
সূরাঃ ৭ আরাফ, ২ নং ও ৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২। তোমার প্রতি কিতাব নাজিল করা হয়েছে, যেন এর দ্বারা সাবধান করার বিষয়ে তোমার মনে কোন সংকোচ না থাকে।আর ইহা মুমিনদের জন্য উপদেশ।
৩। তোমাদের রবের নিকট হতে তোমাদের প্রতি যা নাযিল হয়েছে তার অনুসরন কর এবং তাঁকে ছাড়া অন্য অভিভাবকের অনুসরন করবে না। তোমরা খুব অল্পই উপদেশ গ্রহণ কর।
সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ৩০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩০। একদলকে তিনি হেদায়েত প্রদান করেছেন আর অন্য দলের জন্য পথভ্রষ্টতা নির্ধারিত হয়েছে।তারা আল্লাহকে ছাড়া শয়তানকে তাদের অভিভাবক করেছিল, আর তারা মনে করতো তারা হেদায়েত প্রাপ্ত।
* রবের পক্ষ থেকে নাযিল করা কিতাবের উপদেশ রবকে ছাড়া অন্য অভিভাবকের অনুসরন করা যাবে না। রব কি বিভিন্ন পথ দেখান? উত্তর ‘না’ হলে রবের পক্ষ থেকে নাযিল করা কিতাব অভিন্ন পথ দেখায় এবং এ অভিন্ন পথে রবের সুন্নাতের সাথে বিন্দু পরিমাণ মতভেদ গৃহিত হয় না। যারা শয়তানকে অভিভাবক মানে তারা রবের সুন্নাতের সাথে মতভেদ করাকে হেদায়াত মনে করে।শয়তান তাদেরকে বিভিন্ন পথে পরিচালিত করে এবং তার অনুসারীরা মনে করে তারা এক মহাহেদায়াতে আছে।যেমন শিয়ায়ে আলীর (রা.) মধ্যে বহুপথ বিদ্যমাণ। আহলে হাদিসের মধ্যে বহুপথ বিদ্যমাণ। ফিকাহ অনুসারীদের মধ্যে বহু পথ বিদ্যমাণ। এসব বহু পথের মধ্যে হানাফী ফিকাহ আমির কর্তৃক পরিশোধীত ও অনুমোদীত। আর আমিরের অনুমোদন গ্রহণ করা রবের সুন্নাত।সুতরাং রবের সুন্নাতের একমাত্র পথ হানাফীদের পথ এবং এর সাথে মতভেদে তৈরী করা কোন পথ রবের পথ নয়। কারণ এসব পথের সাথে রবের সুন্নাতের কোন সংযোগ নাই।
সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ১৭০ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৭০। যারা কিতাবকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করে ও সালাত কায়েম করে, আমিতো এরূপ সৎকর্ম পরায়নদের শ্রমফল নষ্ট করি না।
সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ১৭৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৭৯। আমিতো বহু মানুষ ও জিনকে জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছি।তাদের হৃদয় আছে এর দ্বারা তারা বুঝে না।তাদের চোখ আছে এর দ্বারা তারা দেখে না। তাদের কান আছে এর দ্বারা তারা শুনে না। ওরা পশুর মত, বরং তারচেয়ে বেশী বিভ্রান্ত।ওরাই গাফিল।
সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ১৮৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৮৬। আল্লাহ যাদেরকে বিপথগামী করেন তাদের হেদায়েতকারী নেই, আর তাদেরকে তিনি তাদের অবাধ্যতায় উদভ্রান্তের মত ঘুরে বেড়াতে দেন।
* যারা কিতাবকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করে এবং হৃদয় দিয়ে কিতাব বুঝে হেদায়াত তাদের প্রাপ্য। যারা কিতাবকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করে না এবং হৃদয় দিয়ে কিতাব বুঝে না, তাদের জন্য হেদায়াত নাই। তারা তাদের অবাধ্যতায় উদভ্রান্তের মত ঘুরে বেড়ায়।কিতাবে কি ভিন্ন ভিন্ন রবের কথা আছে? উত্তর ‘না’ হলে অভিন্ন রবের পথ বিভিন্ন কেমন করে হয়? সুতরাং রবের পছন্দের পথ একটাই। রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) নামে মোনাফেক মিথ্যা হাদিস প্রচার করে রবের দিকে বিভিন্ন পথ দেখায়। তারা বলে সব পথ সঠিক, এরপর কেউ কোন পথে চলবে সেটা তাদের ইচ্ছা, কিন্তু এটা মূলত মিথ্যা কথা। কারণ রব রাসূলের (সা.) পর আমিরের অনুসরনের বিধান রেখেছেন। আর আমির অনুমোদীত পথ একটি বিধায় সেটাই রবের অভিন্ন পথ। সেটা হানাফীদের পথ বিধায় এর সাথে মতভেদে রচিত কোন পথ রবের পথ নয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



