
বাংলা সিনেমা ও বাংলা মদের মতই সস্তা ও খাস্তা বাংলা রাজনীতি। সস্তা কারণ উৎপাদন খরচ কম। খাস্তা সে একই কারণে।কাজ নেইতো খই ভাজ। যাদের কোন কাজ নেই তারা বলে চল কতক্ষণগিয়ে রাজনীতি করে আসি।এসব সস্তা আদমীকে প্রায় বিনে পয়সায় যারা কাজে খাটায় তাতের নীতি হলো রাজা হওয়া ও রাজা থাকার নীতি। এখানে নীতির রাজা বা সুনীতির কোন স্থান নেই। যেহেতু গণতন্ত্রের দেশ সেহেতু রাজা হয় ভোট কেড়ে এবং রাজা থাকেও ভোট কেড়ে। আর এ সুকাজে সস্তা আদমীদের কাজে লাগে। সস্তা আদমী ও তাদের ঠিকাদারেরা বাংলার রাজনীতির নিয়ন্ত্রণে থাকায় বাংলা রাজনীতি এমন সস্তা ও খাস্তা।
সস্তা রাজনীতির মাধ্যমে যারা ক্ষমতা লাভ করে তারা দেশের সম্পদ সুরক্ষায় উহা তাদের পকেটস্ত করে। দেশের সম্পদ পকেটস্ত করতে যা খরচ না করলেই নয় সেটা তারা খরচ করে। সে জন্য তাদের সস্তা আদমীরাও কিছু খরচাপাতি পায়।সস্তা আদমীরা মরেগেলে বাঁচি টাইপের হওয়ায় ধরাধরি মারামারি কাড়াকাড়িতে ওদের জুড়ি নেই। আমাদের মত বিদগ্ধ জনেরা ওদের তাড়া খাওয়ার ভয়ে ঘরে বসে থাকি।কি করব ভোট কেড়ে নিতে না দিলে প্রাণটাই কেড়ে নেয়।
ভদ্রলোক কোন কাজে লাগে? যখন দেশ স্বাধীন হয়েছে তখন ভদ্রলোকেরা হয় পালিয়ে গিয়েছিল নয়তো ঘরে বসে ছিল।সুতরাং ভদ্রলোকেরা যে রকম রাজনীতি ও দেশ চায় সেরকম রাজনীতি ও দেশ কেমন করে হবে? এর জন্য তাদেরকে ভদ্রতা ছেড়ে একত্রে রাস্তায় নামতে হবে। তারপর তারা জয়ী হয়ে যদি সবকিছু ভদ্রভাবে গড়ে তোলে তবেই কেবল আমরা ভদ্রতা পেতে পারি।নতুবা যেমন আছে তেমন চলছে ও চলবে।
এর মধ্যে সুষ্ঠ নির্বাচনের আলামত ফুটে উঠতে শুরু করেছে।কারণ একটাই, জোর যার মুল্লুক তার।তরুণরা যদি মনে করে তারা ঠকছে। তবে হাতুড়ি পিটা খেয়েও তাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে।নতুবা কপালের লিখন না মেনে উপায় নেই।তবে তরুণরা এখন দিশেহারা। তারা কারো ক্ষমতায় আস্তাশীল হতে পারছেনা।সে জন্য তারা চাচ্ছে আন্দোলনের মাধ্যমে যদি কিছু পাওয়া যায়।আর ভোট যুগে যুগে শুধু তাদেরী যারা এটা কেড়ে নিতে পারে।নীতিহীনতাই যখন নীতি তখন কিছু বলার থাকেনা।
একাত্তরে খুব কম সংখ্যক লোক যুদ্ধ করেছে।বাকীরা কে কি ছিল সেটা বংশ পরম্পরায় নির্ণয় করে ব্যবস্থা নিতে গেলে এদেশে ওকাজ ছাড়া আর কিছু কি করা যাবে? আমরা কত বুদ্ধিমান জাতি। একাত্তরের দু’পক্ষের চৌদ্দ সিঁড়ি পর্যন্ত তালাশ না করে আমরা থামবনা। আমরা এখনো পক্ষ বিপক্ষ নিয়ে আছি। আমরা তবে এক হব কখন? সম্ভবত একতাই বল এটা আমাদের কিতাবে লিখিত নেই। যারা অপরাধ করেছে তাদের বিচার করছি এটাও কি যথেষ্ট হচ্ছে না? এরপর কার মনের গভিরে কি লুকায়িত আছে সেটাও কি অনুসন্ধান করতে হবে? তবে তাই করি। বিশ্ব যখন এগিয়ে চলছে তখন আমরা নানান তামাশা জুড়ে তা নিয়ে ব্যস্ত থাকি! অতি বুদ্ধির জোরে আমরা গভীর খাদে পড়ে আছি এর থেকে আমাদের উদ্ধারের যেন কোন পথ নেই। সব দিকে বন্ধ দুয়ার।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



