন আফসুসের অবস্থা।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


