
যারা সত্তর দেখেনি তারা আরেকটা সত্তর দেখতে চায়। এবার সত্তর দেখা না হলে কামাল ভাইয়ের হয়ত আর সত্তর দেখা হবে না। সেজন্য তিনি তাঁর স্বপ্নপূরণে বিএনপিকে রাজি করালেন। কিন্তু ওটা বাঁধাছিল জামায়াতের খুঁটিতে। সেজন্য ওটা খুশিতে ছুটতেগিয়ে খুঁটিসহ উঠে এসেছে।এখন ওটার সাথে হাঁটতে গেলে খুঁটির সাথে না হেঁটে উপায় কি? ওদিকে খুঁটি কাটতে গেলে ওটা উত্তেজিত হয়ে পড়ে। ওটাকে বস করতে বসের নিকট সময় চেয়ে পেলেন না। এত্ত কিছুর পর কেউ যদি প্রশ্ন করে ওটা করলেন কেন? তখন খামোশ না বলে উপায় কি থাকে? তা’ছাড়া সত্তরে ওরা ছিল। ওদের সে ওরা বাদ দিয়ে সত্তর উদয় হয় কেমন করে?
ওদেরকে জিজ্ঞাস করলাম ওদেরকে কয় সিট দেবে? ওরা বলল এক সিটও না। ওদেরকে দিতে গিয়ে হারতে যাবে কে? আমাদেরতো হাজী থাকলেও মহসিন নেই। অথবা কেউ মহসিন থাকলেও হাজীর সাথে মিলিয়ে নেই। হাজী এক জায়গায় আর মহসীন এক জায়গায় হলে দেব কেমন করে? সুতরাং চুপ কর বুড়ো। কিন্তু ওরা এক সিটও যদি না পায় তবে সত্তর হবে কেমন করে? সত্তরেতো ওরা নয় সিট পেয়েছিল। এবার কি সে ৯, ‘নয়’ হবে? একজন বলল চাচা ছাগল যদি ছুটে তবে সবগুলোই ছুটে একটা কি আর বসে থাকে? বুঝলাম যে দেশের সতর কোটি নাগরিক যুক্তিবাদী সে দেশের যুক্তি থেকে কোন দিনও মুক্তি মিলবে না। কাজেই যে যা করছে সেটাই যুক্তি সংগত।
আরেকটা সত্তর দেখতে হলে নির্বাচন হতেহবে। কারণ সত্তরে একটা নির্বাচন হয়েছিল।১৪ তে সেটা সেরকম হয়নি। কারণ ওরা নির্বাচনে আসেনি।ওরা আসেনি বলে তারা আসেনি। এবার ওরা এসেছে তারাও এসেছে। আহা সবাই যেন এক গোয়ালের গরু।
নির্বাচন হতে হলে একজনের সাথে কম পক্ষে অন্য একজন প্রার্থী থাকতে হয়। সেই শর্ত পূরণের জন্য কামাল ভাই ওদেরকে ঘষে মেজে ডেকে আনলেন। আর ওরা এসেছে ওদের খুঁটি সহ। এ বুড়ো বয়সে কত আর ঝক্কিঝামেলা পোহানো যায়। তাই ভাবলেন থাক ওটা খুঁটি সহ। আগে কাজটাতো অন্তত হোক।কিন্তু উন্নয়ন যাদের বাঁশের আড়ালে লুকানো তারা আঁৎকে উঠে বলল। সাথে কেন খুঁটি আছে কামাল ভাই? বুড়ো বয়সের খিঁট খিঁটে মেজাজে এমন প্রশ্ন খাটে কি? সংগত কারণে খামোশ শব্দটি আটকে না থেকে বেরিয়েই পড়ল।
পিছিয়ে পড়তে অভ্যস্ত জাতি হিসেবে আঠারোতে সত্তর দেখতে হলে আমাদেরকে অনিবার্যভাবে পিছিয়ে পড়তে হবে। সংগত কারণে পিছিয়ে পড়ে হলেও আমরা আবার সত্তর দেখব। কামাল ভাই সত্তর দেখবেন। আমরা মহা উত্তেজনায় সত্তরের অপেক্ষায় রয়েছি।
এদিকে চরমোনাই পীর ২৯৯ আসনে হাতপাখা সর্বরাহ করেছেন। শীতকালে হাতপাখার কি প্রয়োজন বুঝাগেল না।প্রসঙ্গত সত্তর যেন আবার উল্টা না হয়ে পড়ে তার দূর্বার প্রচেষ্টা চলছে। যার বিভিন্ন আলামত জনগণ স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে।ভোট আসলে ভোটারদেরকে কেমন দামী দামী মনে হয়। আর ভোট চলে গেলে ভোট ভিখারীরা দামী হয়ে পড়ে। তবে ক্ষমতাবানরা ভোট ভিখারী হয়ে অপমানিত না হয়ে ভোট ডাকাত হতেই পছন্দ করে। আর দূর্বল বুদ্ধিমানেরা সাধারণত ভোট চোর হতে পছন্দ করে।
আমার গবেষণায় কামাল ভাইকে অপরাধী নয় বরং অপারগ বলেই মনে হলো। কারণ ত্যাজ্য পুত্ররা নিয়মমাফিক পরিবারের প্রতি দায়িত্ব পালন করতে পারে না।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



